রাজনীতিই ব্যবসায়িক সংকটের কারণ

0
109

ডেস্ক রিপোর্ট : দেশের রাজনীতিতে একসময় আইনজীবী ও রাজনীতিবিদদের প্রাধান্য ছিল। কিন্তু সময়ের পরিবর্তনে করপোরেট খাতের উত্থানের ফলে রাজনীতিতে ব্যবসায়ীদের পদচারণা বেড়েছে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শপথ নেয়া সংসদ সদস্যদের মধ্যে ১৮২ জনই ব্যবসায়ী।

দেশের পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর উদ্যোক্তাদের মধ্যেও রাজনীতিবিদ, সংসদ সদস্য ও মন্ত্রিপরিষদের সদস্য রয়েছেন। এর মধ্যে কারো ব্যবসা ভালো যাচ্ছে তো কারো ব্যবসার গ্রাফ ক্রমেই নিম্নমুখী। ব্যবসায়িক সংকটের পেছনে রাজনীতি অন্যতম প্রভাবক হিসেবে কাজ করলেও এর সঙ্গে আনুষঙ্গিক অন্যান্য কারণও সমানভাবে দায়ী বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

দেশের পুঁজিবাজারে বর্তমানে ৩৪৩টি কোম্পানি তালিকাভুক্ত রয়েছে। এর মধ্যে ব্যাংক, বীমা ও আর্থিক খাতের কোম্পানি ১০৬টি। আর উৎপাদন ও সেবা খাতের কোম্পানির সংখ্যা ২৩৭। ব্যাংক, বীমা ও আর্থিক খাতের কোম্পানিগুলোতে উদ্যোক্তার সংখ্যা বেশি হওয়ার কারণে এক্ষেত্রে এককভাবে কারো রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার প্রভাব সেভাবে দৃশ্যমান হয় না।

এছাড়া এসব কোম্পানিতে ব্যক্তি উদ্যোক্তার একক আধিপত্যও থাকে না। এ কারণে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত উৎপাদন ও সেবার খাতের কোম্পানিগুলোর উদ্যোক্তাদের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা ও ব্যবসায়িক উত্থান-পতনের সংযোগ অনুসন্ধান করে দেখা যায়, কারো কারো ক্ষেত্রে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা ব্যবসার পতনে ভূমিকা রেখেছে। আবার কারো ক্ষেত্রে ব্যবসায় রাজনীতির প্রভাব একেবারেই ছিল না। কারো কারো ক্ষেত্রে ব্যবস্থাপনা অদক্ষতাই ব্যবসার পতনে মূল ভূমিকা রেখেছে।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও মুন্সীগঞ্জ-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শিল্পপতি মিজানুর রহমান সিনহা। তার মালিকানাধীন কোম্পানি দি একমি ল্যাবরেটরিজ লিমিটেড পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত। ওষুধ খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় কোম্পানি হিসেবে ধারাবাহিক ব্যবসা প্রবৃদ্ধির ধারায় রয়েছে একমি।

মিজানুর রহমান সিনহার রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধির ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি। অবশ্য গত বছরের জানুয়ারিতে ব্যবসায়িক ব্যস্ততা দেখিয়ে বিএনপির সব পদ ও দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নিয়েছেন তিনি।

নোয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য মোরশেদ আলম পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বেঙ্গল উইন্ডসর থার্মোপ্লাস্টিক লিমিটেডের চেয়ারম্যানের দায়িত্বে রয়েছেন। কয়েক বছর ধরেই প্রকৌশল খাতের এ কোম্পানির মুনাফা নিম্নমুখী। কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদে রয়েছেন ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের (এফবিসিসিআই) সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন।

তিনি বলেন, একজন ব্যক্তি যদি ব্যবসায়ী হন আবার তিনি রাজনীতিবিদও, সেক্ষেত্রে তার ব্যবসা আর রাজনীতি তো এক না। যারা পেশাদারিত্বের সঙ্গে ব্যবসা করছেন তাদের অনেকে রাজনীতিতেও যুক্ত হন। অনেক সময় দেখা যায়, তারা ব্যবসার দৈনন্দিন কার্যক্রমের সঙ্গে থাকেন না। পেশাদার ব্যবস্থাপনা কর্মীদের মাধ্যমে ব্যবসা বা কোম্পানি পরিচালনা করেন তারা।

যারা ভালো করছেন তারা পেশাদারিত্বের সঙ্গে প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করতে পারছেন। বাংলাদেশে এখন অনেক ব্যবসায়ী রাজনীতির সঙ্গে জড়িয়েছেন। এ ধরনের ক্ষেত্রে রাজনীতি ও ব্যবসা পৃথক রাখাই শ্রেয় এবং কাম্য।

ফেনীর রাজনীতিবিদ আব্দুল আউয়াল মিন্টু প্রথমে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরে বিএনপিতে যোগ দিয়ে দলটির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা হন। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে গ্রেফতারও হন তিনি।

