সাপোর্ট লেবেল কতো ডিএসইএক্সের

    1
    1226

    শাহীনুর ইসলাম : ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বুধবার ২৪৬টি কোম্পানির শেয়ার দরে সংশোধন হয়েছে। দর সংশোধনে ডিএসইর প্রধান ইনডেক্স ডিএসইএক্সের ৫৬.০৭ পয়েন্ট উধাও হয়।

    চলতি সপ্তাহের চার কর্মদিবসে সূচক পড়ল ১৬৪ পয়েন্ট। বুধবার সেই সূচক নেমে এসেছে ৬ হাজার ৮৯৮ পয়েন্টে। উপর থেকে সূচক দ্রুত নেমে আসায় ভিত হয়ে পড়েছেন অনেক সাধারণ বিনিয়োগকারী।

    ডিএসইএক্স দ্রুত পড়লেও সাপোর্ট লেবেল কতো? গড়িয়ে-গড়িয়ে সূচক নামলেও কোথায় গিয়ে ঠেকতে পারে- এমন প্রশ্নের উত্তর জানতে চান অনেক বিনিয়োগকারী। তবে তারা এটাকে সম্ভাবনার সূত্রপাত নয়, বিশাল আশঙ্কা হিসেবে দেখছেন।

    ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে ৭৯ কর্মদিবসের মধ্যে বুধবার, ৩ নভেম্বর সবচেয়ে কম লেনদেন হয়েছে অর্থাৎ ১ হাজার ১৫৪ কোটি ৪৩ লাখ টাকার লেনদেন হয়। হাতবদল হয়েছে ১ হাজার ১৪৮ কোটি ৮ লাখ টাকার শেয়ার।

    দিন শেষে ৮৯টি কোম্পানির শেয়ারের দর বৃদ্ধির বিপরীতে কমেছে ২৪৬টির এবং ৪০টির দাম ছিল অপরিবর্তিত।

    বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ২০২০ সালের ১৬ মার্চ ডিএসইএক্স ছিল ৩৬১৬ পয়েন্ট। এ সময়ে পুঁজিবাজারের মহাসংকট থেকে বেরিয়ে আলোর মুখ দেখতে থাকে। এরপরে জুন-জুলাই মাসে সামান্য বেড়ে ৩৯০০ পয়েন্টের ঘরে অবস্থান নেয়।

    এরপরে নব উত্থান। নানামূখী পরিক্রমার ভেতর দিয়ে ২০২১ সালের ১৪ জানুয়ারি ৫৮৮৬ পয়েন্টে অবস্থান নেয়।

    সূচক পড়তে থাকলে নানা গুঞ্জন শুরু হয়। পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও দেশের উভয় স্টক এক্সচেঞ্জের সহায়ক নীতি সহায়তাকে দোষারোপ করতে থাকেন। যদিও ‘গুঞ্জনে’ নীতির বিশেষ পরিবর্তন আসেনি। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের কিছু পলিসি সহায়তা পুঁজিবাজারকে এগিয়ে নেয়।

    এই সময়ে প্রচণ্ড কারোনাকালে ৪ মার্চ ডিএসই প্রধান ইনডেক্স অবস্থান নেয় ৫১১৩ পয়েন্টে। করোনাকালে শেয়ারে হাতবদল বাড়েতে থাকায় বেশ খুশি ছিল ব্রোকার হাউসগুলো। যদিও এ সময়ে স্বল্প মূলধনী কোম্পানিগুলোর বেশ দাপটে ছিল।

    ঠিক এ সময়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতি সহায়তা না দেয়ার গুঞ্জনে সাধারণ বিনিয়োগকারীসহ করপোরেট বিনিয়োগকারীরা ফের সরব হয়ে ওঠেন। তারপরে দিনে দিনে ফুলে উঠতে থাকে। বাড়তে থাকে বাজার পরিধি এবং লেনদেন।

