পুঁজিবাজার স্থিতিশীলতা তহবিলের আকার নিয়ে অনিশ্চয়তা

0
436

সাখাওয়াত হোসেন সুমন, নিউজবাংলা : ১০ মাসের প্রস্তুতি শেষে স্থিতিশীলতা ফান্ড যখন পুঁজিবাজারে কাজে লাগানোর প্রস্তুতি শেষ করছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি, তখন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অবস্থানের কারণে এই তহবিলের আকার নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা।

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির অবণ্টিত লভ্যাংশ দিয়ে তহবিল গঠনের প্রাথমিক পরিকল্পনা যখন করা হয়েছিল, সে সময় নগদ ও বোনাস শেয়ার মিলিয়ে ২১ হাজার কোটি টাকার একটি তহবিল গঠন হবে বলে হিসাব করা হয়েছিল।

এর মধ্যে বোনাস শেয়ার ১৪ হাজার কোটি টাকার বেশি। আর নগদ লভ্যাংশ পাওয়ার আশা করা হয়েছিল বাকিটা।

তবে এই তহবিল গঠন নিয়ে আলোচনা এবং কোম্পানিগুলো শেয়ারধারীদের নোটিশ করার পর বহুজন তাদের লভ্যাংশ নিয়ে গেছেন বলে জানানো হয়েছে। শেষ পর্যন্ত নগদ লভ্যাংশ হিসেবে ৪০০ থেকে ৭০০ কোটি টাকা পাওয়া যাবে বলে হিসাব করেছিল পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি।

অবণ্টিত বোনাস শেয়ার মিলিয়ে তহবিল ৫ থেকে ৭ হাজার কোটি টাকা হতে পারে বলেও সবশেষ হিসাব বলছে।

এই তহবিলের মধ্যে একটি বড় অংশ আসার কথা ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত যদি এই অর্থ না আসে, তাহলে আরও ছোট হতে পারে কমিটি।

সোমবার বিএসইসি, কেন্দ্রীয় ব্যাংকসহ কয়েকটি সংস্থার মধ্যে যে ভার্চুয়াল আলোচনা হয়, তাতে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে অবণ্টিত লভ্যাংশ পাওয়া যাবে কি না, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা।

পুঁজিবাজার স্থিতিশীলতা তহবিলে ‘কালো ছায়া’
অবণ্টিত লভ্যাংশ পুঁজিবাজার স্থিতিশীলতা তহবিলে স্থানান্তর নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক

এর কারণ, বাংলাদেশ ব্যাংক মনে করছে, তিন বছর ধরে অবণ্টিত লভ্যাংশ পুঁজিবাজার তহবিলে দেয়ার ক্ষেত্রে আইনি বাধা আছে। ব্যাংক কোম্পানি আইনে বলা আছে, কেউ ১০ বছর লভ্যাংশ না নিলে সেটি বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা দিতে হবে। পরে সরকার এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।

যদিও বিএসইসি এখনও আশাবাদী, এই আইন তাদের তহবিল গঠনে বাধা হবে না। এর কারণ, এই অর্থ বা শেয়ারের মালিকানা চাওয়া হচ্ছে না। এই তহবিল কেবল অর্থের জিম্মাদার হবে। মালিকরা চাওয়ামাত্রই সেই অর্থ সংক্ষিপ্ততম সময়ে দিয়ে দেয়া হবে।

বিএসইসির কমিশনার শেখ শামসুদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘আমরা তহবিল যেটি চাচ্ছি সেটি আমাদের জন্য চাচ্ছি না। এই তহবিলে কার কত টাকা জমা হচ্ছে, তার পরিপূর্ণ তথ্য আমাদের কাছে থাকবে। কেউ চালে তা এক মাসের মধ্যে তাকে বুঝিয়ে দেয়ার বিধান আছে।

‘বাকি সময়টিতে এই অর্থ পুঁজিবাজার স্থিতিশীলতার জন্য ব্যবহার করা হবে। এর জন্য আলাদা পরিচালনা পর্ষদও গঠন করা হয়েছে। এবং খুবই স্বচ্ছতার সঙ্গে তা পরিচালনা করার নীতিমালাও তৈরি করা হয়েছে। ফলে এ নিয়ে বিভ্রান্ত হওয়ার কিছু নেই।‘