আব্দুল আউয়াল মিন্টুর মালিকানাধীন তালিকাভুক্ত দুই কোম্পানি দুলামিয়া কটন স্পিনিং মিলস লিমিটেড ও কেঅ্যান্ডকিউ বাংলাদেশ লিমিটেড। কেঅ্যান্ডকিউয়ের পর্ষদ চেয়ারম্যান হিসেবে রয়েছেন তিনি। কয়েক বছর ধরেই লোকসানে রয়েছে দুলামিয়া কটন। কেঅ্যান্ডকিউয়ের ব্যবসার গতিও মন্থর।

রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার কারণেই তালিকাভুক্ত কোম্পানির ব্যবসা ক্রমেই নিম্নমুখী কিনা জানতে চাইলে আব্দুল আউয়াল মিন্টু বলেন, ব্যবসায়িক পতনের অনেক কারণ থাকতে পারে। রাজনীতি, প্রযুক্তির পরিবর্তন, ব্যাংকের অসহযোগিতা, উদ্যোক্তার সমস্যা, কোম্পানিতে আর্থিক অনিয়ম এসব ব্যবসা পতনের কারণ হতে পারে।

রাজনৈতিক কারণে অনেক ক্ষেত্রে ব্যাংক সহযোগিতা না করে উল্টো চাপ প্রয়োগ করে, যেটা ব্যবসার জন্য প্রতিকূল হয়ে যায়। দুলামিয়া কটনের যন্ত্রপাতি অনেক পুরনো হয়ে যাওয়ার কারণে দুই বছর আগে কারখানাটি বন্ধ করে দিতে হয়েছে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেডও (বিডিবিএল) আমাদের সহযোগিতা করেনি।

অন্যদিকে প্রযুক্তির পরিবর্তনের কারণে কেঅ্যান্ডকিউয়ের উৎপাদিত কার্বন রডের চাহিদা বর্তমানে আর নেই। এতে কোম্পানিটি ব্যবসায়িকভাবে চাপের মুখে পড়েছে।

মানিকগঞ্জ-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, মন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ছিলেন হারুনার রশীদ খান মুন্নু। পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত মুন্নু সিরামিকস, মুন্নু এগ্রো অ্যান্ড জেনারেল মেশিনারি ও মুন্নু ফ্যাব্রিকস তারই হাতে গড়া প্রতিষ্ঠান। তিন কোম্পানির আর্থিক পারফরম্যান্সই কয়েক বছর ধরে নিম্নমুখী।

এর মধ্যে ২০১৭ সালে তিনি মারা যাওয়ার পর নেতৃত্বে সংকটে পড়ে তার ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান। যদিও তার মেয়ে আফরোজা খান রিতা পারিবারিক ব্যবসার হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করে যাচ্ছেন।

ডাকসাইটে রাজনীতিবিদ, মুক্তিযোদ্ধা, স্বাধীনতা-পরবর্তী মেয়াদে যশোর-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য নূরে আলম সিদ্দিকী। তার প্রতিষ্ঠান ডরিন পাওয়ার জেনারেশন অ্যান্ড সিস্টেমস লিমিটেড। তার ছেলে তাহজীব আলম সিদ্দিকী বর্তমানে ঝিনাইদহ-২ আসনের সংসদ সদস্য। কয়েক বছরের পারফরম্যান্স পর্যালোচনায় দেখা যায়, ব্যবসা ও মুনাফায় ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধির ধারায় রয়েছে ডরিন পাওয়ার।

দেশের পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বহুজাতিক কোম্পানি আরএকে সিরামিকস বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এসএকে একরামুজ্জামান। ব্রাহ্মণবাড়ীয়া-১ আসন থেকে ২০০৮ ও ২০১৮ সালের সংসদ নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ছিলেন তিনি। যদিও তিনি বিজয়ী হতে পারেননি। দুবাইয়ে অর্থ পাচারের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখিও হতে হয়েছে এসএকে একরামুজ্জামানকে।

অবশ্য এসব ঘটনা তার কোম্পানির ব্যবসায়িক পারফরম্যান্সে তেমন কোনো প্রভাব ফেলতে পারেনি। দেশের সিরামিকস খাতের শীর্ষ কোম্পানি হিসেবে ধারাবাহিক ব্যবসায় প্রবৃদ্ধিতে রয়েছে আরএকে সিরামিকস।

চট্টগ্রামের রাজনীতিবিদ ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়নে চারবারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য আক্তারুজ্জামান চৌধুরী বাবুর হাতে গড়া তালিকাভুক্ত কোম্পানি আরামিট সিমেন্ট ও আরামিট লিমিটেড। তার প্রয়াণের পর ব্যবসা দেখভালের দায়িত্ব পালন করছেন সন্তান ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাভেদ।

কয়েক বছর ধরেই আরামিট লিমিটেডের মুনাফা ক্রমেই কমছে। আর আরামিট সিমেন্ট তিন বছর ধরে লোকসান গুনছে। অনুকূল রাজনৈতিক পরিস্থিতিও কোম্পানি দুটির ব্যবসার উত্থানে ভূমিকা রাখতে পারছে না।

