পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্সে কর্তৃত্ব নিয়ে দ্বন্দ্ব চরমে

0
433

ডেস্ক রিপোর্ট : দীর্ঘদিন ধরেই পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যানের দায়িত্বে রয়েছেন হাসান আহম্মেদ। সম্প্রতি তিনি ব্রেইন স্ট্রোক ও হার্ট অ্যাটাকের কারণে অসুস্থ হয়ে পড়েন। তিনি অসুস্থ হওয়ার পরই কোম্পানিটির ব্যবসা পরিচালনা নিয়ে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েছেন তার স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস এবং পর্ষদের অন্য পরিচালকরা। তথ্য  সূত্র : বণিক বার্তা

কোম্পানিটির সর্বশেষ পর্ষদ সভায়ও তাদের মধ্যে তুমুল বাগবিতণ্ডা হয়েছে। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে চেয়ারম্যানের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি থানায় অভিযোগ ও সাধারণ ডায়েরি দায়েরের ঘটনা। ফলে সব মিলিয়ে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিটির সংকট ক্রমেই আরো ঘনীভূত হয়ে উঠছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, কোম্পানির পরিচালকরা চাইছেন অসুস্থতার কারণে বর্তমান চেয়ারম্যানের অনুপস্থিতিতে বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান মো. মোতাহের হুসাইন চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করুক। এজন্য কোম্পানি আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় উদ্যোগও নিচ্ছেন পরিচালকরা। কিন্তু এতে বাদ সেধেছেন বর্তমান চেয়ারম্যান হাসান আহম্মেদের স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস।

তিনি চাইছেন হাসান আহম্মেদের পক্ষে নিজেই নেতৃত্বে আসতে। এজন্য পর্ষদের অন্য পরিচালকদের প্রস্তাব দেন তিনি। কিন্তু তারা সেটি মেনে নেননি। তালিকাভুক্ত কোম্পানি হিসেবে নির্দিষ্ট আইন-কানুনের বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই বলে তাকে জানিয়ে দিয়েছেন পরিচালকরা।

ব্যবসার নেতৃত্বের দ্বন্দ্বের বিষয়টি আরো বেশি স্পষ্ট হয়েছে কোম্পানির সর্বশেষ গত ২৯ নভেম্বর অনুষ্ঠিত পর্ষদ সভায়। করোনা পরিস্থিতিতে অনলাইনে অনুষ্ঠিত এ সভায় জান্নাতুল ফেরদৌস পর্ষদ পরিচালকদের আপত্তি সত্ত্বেও সভা চলাকালীন প্রবেশ করে স্বামীর পাশে বসে সভা পরিচালনা করার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

কোম্পানির পর্ষদ সভায় হাসান আহম্মেদ ছাড়াও আরো আটজন পরিচালক রয়েছেন, যারা দেশের বিভিন্ন স্বনামধন্য শিল্পপ্রতিষ্ঠানের উদ্যোক্তা ও সরাসরি নেতৃত্ব দিচ্ছেন। বণিক বার্তাকে তারা জানান, সভা চলাকালীন এক পর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন জান্নাতুল ফেরদৌস। সেখানে তিনি সভায় উপস্থিত পরিচালকদের অশ্রাব্য ভাষায় আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন।

চেয়ারম্যানের স্ত্রী ও পর্ষদ সদস্যদের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলাকালেই এর সঙ্গে যোগ হয়েছে পারিবারিক টানাপড়েন। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের পল্টন মডেল থানায় বর্তমান চেয়ারম্যান হাসান আহম্মেদের পক্ষ থেকে তার মা, ভাই, বোনসহ এমনকি পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্সের বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালকের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ করা হয়েছে। এতে তারা পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্সসহ পৈতৃক সূত্রে প্রাপ্য স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি আত্মসাৎ করার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন ধরনের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয়।