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে এ নিয়ে আমাদের আলোচনার সুযোগ আছে।’

পুঁজিবাজার স্থিতিশীলতা তহবিলে ‘কালো ছায়া’
বিএসইসি কমিশনার শেখ শামসুদ্দিন আহমেদ আশাবাদী, তারা সব কোম্পানির অবণ্টিত লভ্যাংশ পাবেন

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর সমিতি ‘বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব পাবলিক লিস্টেট কোম্পানিজ’-এর সাধারণ সম্পাদক আমজাদ হোসেন বলেন, ‘যে সমস্যাটি দেখা দিয়েছে, তা দুই সংস্থার পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা উচিত।’

ব্যাংকের অবণ্টিত লভ্যাংশ কত

বিএসইসির চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী ঢাকা ব্যাংকের অবণ্টিত লভ্যাংশ হিসেবে শেয়ার আছে ২ লাখ ৫০ হাজার ৫৪২টি।

মিউচ্যুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকে অবণ্টিত লভ্যাংশ হিসেবে বোনাস শেয়ার আছে ৯ লাখ ৩২ হাজার ৩৭০টি।

ডাচ্‌-বাংলা ব্যাংকের অবণ্টিত লভ্যাংশ হিসেবে বোনাস শেয়ার আছে ১ লাখ ৩৩ হাজার ৬৪৭টি।

স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের অবণ্টিত লভ্যাংশ হিসেবে বোনাস শেয়ার আছে ৬২ লাখ ৮০ হাজার ১২৪টি।

মার্কেন্টাইলে ব্যাংকের অবণ্টিত লভ্যাংশ হিসেবে বোনাস শেয়ার আছে ৭ লাখ ৬৫ হাজার ২৮৯টি।

এক্সিম ব্যাংকের অবণ্টিত লভ্যাংশ হিসেবে বোনাস শেয়ার আছে ১ লাখ ৮২৯টি।

ন্যাশনাল ব্যাংকের অবণ্টিত লভ্যাংশ হিসেবে বোনাস শেয়ার আছে ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৪ হাজার ১৮৪টি।

ওয়ান ব্যাংকের অবণ্টিত লভ্যাংশ হিসেবে বোনাস শেয়ার আছে ৩৩ লাখ ৮৮ হাজার ৯৮৮টি।

ইস্টার্ন ব্যাংকের অবণ্টিত লভ্যাংশ হিসেবে বোনাস শেয়ার আছে ৫ লাখ ৩৩ হাজার ৫৭৯টি।

ইসলামী ব্যাংকের অবণ্টিত লভ্যাংশ হিসেবে বোনাস শেয়ার আছে ৯ কোটি ২২ লাখ ৫ হাজার ৫৫৩টি।

পূবালী ব্যাংকের অবণ্টিত লভ্যাংশ হিসেবে বোনাস শেয়ার আছে ৫ কোটি ১১ লাখ ৯১ হাজার ৮১০টি।

সিটি ব্যাংকের অবণ্টিত লভ্যাংশ হিসেবে বোনাস শেয়ার আছে ৬১ লাখ ২৬ হাজার ৬২৩টি।

সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের অবণ্টিত লভ্যাংশ হিসেবে বোনাস শেয়ার আছে ১২ লাখ ৩৯ হাজার ৮৭৯টি।

ব্যাংক এশিয়ার অবণ্টিত লভ্যাংশ হিসেবে বোনাস শেয়ার আছে ২ কোটি ৩ লাখ ৮৫ হাজার ৪৮৭টি।

যমুনা ব্যাংকের অবণ্টিত লভ্যাংশ হিসেবে বোনাস শেয়ার আছে ৩৬ হাজার ৪১৯টি।

এবি ব্যাংকের অবণ্টিত লভ্যাংশ হিসেবে বোনাস শেয়ার আছে ৬২ লাখ ১৩ হাজার ৫৬৯টি।

ব্র্যাক ব্যাংকের অবণ্টিত লভ্যাংশ হিসেবে বোনাস শেয়ার আছে ৫ লাখ ৬২ হাজার ৯৪টি।

শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক ব্যাংকের অবণ্টিত লভ্যাংশ হিসেবে বোনাস শেয়ার আছে ৪৮ হাজার ৯৬৪টি।

