সিনিয়র রিপোর্টার : দীর্ঘদিন পর দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান সূচক ছয় হাজার পয়েন্টের মাইলফলকে পৌঁছানোর পর বিনিয়োগকারীদের মধ্যে যেন ফিরে এসেছে ‘মনস্তাত্ত্বিক ভীতি’।

এই টানাপড়েনের প্রভাব দেখা গেছে সপ্তাহের তৃতীয় দিন মঙ্গলবারের লেনদেনও।

শান্তা অ্যাসেট ম্যানেজমেন্টের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ এমরান হাসান বলেন, বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে এখন একটি মনস্তাত্ত্বিক বিষয় কাজ করছে। গত সোয়া তিন বছর ডিএসই সূচক ৬ হাজার পার করে নাই। এর আগে ৬ হাজারের কাছাকাছি এসে কারেকশন হয়েছে।

এর ফলে বিনিয়োগকারীরা মনে করছেন ৬ হাজার হচ্ছে বর্তমান সূচকের একটা সর্বোচ্চ সীমা। এই কারনে সূচক ৬ হাজারে উঠলে বিক্রির চাপ আসতেছে।

গত দুই দিনে এমন কয়েক দফায় আসা বিক্রির চাপের সময় ক্রেতাও পাচ্ছে বাজার উল্লেখ করে তিনি বলেন, চাপটা আবার পুঁজিবাজার নিয়ে ফেলছে। এই বিক্রির চাপটা নিয়ে পুঁজিবাজার যদি টিকে থাকতে পারে। অন্য সব ফান্ডামেন্টাল দিক যদি ঠিক থাকে, তাহলে সামনে সূচক এই মাইলফলক ছাড়িয়ে যাবে।

মঙ্গলবারের লেনদেন পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, দিনের লেনদেনের শুরুর প্রথম কয়েক মিনিটেই আবার ছয় হাজার পয়েন্টের মাইলফলক পেরিয়ে যায় ডিএসইএক্স সূচক।

এরপর বেশিরভাগ সময় ঊর্ধ্বমুখী থাকলেও শেয়ার বিক্রির অব্যাহত চাপে লেনদেন চলাকালে কয়েক দফাতেই তা ছয় হাজার পয়েন্টের নিচে নামে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স

আবার কিছুক্ষণ পর অনেক শেয়ার হারানো দর ফিরে পেলে এই অবস্থানের ওপরে ওঠে। দিনের একেবারে শেষভাগের বিক্রির চাপে শেষ পর্যন্ত সূচকটি মনস্তাত্ত্বিক লড়াইয়ের এই বাধা টপকাতে পারেনি।

মঙ্গলবার দিন শেষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিন থেকে ২ দশমিক ৩৫ পয়েন্ট বা দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ বাড়লেও তার অবস্থান ছিল ৫ হাজার ৯৯৩ দশমিক ৩৩ পয়েন্টে।

রোববার সাড়ে ৩৯ মাস পর ডিএসইএক্স সূচক ছয় হাজার পয়েন্ট অতিক্রম করেছিল। পরদিন সোমবার দিনভর ওঠানামার পর আবার এই সীমার নিচে নেমে গিয়েছিল।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here