এতে আরো উল্লেখ করা হয়, ‘আমার মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান থেকে আমাকে উত্খাত করার চেষ্টা চলছে। যেকোনো সময় এ ব্যক্তিরা আমাকে আমার বাসা থেকে অপহরণ করে সাদা স্ট্যাম্পে আমার স্বাক্ষর নিয়ে আমার ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ও পৈতৃক সম্পত্তি থেকে উত্খাত করতে পারে। সম্প্রতি কিছুসংখ্যক সন্ত্রাসী প্রকৃতির লোকজন নিয়ে আমার বাসার সামনে দুটি সাদা রঙের গাড়ি নিয়ে এ ব্যক্তিরা আমাকে, আমার স্ত্রী ও ছেলে-মেয়েকে অপহরণ করার উদ্দেশ্যে আসে।

কিন্তু আমার অবস্থান নিশ্চিত করতে না পেরে তারা পরে ফিরে যায়। পরবর্তী সময়েও এভাবে খোঁজখবর করে ফিরে গেছে। এ ব্যক্তিরা আমাকে এবং আমার স্ত্রী ও সন্তানদের যেকোনো সময় অপহরণ করে মেরে ফেলতে পারে। তারা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে আমাকে এবং আমার স্ত্রীকে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজসহ প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে।’ জিডিতে হাসান আহম্মেদ তার ও তার স্ত্রী এবং ছেলে-মেয়েদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আবেদন জানিয়েছেন।

তবে এর ঠিক পাঁচদিন আগে একই থানায় অভিযোগ দায়ের (জিডি নং-১৯১) করেছিলেন হাসান আহম্মেদের মা মনজুরা আহম্মেদ। সেখানে তিনি তার পুত্রবধূ জান্নাতুল ফেরদৌসের কবল থেকে ছেলের নিরাপত্তা চেয়েছেন।

অভিযোগপত্রে মনজুরা আহম্মেদ উল্লেখ করেছেন, ‘আমাদের পরিবারের কোনো সদস্য আমার ছেলের সঙ্গে যোগাযোগ করতে চাইলে তার স্ত্রী ও পরিবার হাসান আহম্মেদের ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালায়। আমাদের পারিবারিক সম্পত্তি তার স্ত্রীর নামে লিখে দেয়ার জন্য ক্রমাগত চাপ দিতে থাকে বলে সুস্থ থাকা অবস্থায় আমার ছেলে জানিয়েছিল। সম্পত্তির লোভে তার স্ত্রী ও তার পরিবার ক্রমাগত শারীরিক ও মানসিক চাপ প্রয়োগ করার ফলে গত ১৮ সেপ্টেম্বর ছেলে হাসান আহম্মেদের ব্রেইন স্ট্রোক ও হার্ট অ্যাটাক হয়।

চেয়ারম্যানের অসুস্থতার খবর পেয়ে পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের কর্মকর্তারা পল্টনের ফ্ল্যাট থেকে তাকে উদ্ধার করে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করেন। কিন্তু তার স্ত্রী ১২ অক্টোবর জোর করে হাসপাতাল থেকে রিলিজ করে ফ্ল্যাটে নিয়ে যায় এবং তার চিকিৎসা বন্ধ করে দেয়। বর্তমানে চিকিৎসার অভাবে পুত্র প্রায় মরণাপন্ন অবস্থায়।’ থানায় করা জিডিতে মনজুরা আহম্মেদ তার ছেলে হাসান আহম্মেদকে ফ্ল্যাট থেকে বের করে হাসপাতালে ভর্তি করার উদ্যোগ ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করেন।

অভিযোগের বিষয়টি নিয়ে হাসান আহম্মেদের মা মনজুরা আহম্মেদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘আমার স্বামী পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্সের সুনাম প্রতিষ্ঠায় রাত-দিন পরিশ্রম করে গেছেন। আমার ছেলে হাসান আহম্মেদও একই ধারা বজায় রেখেছে। কিন্তু ছেলে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তার দ্বিতীয় স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস সুচিকিৎসার বিষয়টি নিশ্চিত না করেই বরং কীভাবে কোম্পানির ব্যবসা বাগিয়ে নেবে এবং নিজের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করবে তাতে ব্যস্ত।

