চাহিদার শীর্ষে লোকসানি আজিজ পাইপ

0
169

স্টাফ রিপোর্টার : গেল সপ্তাহজুড়ে দেশের শেয়ারবাজারে বড় দরপতন হলেও বিনিয়োগকারীদের কাছে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে চাহিদার শীর্ষে ছিল লোকসানি আজিজ পাইপ। ফলে সপ্তাহজুড়েই কোম্পানিটির শেয়ার দাম বেড়েছে। এর মাধ্যমে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) কোম্পানিটি শেয়ার দাম বাড়ার শীর্ষ স্থানটি দখল করেছে।

ক্রেতাদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসায় গত সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির শেয়ার দাম বেড়েছে ২০ দশমিক ৯২ শতাংশ। টাকার অঙ্কে বেড়েছে ২০ টাকা ৪০ পয়সা।

গত সপ্তাহে লেনদেন হওয়া চার কার্যদিবসের মধ্যে মাত্র দুই কার্যদিবসেই কোম্পানিটির শেয়ারের দাম বেড়েছে। এতে সপ্তাহ শেষে কোম্পানিটির প্রতিটি শেয়ারের দাম দাঁড়িয়েছে ১১৭ টাকা ৯০ পয়সা, যা আগের সপ্তাহের শেষে ছিল ৯৭ টাকা ৫০ পয়সা।

শেয়ারের এমন দাম বাড়লেও কোম্পানিটির লভ্যাংশের ইতিহাস খুব একটা ভালো না। ২০২০ সালে কোম্পানিটি শেয়ারহোল্ডারদের মাত্র এক শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেয়। তার আগে ২০১৯ সালে ৭ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল কোম্পানিটি। আর ২০১৮ ও ২০১৭ সালে ৫ শতাংশ করে বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ দেয় আজিজ পাইপ।

এদিকে কোম্পানিটির সর্বশেষ প্রকাশিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২০ সালের অক্টোবর-ডিসেম্বর প্রান্তিকের ব্যবসায় শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৪ পয়সা। ২০১৯ সালের অক্টোবার-ডিসেম্বর প্রান্তিক শেয়ারপ্রতি লোকসান হয় ১ পয়সা।

চলমান হিসাব বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (২০২০ সালের অক্টোবর-ডিসেম্বর) লোকসান করায় ২০২০ জুলাই-ডিসেম্বর সময়ের ব্যবসায় কোম্পানিটির লোকসানের পাল্লা ভারি হয়েছে। চলতি হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়ছে ১১ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে শেয়ারপ্রতি ২১ পয়সা মুনাফা করে কোম্পানিটি।

গত সপ্তাহে কোম্পানিটির শেয়ার বিনিয়োগকারীদের চাহিদের শীর্ষে চলে আসায় এক শ্রেণীর বিনিয়োগকারীরা প্রতিষ্ঠানটির শেয়ার বিক্রি করে দিয়েছেন। এতে সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেন হয়েছে ১৫ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার টাকা। আর প্রতি কার্যদিবসে গড়ে লেনদেন হয়েছে ৩ কোটি ৯৪ লাখ ২৭ হাজার টাকা।

দাম বাড়ার শীর্ষ তালিকায় আজিজ পাইপের পরে রয়েছে রহিমা ফুড করপোরেশন। গেল সপ্তাহে এই কোম্পানিটির শেয়ার দাম বেড়েছে ১৯ দশমিক ৬৫ শতাংশ। আগের সপ্তাহে এই কোম্পানিটির শেয়ার দাম বাড়ে ১৫ দশমিক ৫৫ শতাংশ। অর্থাৎ টানা দুই সপ্তাহে কোম্পানিটির শেয়ার দাম প্রায় ৪০ শতাংশ বেড়ে গেছে। এতে কোম্পানিটির শেয়ার ২৬৬ টাকা ৭০ পয়সায় পৌঁছেছে।

শেয়ারের এমন দাম বাড়লেও ব্যবসায়িক কার্যক্রম বন্ধ থাকায় ২০১৮ সালের ১৮ জুলাই রহিমা ফুড করপোরেশনকে তালিকাচ্যুত করার সিদ্ধান্ত নেয় ডিএসই। আর চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ কর্তৃপক্ষ রহিমা ফুডকে তালিকাচ্যুতির পরিবর্তে লেনদেন স্থগিত করে রাখে।

তবে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) হস্তক্ষেপে গত ২৯ ডিসেম্বর থেকে কোম্পানিটির শেয়ার আবার শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরু হয়েছে। নতুন করে লেনদেনে ফেরার পর প্রায় দুই মাস কোম্পানিটির শেয়ার দাম এক জায়গায় স্থির থাকলেও ৪ মার্চ থেকে দাম বাড়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।

শেয়ারের এমন দাম বাড়লেও কোম্পানিটির লভ্যাংশের ইতিহাস খুব  ভালো না। ২০২০ সালে কোম্পানিটি শেয়ারহোল্ডারদের মাত্র এক শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেয়। তার আগে ২০১৯ সালে ৭ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল কোম্পানিটি। আর ২০১৮ ও ২০১৭ সালে ৫ শতাংশ করে বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ দেয় আজিজ পাইপ।

এদিকে কোম্পানিটির সর্বশেষ প্রকাশিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২০ সালের অক্টোবর-ডিসেম্বর প্রান্তিকের ব্যবসায় শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৪ পয়সা। ২০১৯ সালের অক্টোবার-ডিসেম্বর প্রান্তিক শেয়ারপ্রতি লোকসান হয় ১ পয়সা।

চলমান হিসাব বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (২০২০ সালের অক্টোবর-ডিসেম্বর) লোকসান করায় ২০২০ জুলাই-ডিসেম্বর সময়ের ব্যবসায় কোম্পানিটির লোকসানের পাল্লা ভারি হয়েছে। চলতি হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়ছে ১১ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে শেয়ারপ্রতি ২১ পয়সা মুনাফা করে কোম্পানিটি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here