আওয়ামী রাজনীতিবিদ, মুক্তিযোদ্ধা, চট্টগ্রাম-১ আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন। পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি চট্টগ্রামের চার তারকা হোটেল দ্য পেনিনসুলা চিটাগং লিমিটেডের তিনি একজন উদ্যোক্তা। কোম্পানিটির ব্যবসায়িক পারফরম্যান্স ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধির মধ্যে রয়েছে। যদিও ২০১৯-২০ হিসাব বছরে কভিডের কারণে কোম্পানিটির ব্যবসায় ধস নেমেছে।

চট্টগ্রাম-৫ আসনের জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য ও সাবেক পানিসম্পদমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি শাশা ডেনিমস লিমিটেডের চেয়ারম্যান। মন্ত্রী থাকাকালীন রাজনৈতিক ব্যস্ততার কারণে তিনি কোম্পানির কার্যক্রমে সেভাবে সময় দিতে পারেননি।

এ সময়ে তার স্ত্রী পেশাদার চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট পারভীন মাহমুদ কোম্পানিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব সামলেছেন। পাশাপাশি তার ছেলে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের (ডিসিসিআই) সাবেক প্রেসিডেন্ট শামস মাহমুদ কোম্পানিটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও মেয়ে পেশাদার চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট জেরিন মাহমুদ পর্ষদ পরিচালকের দায়িত্বে রয়েছেন। তবে কয়েক বছর ধরে কোম্পানিটির মুনাফা ক্রমেই নিম্নমুখী।

মানিকগঞ্জ-৩ আসনের আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক তালিকাভুক্ত কোম্পানি বাংলাদেশ থাই অ্যালুমিনিয়াম লিমিটেডের উদ্যোক্তা। তার বোন রুবিনা হামিদ বর্তমানে কোম্পানিটির চেয়ারপারসনের দায়িত্বে রয়েছেন। জাহিদ মালেকের স্ত্রী শাবানা মালেক কোম্পানিটির একজন পরিচালক। কয়েক বছর ধরেই কোম্পানিটির মুনাফা কমছে।

ঢাকা-১২ আসনে আওয়ামী লীগ থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সাভার রিফ্র্যাক্টরিজ লিমিটেডের উদ্যোক্তা। বর্তমানে জেড ক্যাটাগরিতে থাকা কোম্পানিটি ২০১৫-১৬ হিসাব বছরের পর থেকে বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আয়োজন করছে না। ফলে এজিএমের মাধ্যমে আর্থিক প্রতিবেদনেও বিনিয়োগকারীদের অনুমোদন নেয়া সম্ভব হচ্ছে না। এর আগে ২০১৪-১৬ সাল পর্যন্ত কোম্পানিটি লোকসানে ছিল।

বর্তমানে ওভার দ্য কাউন্টার (ওটিসি) মার্কেটে থাকা গচিহাটা অ্যাকুয়াকালচার ফার্মস লিমিটেডের উদ্যোক্তা কিশোরগঞ্জ-২ আসনের বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান। খেলাপি ঋণের ভারে ন্যুব্জ কোম্পানিটির বিনিয়োগকারীরাও ক্ষতির সম্মুখীন। ২০১৮-১৯ হিসাব বছরে কোম্পানিটির লোকসানের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১১৫ কোটি টাকা।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ১০ বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপির মনোনয়নে নির্বাচিত মাগুরা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য কাজী সালিমুল হক কামাল পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত জিকিউ বলপেন ইন্ডাস্ট্রিজের উদ্যোক্তা। টানা কয়েক বছর ধরেই লোকসানের মুখে রয়েছে কোম্পানিটি।

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত মিরাকল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের উদ্যোক্তা নেত্রকোনা-৪ আসনের বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুত্ফুজ্জামান বাবর। ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা ও ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি বাবর দীর্ঘদিন ধরেই কারাগারে। কয়েক বছর ধরেই কোম্পানিটির মুনাফা ধারাবাহিকভাবে কমছে। সর্বশেষ ২০১৯-২০ হিসাব বছরে লোকসান গুনেছে কোম্পানিটি।

বিনিয়োগ ব্যাংকার ও বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট মো. ছায়েদুর রহমান বলেন, প্রত্যেকটি ব্যবসার উত্থান-পতনে গল্প আলাদা। দক্ষতা, একাগ্রতা ও মনোযোগই হলো ব্যবসার মূল চাবিকাঠি। রাজনীতি ও ব্যবসাকে আলাদা রাখতে হবে। অত্যন্ত সচেতনভাবে এটি করতে হবে। রাজনীতির সঙ্গে ব্যবসাকে মিলিয়ে ফেললেই সমস্যা তৈরি হবে।

কেউ যদি রাজনৈতিক ব্যস্ততার কারণে ব্যবসায় সময় দিতে না পারেন, তাহলে তার জায়গায় একজন যোগ্য ও দক্ষ নেতৃত্বকে বসাতে হবে। সেটি পেশাদার নির্বাহী কিংবা পরিবারের সদস্য যেই হোক না কেন। সঠিক নেতৃত্ব ব্যবসার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here