সাত সিমেন্ট কোম্পানি মুনাফায়

1
861

সিনিয়র রিপোর্টার : শেয়ারবাজারে বর্তমানে সাতটি কোম্পানি তালিকাভুক্ত রয়েছে। যদিও দেশি-বিদেশি মিলে এখন পর্যন্ত মোট ৩৫টি সিমেন্ট কোম্পানি উৎপাদনে রয়েছে। সেগুলোর মধ্যে তালিকাভুক্ত ৭টি কোম্পানির মুনাফা বেড়েছে।

সরকারি মেগা প্রকল্পগুলো করোনাকালে বাস্তবায়ন ৯০% হয় এবং পরে করোনার সংক্রমণ করতে থাকলে মেগাপ্রকল্পগুলোর ফের কার্যক্রম শুরু হয়। ফলে দেশে সিমেন্টের চাহিদা বাড়তে থাকে। এ সময়ে সিমেন্ট কারখানাগুলোও উৎপাদন বাড়ানোয় মনোযোগ দেয়।

কোম্পানিগুলো হচ্ছে- লাফার্জ হোলসিম, হেইডেলবার্গ, ক্রাউন, কনফিডেন্স, আরামিট সিমেন্ট, মেঘনা সিমেন্ট ও প্রিমিয়ার সিমেন্ট কোম্পানি। এসব কোম্পানির কোনোটির আয় বছর জুলাই-জুন; আবার কোনোটির আয় বছর জানুয়ারি-ডিসেম্বর।

কোম্পানিগুলোর ঘোষিত তথ্যে দেখা যায়, সবচেয়ে বেশি মুনাফায় আছে লাফার্জ হোলসিম সিমেন্ট। চলতি ২০২১ সালের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা দাঁড়ায় ২ টাকা ৬৬ পয়সা। এই কোম্পানির মোট শেয়ারসংখ্যা ১১৬ কোটি ১৩ লাখ ৭৩ হাজার ৫০০। সেই হিসাবে, ওই ৯ মাসে মুনাফা হয় ৩০৮ কোটি ৯২ লাখ টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল দেড় শ কোটি টাকা। অর্থাৎ, এক বছরে লাফার্জের মুনাফা দ্বিগুণ হয়েছে।

মুনাফা অর্জনে দ্বিতীয় স্থানে আছে কনফিডেন্স সিমেন্ট। গত জুন মাসে সমাপ্ত অর্থবছরে এই কোম্পানির শেয়ারপ্রতি মুনাফা হয়েছে ১৫ টাকা ৮৬ পয়সা। মুনাফার পরিমাণ ছিল ১২৪ কোটি টাকা। আগের বছর কোম্পানিটি মুনাফা করেছিল প্রায় ৫০ কোটি টাকা। এর মানে, করোনার মধ্যেও কোম্পানিটি আড়াই গুণ মুনাফা করেছে।

তৃতীয় স্থানে আছে ক্রাউন সিমেন্ট। শেয়ারবাজারে কোম্পানিটির শেয়ারসংখ্যা ১৪ কোটি ৮৫ লাখ। ২০২০ সালের জুলাই থেকে চলতি ২০২১ সালের জুন পর্যন্ত কোম্পানিটি শেয়ারপ্রতি মুনাফা করেছে ৫ টাকা ৭৯ পয়সা। আর পুরো অর্থবছরে এই কোম্পানির মুনাফার পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৮৬ কোটি টাকা। অথচ আগের বছর কোম্পানিটি ১৩ কোটি টাকার বেশি লোকসান দিয়েছিল।

এ ছাড়া হেইডেলবার্গ সিমেন্ট গত জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিন প্রান্তিকে সাড়ে ৫৫ কোটি টাকা মুনাফা করেছে। আর প্রিমিয়ার সিমেন্ট ২০২০ সালের জুলাই থেকে ২০২১ সালের জুন সময়ে ৬৫ কোটি টাকা লাভ করেছে। আগের বছরে কোম্পানিটির লোকসান হয়েছিল প্রায় ২৭ কোটি টাকা। এ ছাড়া মেঘনা সিমেন্ট ও আরামিট সিমেন্ট এই সময়ে যথাক্রমে সাড়ে ৭ কোটি ও ২ কোটি টাকা মুনাফা করেছে।

বাংলাদেশ সিমেন্ট ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিসিএমএ) সভাপতি ও ক্রাউন সিমেন্টের ভাইস চেয়ারম্যান মো. আলমগীর কবির বলেন, করোনার মধ্যেও ২০২০-২১ অর্থবছরে সিমেন্ট খাত মোটামুটি ভালো করেছে। যতটা সমস্যা হবে বলে মনে করা হয়েছিল, ততটা হয়নি।

শিল্পায়নে ধীরগতি থাকলেও গ্রামীণ অর্থনীতি চাঙা দেখা গেছে, আর শহুরে এলাকায়ও ব্যক্তি খাতে প্রচুর আবাসন নির্মাণ হয়েছে। এ ছাড়া সরকারি মেগা প্রকল্পগুলোর কাজ দ্রুত চলেছে। তাঁর মতে, গত অর্থবছরে সরকারি খাতের তুলনায় বেসরকারি খাতে, বিশেষ করে শিল্প খাতে সিমেন্টের চাহিদা কম ছিল।

1 COMMENT

  1. India te 1992 theke short sell ase,kinto dse te ekhono onomodon dei nai,down market a against the trend trade kora lage eta khob risky,short sell er onomodon jate taratari dei news koren.

    Short sell bangladesh gajet a kobe prokash korbe news koren,ajke to 2.5 year holo.down market a short sell chara bebsha kora jai na,eta jate taratari dei,news koren.komishon eto slow kaj korle bazar agabe kivabe.

    Digital booth ei jinish ta ki,brokarage house er sathe eiter parthokko ki,news koren.

    Short sell bangladesh gajet a kobe prokash korbe news koren,ajke to 2.5 year holo.down market a short sell chara bebsha kora jai na,eta jate taratari dei,news koren.

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here