প্রিমিয়ার ব্যাংকের অবণ্টিত লভ্যাংশ হিসেবে বোনাস শেয়ার আছে ২ লাখ ১ হাজার ৩৫টি।

উত্তরা ব্যাংকের অবণ্টিত লভ্যাংশ হিসেবে বোনাস শেয়ার আছে ৭ কোটি ৯৭ লাখ ৬৬ হাজার ১১৯টি।

ট্রাস্ট ব্যাংকের অবণ্টিত লভ্যাংশ হিসেবে বোনাস শেয়ার আছে ৩৭ হাজার ৪৮৭টি।

রূপালী ব্যাংকের অবণ্টিত লভ্যাংশ হিসেবে বোনাস শেয়ার আছে ১১ লাখ ৫৭ হাজার ৯৫৮টি।

ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের অবণ্টিত লভ্যাংশ হিসেবে বোনাস শেয়ার আছে ৯১ হাজার ৭৩১টি।

এনআরবিসির অবণ্টিত লভ্যাংশ হিসেবে বোনাস শেয়ার আছে ১ হাজার ৩৯৭টি।

নতুন তালিকাভুক্ত সাউথবাংলা ব্যাংকের অবণ্টিত লভ্যাংশ হিসেবে বোনাস শেয়ার আছে ৩৪ হাজার ২২১টি শেয়ার।

এসব ব্যাংকের হাতে অবণ্টিত নগদ লভ্যাংশ কত আছে, সেটি অবশ্য গত ১ সেপ্টেম্বরের প্রতিবেদনে উল্লেখ নেই।

আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অবণ্টিত লভ্যাংশ কত

আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে আইডিএলসি ফাইন্যান্সের অবণ্টিত বোনাস লভ্যাংশ আছে ৮ লাখ ২৫ হাজার ৩৪৪টি।

ইউনাইটেড ফাইন্যান্সের অবণ্টিত বোনাস লভ্যাংশ আছে ৩ লাখ ৮৬ হাজার ৫১৯টি।

পিপল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সের অবণ্টিত বোনাস লভ্যাংশ আছে ১ কোটি ৭০ লাখ ১৫ হাজার ১৬টি।

মাইডাস ফাইন্যান্সের অবণ্টিত বোনাস লভ্যাংশ আছে ৬৬ হাজার ১৪৭টি।

উত্তরা ফাইন্যান্সের অবণ্টিত বোনাস লভ্যাংশ আছে ৫ হাজার ৬২৯টি।

প্রাইম ফাইন্যান্সের অবণ্টিত বোনাস লভ্যাংশ আছে ৩ হাজার ৪০৯টি।

প্রিমিয়ার লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সের অবণ্টিত বোনাস লভ্যাংশ আছে ৭৯ হাজার ৩৯টি।

ইসলামী ফাইন্যান্সের অবণ্টিত বোনাস লভ্যাংশ আছে ১ হাজার ১৫৬টি।

বিআইএফসির অবণ্টিত বোনাস লভ্যাংশ আছে ৪ কোটি ৪৩ লাখ ৬০ হাজার ৩৭৯টি।

আইপিডিসি ফাইন্যান্সের অবণ্টিত বোনাস লভ্যাংশ আছে ৬৪৯টি।

ইউনিয়ন ক্যাপিটালের অবণ্টিত বোনাস লভ্যাংশ আছে ৪ হাজার ৭৮৩টি।

বিডি ফাইন্যান্সের অবণ্টিত বোনাস লভ্যাংশ আছে ৪ হাজার ৪২২টি।

ফিনিক্স ফাইন্যান্সের অবণ্টিত বোনাস লভ্যাংশ আছে ৮ হাজার ৭৬টি।

ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সের অবণ্টিত বোনাস লভ্যাংশ আছে ৬ হাজার ২৮টি।

ফাস ফাইন্যান্সের অবণ্টিত বোনাস লভ্যাংশ আছে ১ হাজার ২৯৭টি।

ফার্স্ট ফাইন্যান্সের অবণ্টিত বোনাস লভ্যাংশ আছে ১৩ লাখ ১৬ হাজার ৫৫৩টি।

ফারইস্ট ফাইন্যান্সের অবণ্টিত বোনাস লভ্যাংশ আছে ২ হাজার ৫৮৫টি।

এসব কোম্পানির অবণ্টিত নগদ লভ্যাংশ কত, সেটিও ১ সেপ্টেম্বর করা তালিকায় উল্লেখ নেই।