আমার ছেলে হাসান আহম্মেদ ঠিকভাবে কথা বলতে পারছে না, এমনকি সে ঠিকমতো নড়াচড়াও করতে পারছে না। এ অবস্থায় ছেলেকে শারীরিক ও মানসিক দুভাবেই আঘাত করা হচ্ছে। আমি বিষয়টি নিয়ে আইনগতভাবে প্রতিকার চেয়েছি এবং ছেলের সুচিকিৎসা নিশ্চিতের আবেদন জানিয়েছি। আমি এটাও চাই না, হাসানের স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌসের মতো আগ্রাসী মনোভাবসম্পন্ন মানুষের হস্তক্ষেপে তিলে তিলে গড়ে ওঠা দেশের সুপ্রতিষ্ঠিত একটি বীমা কোম্পানি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে চলে যাক।’

পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির সৃষ্ট সংকট নিয়ে বেশ কয়েকজন পরিচালক জানান, হাসান আহম্মেদ একজন সজ্জন ও ব্যবসায়িকভাবে দক্ষ ও অভিজ্ঞ। ফলে সবাই চাইছেন তিনি সুচিকিৎসা পেয়ে সুস্থ হয়ে আবার নেতৃত্বে আসুক। কিন্তু তার অসুস্থতায় স্ত্রীর ভূমিকা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহের উদ্রেগ হয়েছে। গত এক সপ্তাহেই কোম্পানি থেকে চেয়ারম্যানের স্ত্রী নিজের অ্যাকাউন্টে ৬ কোটি টাকা স্থানান্তর করিয়ে নিয়েছেন।

আরো অর্থ স্থানান্তরের প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। চেয়ারম্যানের স্ত্রী নিজেই ব্যবসা পরিচালনায় সামনে থেকে নেতৃত্ব দিতে চাইছেন। যদিও এ বিষয়ে তার কোনো ধরনের অভিজ্ঞতা কিংবা দক্ষতা পর্যন্ত নেই। এ কাজে চেয়ারম্যানের শ্যালকদের ইন্ধন রয়েছে। এছাড়া একেবারে অন্দর মহল থেকে এসে যেভাবে বা যে প্রক্রিয়ায় ব্যবসা পরিচালনায় নিজেকে সম্পৃক্ত করতে চাইছেন, পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি আইন অনুযায়ী তা কোনোভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়।

হাসান আহম্মেদ পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের চেয়ারম্যান ছাড়াও পপুলার ইকুইটি লিমিটেডের চেয়ারম্যান ও তেজগাঁও ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন কোম্পানি, পপুলার জুট মিলস লিমিটেড, পপুলার ফুড অ্যান্ড অ্যালায়েড ইন্ডাস্ট্রিজেরও ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের চেয়ারম্যান হাসান আহম্মেদের সঙ্গে তার ব্যক্তিগত মুঠোফোনে বেশ কয়েকবার কথা বলার চেষ্টা করা হয়েছে প্রতিবেদকের পক্ষ থেকে। কিন্তু ওপাশ থেকে কেউ কল রিসিভ না করায় তা সম্ভব হয়নি।

যোগাযোগ করা হলে পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মোস্তফা হেলাল কবির এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘প্রথমত চেয়ারম্যান সাহেবের পারিবারিক বিষয় নিয়ে আমি বলতে পারব না। তবে তিনি অসুস্থ হিসেবে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। পরে আবার সেখান থেকে রিলিজ নিয়ে বাসায় আছেন বর্তমানে। জিডির বিষয়টি আমি সঠিক বলতে পারছি না, তবে শুনেছি।

পরবর্তী চেয়ারম্যান কে হবেন তা বোর্ড থেকে অ্যাপ্রুভাল হয়ে আসার আগ পর্যন্ত হাসান সাহেব বর্তমান চেয়ারম্যান হিসেবে আছেন। তবে ওনার স্ত্রী কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদে নেই। পরবর্তী সময়ে কোম্পানি পরিচালনায় যেকোনো পদক্ষেপ তা যা-ই হোক না কেন কোম্পানির আইন অনুযায়ী হবে। পরবর্তী চেয়ারম্যানের বিষয়টি পরিচালনা পর্ষদ থেকে সর্বসম্মতিক্রমে পাস হওয়া সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হবে।’