    ১০ অক্টোবর সূচক অবস্থান নেয় ৭৩২২ পয়েন্টে। ধারণা ছিল, ৭২০০ পয়েন্টে অবস্থান নিয়ে সূচক সামান্য কম বেশি হবে। অক্টোবর মাসে কিছু কোম্পানির আর্থিক চিত্র প্রকাশ এবং লভ্যাংশ ঘোষণার প্রভাবে সূচক সামান্য নেমে আসবে।

    তবে ২৪ অক্টোবর ৭০০০ পয়েন্টে নামলেও তেমন ক্ষোভ জমেনি। এরপরে আরো বাজারে বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ার দর সংশোধন ও বিভিন্ন কোম্পানিতে আইপিওর টাকা আটকে যাওয়ায় লেনদেন কমতে থাকে।

    পর্যায়ক্রমে নভেম্বর প্রত্যাশার চেয়ে আরো কমে ৭ হাজারের নিচে পয়েন্ট নামে। টানা সাত কর্মদিবস ডিএসই প্রধান সূচক ডিএসইএক্স কমেছে। বুধবার, ৩ নভেম্বর ৬৮৯৮ পয়েন্টে অবস্থান নেয়। যা নিয়ে অনেকে ভীত।

    তাহলে ডিএসইএক্স কি আরো কমবে বা সাপোর্ট লেবেল কতো?

    প্রথমে, মার্কেটে লিকুইড মানি সংকট চলছে। দ্বিতীয়ত, প্রত্যেক বছরে এ সময়ে এমন চিত্র হয়। তবে অতি প্রত্যাশার সঙ্গে চিত্র না মেলায় মানতে কষ্ট হচ্ছে। তবে যা হয়েছে, তার চেয়ে সাধারণ বিনিয়োগকারী বেশি আক্রান্তের ভাব নিচ্ছেন।

    ডিএসই সাপোর্ট লেবেল ৬৮৩০ পয়েন্ট। এখন চলছে ৬৮৯৮ পয়েন্ট; মাত্র ৬৮ পয়েন্ট বাকি।

    তবে মজার ব্যাপার হলো- এই কারেকশনটা প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী অনেকেই কামনা করেছিলেন। কারণ, তাদের অনেকেই অক্টোবরের শুরুতে প্রফিট টেক করেছেন। এখন ইনডেস্ক এবং কোম্পানির শেয়ার দর কমলে ‘ফান্ডামেন্টাল শেয়ারে’ আবার তারা বিনিয়োগ করবেন।

    আগামীতে ঠিক আপনি যখন হাহাকারের ভাব নেবেন তখন তারা মুনাফা নিয়ে সড়কে আনন্দে হাঁটবে।

    মোট কথা, এরপরে ইনডেক্স ৯ হাজার পয়েন্ট স্মর্ষ করার সম্ভাবনা নিয়ে এগুবে। ২৪ ঘণ্টার আন্তর্জাতিক মানের শেয়ারবাজের প্রবেশ করছে ডিএসই। ৯ হাজার পয়েন্ট স্পর্ষ করা বিশাল সম্ভাবনার আগে সেই প্রস্তুতি চলছে!

    1 COMMENT

    1. India te 1992 theke short sell ase,kinto dse te ekhono onomodon dei nai,down market a against the trend trade kora lage eta khob risky,short sell er onomodon jate taratari dei news koren.

      Short sell bangladesh gajet a kobe prokash korbe news koren,ajke to 2.5 year holo.down market a short sell chara bebsha kora jai na,eta jate taratari dei,news koren.komishon eto slow kaj korle bazar agabe kivabe.

      Digital booth ei jinish ta ki,brokarage house er sathe eiter parthokko ki,news koren.

      Short sell bangladesh gajet a kobe prokash korbe news koren,ajke to 2.5 year holo.down market a short sell chara bebsha kora jai na,eta jate taratari dei,news koren.

    LEAVE A REPLY

    Please enter your comment!
    Please enter your name here