ফ্যামিলিটেক্স পুনগঠিত !

1
198
চট্টগ্রামে ফ্যামিলি টেক্সের কারখানায় বৈঠকে পুনর্গঠন করা বোর্ডের সদস্যরা

স্টাফ রিপোর্টার : পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বস্ত্র খাতের কোম্পানি ফ্যামিলি টেক্সের পুনগঠিত পরিচালনা পর্ষদে নতুন করে তিন সদস্যকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে দুজন শেয়ারধারী পরিচালক ও একজন স্বাধীন পরিচালক।

নতুন পরিচালনা পর্ষদের সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে কোম্পানিটির উদ্যোক্তা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মিরাজ-ই মোস্তফা ও তাবাসুম করিমকে শেয়ারধারী পরিচালক হিসেবে যুক্ত করা হয়েছে। শামসুজ্জামান নামে একজনকে স্বাধীন পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

এ-সংক্রান্ত একটি চিঠি নতুন পরিচালনা পর্ষদ ও কোম্পানির কাছে পাঠানো হয়েছে গত ২৪ নভেম্বর। যে দুজনকে শেয়ারধারী পরিচালক করা হয়েছে, তাদের কাছে কোম্পানির মোট শেয়ারের ৪ শতাংশের বেশি রয়েছে।

পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র রেজাউল করিম বলেন, বিষয়টি শুনেছি। পুঁজিবাজার ও বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

ফ্যামিলি টেক্সের পুনর্গঠন করা পর্ষদের সদস্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. সমীর কুমার শীল মনে করেন, বিএসইসির এই সিদ্ধান্ত কোম্পানিটিতে প্রাণের সঞ্চার করবে এবং সেটি আবার মুনাফায় ফিরবে।

তিনি বলেন, এ সিদ্ধান্ত কোম্পানিটির জন্য ভালো হয়েছে। কারণ, কোম্পানিটি কীভাবে চালালে ভালো হবে তা নতুন দুই শেয়ারহোল্ডার পরিচালক ভালো বলতে পারবেন। কোম্পানিটি পুরোদমে চালুর ব্যাপারে আমরা তাদের সব ধরনের সহযোগিতা করতে আন্তরিক।

তিনি বলেন, বিএসইসি যখন মিরাজ-ই মোস্তফার চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পদ থেকে সরিয়ে নতুন বোর্ড করে দিয়েছিল, তখন তাদের কার্যক্রমে কিছুটা বাধা এসেছিল। ব্যাংকের লেনদেনে বড় ধরনের জটিলতা দেখা দিয়েছিল। কিন্তু আমাদের বোর্ড কোম্পানিতে গিয়ে সব সমস্যার সমাধান করে দিয়ে এসেছিলাম। এখন তারাই যেহেতু বোর্ডে আছে, সেহেতু তাদের দায়িত্ব এখন বেড়েছে। আশা করি, তাদের সহযোগিতায় আমরা কোম্পানিটিকে আবারও মুনাফায় নিয়ে আসতে পারব।

গত ফেব্রুয়ারিতে ফ্যামিলি টেক্সের বোর্ড পুর্নগঠন করে দেয় বিএসইসি। তারপরও অনেকবার আলোচনায় আসে কোম্পানিটি আর চালু করা সম্ভব হবে না। বিএসইসি চেয়ারম্যান শিবলী রুবাইয়াত-উল ইসলাম এমনও বলেন যে, তারা কারখানার মালিকদের বিরুদ্ধে মামলা করবেন। পরে কারখানা বিক্রি করে দেয়ার পরিকল্পনার কথা বলেন।

কিন্তু সেপ্টেম্বরের শুরুতে পুনর্গঠন করা বোর্ডের সদস্যরা পরিদর্শন করেন ফ্যামিলি টেক্সের কারখানা। সেখান থেকে ফিরে তারা জানালেন, কোম্পানির সক্ষমতার প্রায় ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ উৎপাদনে। সবশেষ খবর আসে, কোম্পানিটির উৎপাদন বাড়তে কাজ করছে উদ্যোক্তারা।

তার আগেই মালিকানায় থাকা মিরাজ-ই মোস্তফা কোম্পানিটির তার তত্ত্বাবধানে চালু রাখতে চান বলে জানান নতুন বোর্ড সদস্যদের। কোম্পানি চালু রাখার জন্য প্রয়োজনীয় চলতি মূলধনের ব্যবস্থা করে দিলে তিনি আগের মতোই উৎপাদন শুরু করতে পারবেন বলে জানানো হয় নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনকে (বিএসইসি)।

নতুন পর্ষদ এ বিষয়ে বিএসইসিকে উদ্যোগী হওয়ার পরামর্শ দিয়ে একটি প্রতিবেদনও দেয় গত সেপ্টেম্বরে। দুই মাস পর্যবেক্ষণের পর এই সিদ্ধান্ত নিল পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।

এরই মধ্যে কোম্পানিটি তার উৎপাদনক্ষমতার ৫০ শতাংশ কাজে লাগাচ্ছে এবং তা আরও বাড়ানোর চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন কোম্পানিটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক পরিচালক মিরাজ-ই-মোস্তফা।

1 COMMENT

  1. India te 1992 theke short sell ase,kinto dse te ekhono onomodon dei nai,down market a against the trend trade kora lage eta khob risky,short sell er onomodon jate taratari dei news koren.

    Short sell bangladesh gajet a kobe prokash korbe news koren,ajke to 2.5 year holo.down market a short sell chara bebsha kora jai na,eta jate taratari dei,news koren.komishon eto slow kaj korle bazar agabe kivabe.

    Digital booth ei jinish ta ki,brokarage house er sathe eiter parthokko ki,news koren.

    Short sell bangladesh gajet a kobe prokash korbe news koren,ajke to 2.5 year holo.down market a short sell chara bebsha kora jai na,eta jate taratari dei,news koren.

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here