কেপিএমের জীবাণুনাশক উৎপাদন

0
101

স্টাফ রিপোর্টার : কর্ণফুলী পেপার মিলস লিমিটেড (কেপিএম) দেশে করোনা পরিস্থিতিতে কারখানার কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শ্রমিকদের স্বাস্থ্যসুরক্ষা নিশ্চিত করে উৎপাদন কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে জীবাণুনাশক ব্লিচ উৎপাদন শুরু করছে। উৎপাদিত জীবাণুনাশক ব্লিচ হতে নিজেদের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি প্রয়োজনে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানকেও সরবরাহ করা হবে বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে শিল্প মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রণালয়টির আওতাধীন বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি) স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে উৎপাদন কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে কেপিএমকে নির্দেশনা প্রদানের পরিপ্রেক্ষিতে কারখানাটি এ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

কেপিএম সূত্রে জানা যায়, জীবাণুনাশক ব্লিচ উৎপাদনের জন্য ১৫ এপ্রিল থেকে কারখানাটির অব্যবহূত ব্লিচ উৎপাদনের প্লান্টটির সিভিল, মেকানিক্যাল ও ইলেকট্রিক্যাল রক্ষণাবেক্ষণের কার্যক্রম শুরু হয় এবং ৩০ এপ্রিল এক ব্যাচে এক টন ক্যালসিয়াম হাইপোক্লোরাইটের ব্লিচ লিকার উৎপাদন করা হয়।

প্লান্টটিতে আগে পাল্প সাদা করার জন্য ব্লিচ উৎপাদন করা হতো। কর্মকর্তা-কর্মচারী-শ্রমিকদের স্বাস্থ্যনিরাপত্তা, যানবাহন জীবাণুমুক্তকরণসহ কারখানার পরিবেশের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার কাজে এই জীবাণুনাশক ব্যবহৃত হচ্ছে।

কেপিএমের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী ড. এমএমএ কাদের বলেন, কর্ণফুলী পেপার মিলস বর্তমানে আমদানীকৃত পাল্প ও রিসাইকেল পেপার থেকে কাগজ উৎপাদন করছে। গত তিন বছরের মধ্যে চলতি অর্থবছরের ৯ মে পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৫ হাজার ৭৮৫ টন কাগজ উৎপাদিত হয়েছে।

গত ২০১৭-১৮ ও ২০১৮-১৯ অর্থবছরে কাগজ উৎপাদনের পরিমাণ ছিল যথাক্রমে ৩ হাজার ১৮২ ও ৫ হাজার টন। উৎপাদন কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে চলতি অর্থবছরে সাড়ে ৭ হাজার থেকে ৮ হাজার টন কাগজ উৎপাদিত হতে পারে বলে তিনি জানান।

ড. কাদের আরো বলেন, স্থানীয়ভাবে কাগজ উৎপাদনের কাঁচামাল কাঠের সরবরাহ নিশ্চিত করতে স্বেচ্ছা শ্রমের ভিত্তিতে নিজস্ব বীজতলায় উৎপাদিত চারা রোপণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এর আওতায় ২০১৭-১৮ ও ২০১৮-১৯ অর্থবছরে মোট তিন লাখের অধিক গাছের চারা কেপিএমের পাহাড়ি এলাকা ও পতিত জমিতে রোপণ করা হয়েছে। আগামী জুলাই থেকে আরো দেড় লাখ গাছের চারা রোপণ করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে কারখানাটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক জানান।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here