তহবিলের ভাবনা যেভাবে

নিয়মিত লেনদেন না করা বা দীর্ঘদিন বিদেশে অবস্থানের কারণে ব্যাংক হিসাব বন্ধ বা অকার্যকর হয়ে যায়। এতে নগদ লভ্যাংশ ব্যাংক হিসাবে জমা হয় না। একই কারণে বিও হিসাব নবায়ন না করলে শেয়ার (স্টক) লভ্যাংশ জমা না হয়ে তা কোম্পানির কাছে ফেরত চলে যায়। কোম্পানি এগুলো সাসপেন্ডেড হিসাবে জমা দেখিয়ে আর্থিক বিবরণী তৈরি করে।

পুঁজিবাজার স্থিতিশীলতা তহবিলে ‘কালো ছায়া’
ডিসেম্বরে তহবিলের পরিকল্পনা করার ৯ মাস পরে বাংলাদেশ ব্যাংক কেন আপত্তি তুলছে, তা বুঝতে পারছে না বিএসইসি

ভারতে এ ধরনের অবণ্টিত লভ্যাংশ পুঁজিবাজারের জন্য ব্যবহার করা হয়। দেশেও এই অর্থ ব্যবহার করে কীভাবে পুঁজিবাজারকে উন্নত করা যায়, তা নিয়ে চিন্তাভাবনা করা হয়।

গত বছরের শেষে এই তহবিল গঠনের আলোচনা ওঠে। আর ২৭ জুন প্রজ্ঞাপন জারির মধ্য দিয়ে এই তহবিল গঠন নিশ্চিত হয়। কিন্তু এতদিন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে কোনো আপত্তির খবর আসেনি।

তহবিল পরিচালনায় পর্ষদ কী করছে

এই তহবিল পরিচালনার জন্য গত ২২ আগস্ট ১০ সদস্যের পরিচালনা পর্যদ গঠন করা হয়েছে, যার চেয়ারম্যান হিসেবে আছেন সাবেক মুখ্য সচিব নজিবুর রহমান।

পরিচালনা পর্ষদে আরও আছেন বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগের অধ্যাপক তানজিলা দিপ্তী, ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্যবস্থাপনা পরিচালক তারিক আমিন ভূঁইয়া, চিটাগং স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) চেয়ারম্যান আসিফ ইব্রাহিম, সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেডের ভাইস চেয়ারম্যান নুরুল ফজল বুলবুল, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব পাবলিকলি লিস্টেড কোম্পানিজের চেয়ারম্যান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও সিডিবিএলের স্বতন্ত্র পরিচালক মোহাম্মদ তারেক এবং এ কে এম দেলোয়ার হোসেন ।

এই পর্ষদ এখন পর্যন্ত কেবল একটি বৈঠক করেছে। বৈঠকে যে পরিমাণ অবণ্টিত লভ্যাংশ জমা পড়ার কথা, তার চেয়ে কম পড়ার বিষয়টি নিয়েই মূলত আলোচনা হয়েছে।

সিদ্ধান্ত হয়েছে, শেয়ারধারীদের লভ্যাংশ দিয়ে দেয়া হয়েছে বলে কোম্পানির পক্ষ থেকে যে দাবি করা হয়েছে, সেটি যাচাই করে দেখা হবে। এ জন্য নিরীক্ষা করার উদ্যোগ নেয়া হবে।

৪০ শতাংশ শেয়ারে বিনিয়োগ৫০ শতাংশে মার্জিন ঋণ

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, এই তহবিলের ৪০ শতাংশ টাকা বিনিয়োগ করতে হবে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত শেয়ারে। ৫০ শতাংশ অর্থে বিনিয়োগকারীদের মার্জিন ঋণ দেয়া হবে। আর ১০ শতাংশ অর্থ অতালিকাভুক্ত কোম্পানি বা সরকারি সিকিউরিটিজ, স্থায়ী আমানত ও বেমেয়াদি মিউচ্যুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করা যাবে।

এই তহবিলের মার্জিন ঋণের সুদহার কত হবে, সেটি অবশ্য প্রজ্ঞাপনে বলা নেই।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here