সিনিয়র রিপোর্টার : কুমিল্লার রপ্তানী প্রক্রিয়াজাতকরণ (ইপিজেড) এলাকায় গত বছরের এপ্রিল মাসে সুতার কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে আরএন স্পিনিং মিলস লিমিটেডের উৎপাদন বন্ধ হয়। দুটি ইউনিট পুড়ে প্রায় কোম্পানির প্রায় ৬১২ কোটি ৩২ লাখ ৮১ হাজার ৯৮৯ টাকা ক্ষতি হয়।

দীর্ঘ সময় কারখানায় সুতা উৎপাদন বন্ধ থাকার পরে বিমাদাবি পূরণের টাকায় আবারো শুরু করার প্রস্তুতি নিয়েছে কোম্পানিটি। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া কোম্পানি খুব শিগগিরই ঘুরে দাঁড়াবে বলে মনে করছে আরএন স্পিনিং মিলস কর্তৃপক্ষ।

মিলস কর্তৃপক্ষ জানায়, অগ্নিকাণ্ডে নষ্ট মেশিনারিজগুলো মেসার্স নুর আলম এন্ড ব্রাদার্স ক্রয় শুরু করেছে। ইপিজেডের কারখানার যন্ত্রাংশের ওপর ইউনিয়ন ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের সঙ্গে আরএন স্পিনিং মিলস লিমিটেডের ২৩২ কোটি টাকার বীমা করা রয়েছে। ইতোমধ্যে দাবির টাকা পরিশোধে তারাও কার্যক্রম শুরু করেছে।

কুমিল্লায় পুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া সব মেশিন

এ সব মেশিনারিজ বিক্রয় করে যে অর্থ আসবে তার সঙ্গে বিমার অর্থ সমন্বয় করা হবে। এরপর সমন্বিত অর্থ আরএন স্পিনিং মিলস পাবে। ইতোমধ্যে বিমাদাবির অর্থ পরিশোধে সার্ভে করছে ইউনিয়ন ইন্স্যুরেন্স। শিগগিরই বিমা দাবির অর্থ পেতে যাচ্ছে ক্ষতিগ্রস্ত কোম্পানি আরএন স্পিনিং।

বিশেষ একটি সূত্র জানায়, আগামী মার্চ মাসের মধ্যে বিমাদাবির ২৩২ কোটি টাকা হস্তান্তর করবে ইউনিয়ন ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড।

আরএন স্পিনিং মিলস জানায়, ইপিজেডের ১০০ থেকে ১০৭ এবং ১২৭ থেকে ১৩৪ প্লট নিয়ে কারখানায় তুলা থেকে সুতা তৈরি করা হয়। ২০০৬-৭ সালে মধ্যে কারখানাটি প্রায় ৮একর জায়গায় ১৬টি প্লটের ওপর নির্মিত হয়।

এদিকে কারখানা পুড়ে যাওয়ায় শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন, ভাতা পরিশোধ করে বিদায় করে দেয়া হয়েছে। কারখানা ফের চালু হলে শ্রমিক-কর্মচারীরা কারখানায় যোগদান করতে পারবেন।

২০১৮-১৯ অর্থবছরের বার্ষিক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, অগ্নিকাণ্ডের পূর্বে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য (নাভ) ছিল ১৬ টাকা ৮০৫ পয়সা। অগ্নিকাণ্ডের পর শেয়ারপ্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য (নাভ) দাঁড়িয়েছে ১ টাকা ২১ পয়সা। অগ্নিকাণ্ডের কারণে কোম্পানির সম্পদ মূল্য কমেছে ১৫ টাকা ৫৯৯ পয়সা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here