ফ্লোর প্রাইসের প্রভাব এখন নেতিবাচক

0
1894

সিনিয়র রিপোর্টার : আইপিওতে (প্রাথমিক গণপ্রস্তাব) কিছু টাকা আটকে আছে। এর পাশাপাশি ইন্স্যুরেন্স এবং মিউচ্যুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করেও অনেক বিনিয়োগকারীর টাকা আটকা পড়েছে। ফ্লোর প্রাইসের কারণে অনেক কোম্পানির শেয়ারে বিশেষ প্রভাব পড়ছে না। তবে বাজারে সব বিষয়ের প্রভাব পড়ছে।

এসব কথা বলেন ইউসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) রহমত পাশা। তার সঙ্গে একমত পোষন করে অনেক বিনিয়োগকারী বলেন, শেয়ার মার্কেটে দূর্যোগ প্রশমনে ফ্লোর প্রাইস বিমেষ সময়ে সুবিধা দিলেও এখন তা ভালো করছে না।

ইতোমধ্যে ফ্লোর প্রাইসে আটকে রয়েছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ৮৪টি কোম্পানির লেনদেন। ব্যাংক, বীমা, সিমেন্ট এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানিসহ প্রায় সব খাতের শেয়ার ফ্লোর প্রাইসে আটকা রয়েছে। ফলে ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও শেয়ার বিক্রি করতে পারছেন না বিনিয়োগকারীরা। এ কারণে পুঁজিবাজারে লেনদেনও কম হচ্ছে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) তথ্য মতে, গত সপ্তাহের বুধবার (১৮ নভেম্বর) থেকে মঙ্গলবার (২৪ নভেম্বর) পর্যন্ত সময়ে ডিএসইতে লেনদেন ৬’শ কোটি টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ। এ সময়ে প্রতিদিন ৬০-৯০টি কোম্পানির শেয়ার দর ফ্লোর প্রাইসে আটকা ছিলো।

ডিএসইর তথ্য অনুসারে, ৮৪টি কোম্পানির মধ্যে মঙ্গলবার ব্যাংক খাতের মিউচ্যুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেডের শেয়ার ৪৭ টাকা ১০ পয়সায় ফ্লোর প্রাইসে আটকা ছিলো। একই খাতের ন্যাশনাল ব্যাংক আটকা ছিলো ৬ টাকা ৮০ পয়সায়।

ওষুধ খাতের কোম্পানি এডভেন্ট ফার্মা শেয়ার আটকা ছিল ২২ টাকা ৮০ পয়সায়। বাটা সু কোম্পানির শেয়ার আটকা ছিলো ৬৯৩ টাকা ২০ পয়সায়। বসুন্ধরা পেপার মিলস লিমিটেডের শেয়ারের ফ্লোর প্রাইস ছিলে ৩৯ টাকা ৯০ পয়সা।

চিত্রের মাধ্যমে প্রকাশ করা হলো

একইভাবে সরকারি কোম্পানি ডেসকোর শেয়ারের ফ্লোর প্রাইস ছিল ৩৪ টাকা ৮০ পয়সা। সিমেন্ট খাতের কোম্পানি এমআই সিমেন্টের শেয়ার আটকা ছিলো ৪৩ টাকা ৮০ পয়সায়।

একইভাবে বড়-ছোট মূলধনী কোম্পানির শেয়ার ফ্লোর প্রাইসে আটকা রয়েছে। (ওপরে চিত্রের মাধ্যমে প্রকাশ করা হলো)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here