বেশ কয়েকবার কথা বলার চেষ্টা চালিয়ে পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের চেয়ারম্যান হাসান আহম্মেদ ও তার স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌসের সঙ্গে যোগাযোগ করতে সমর্থ হয়। হাসান আহম্মেদ স্ত্রী কর্তৃক তাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতনের বিষয়টি মুঠোফোনে অস্বীকার করেছেন। অসুস্থতাজনিত কারণে তার সঙ্গে এর চেয়ে বেশি কথা বলা সম্ভব হয়নি।

তবে পুরো বিষয়টি নিয়ে তাঁর স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস নিজস্ব অবস্থান থেকে একটি ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড আজকে যে অবস্থানে দাঁড়িয়ে আছে, তার সবচেয়ে বড় অবদান আমার মরহুম শ্বশুর গিয়াসউদ্দিন আহম্মেদের। তিনি পূবালী ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছিলেন। সময়ের ধারাবাহিকতায় আমার শ্বশুরের অবর্তমানে আমার স্বামী বর্তমান চেয়ারম্যান হাসান আহম্মেদ দক্ষতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছিলেন।

কোম্পানির সিংহভাগ শেয়ারও তিনি ধারণ করছেন। কিন্তু সম্প্রতি তার অসুস্থ হয়ে পড়েছেন তবে কথা বলতে পারছেন। থানায় আমার শাশুড়ি জিডি করার পর আমার স্বামীর পক্ষ থেকেও লিখিতভাবে অভিযোগ দেয়া হয়েছে। তার সুস্থতার জন্য চিকিৎসা সংক্রান্ত কোনো পদক্ষেপ নিতে কার্পণ্য করিনি। আমি প্রতিষ্ঠানের হাল ধরতে আগ্রহী। কারণ পারিবারিকভাবেই আমার সে অধিকার এবং এর জন্য প্রয়োজনীয় অভিজ্ঞতাও রয়েছে।

ভিন্ন একটি প্রতিষ্ঠানেও আমি পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছি। আমি যদি চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করি, তবে প্রতিষ্ঠানের যে অগ্রযাত্রা তা অব্যাহত থাকবে। এ বিষয়ে আমার পুরোপুরি আত্মবিশ্বাস রয়েছে। কিন্তু কোম্পানির পরিচালকরা তা কোনোভাবেই মানতে চান না, বরং শুরু থেকেই এর বিরোধিতা করে আসছেন।’

এ বছরের জুন শেষে গ্রস প্রিমিয়ামের ভিত্তিতে ৪ দশমিক ৩৩ শতাংশ মার্কেট শেয়ার নিয়ে জীবন বীমা কোম্পানিগুলোর মধ্যে নবম স্থানে রয়েছে পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স। কোম্পানিটির বীমা পলিসির সংখ্যা ৬ লাখ ৮২ হাজার ১৩৫টি। এর সম্পদের পরিমাণ ২ হাজার ১৯৯ কোটি টাকা।

এ বছরের জুন শেষে পপুলার লাইফের বিনিয়োগের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৭৭৪ কোটি টাকায়। কোম্পানিটির লাইফ ফান্ডের আকার ১ হাজার ৬৬১ কোটি টাকা। ২০১৯ সালে বীমা দাবির ৯৯ দশমিক ৯৬ শতাংশ এবং এ বছরের জুন শেষে বীমা দাবির ৯৯ দশমিক ৬২ শতাংশ নিষ্পত্তি করেছে পপুলার লাইফ।

২০০৫ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত পপুলার লাইফের বর্তমান পরিশোধিত মূলধন ৬০ কোটি ৪২ লাখ ৮০ হাজার টাকা। কোম্পানিটির মোট শেয়ারের ৩০ দশমিক ৩০ শতাংশ উদ্যোক্তা-পরিচালক, ১২ দশমিক ৬১ শতাংশ প্রতিষ্ঠান এবং ৫৭ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে। সর্বশেষ গতকাল কোম্পানিটির শেয়ার ৭৬ টাকা ৭০ পয়সায় লেনদেন হয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here