এবি ব্যাংক এবং অন্যান্য

0
679
Rtv-Online-ab-bank-Sac-এবি ব্যাংকের শীর্ষপদে বড় রদবদল

স্টাফ রিপোর্টার : ব্যাংক খাতের কোম্পানি এবি ব্যাংক। ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে এটি বাংলাদেশের প্রথম বেসরকারি ব্যাংক। ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। পরিশোধিত মূলধন ৭৫৮ কোটি ১৩ লাখ টাকা।

‘জেড’ ক্যাটাগরিতে থাকা ব্যাংকটির বাজার মূলধন ৫৮৩ কোটি ৭৬ লাখ ৩ হাজার টাকা। পুঞ্জিভূত আয় বা রিজার্ভ রয়েছে ১ হাজার ৬৩০ কোটি ৪০ লাখ ৪০ হাজার টাকা। সক্ষমতা যাচাই বা ক্রেডিট রেটিংয়ে দীর্ঘ মেয়াদে হয়েছে “এ+” এবং স্বল্প মেয়াদে হয়েছে ‘এসটি-২’।

এবি ব্যাংকের শেয়ারের আজকের (৬ ফেব্রুয়ারি) ওপেনিং প্রাইজ ছিল ৭ টাকা ৬০ পয়সা। সর্বশেষ দর দাঁড়িয়েছে ৭ টাকা ৬০ পয়সা। গত ১ মাসে কোম্পানিটির শেয়ারদর ৭ টাকা ৫০ পয়সা থেকে ৭ টাকা ৯০ পয়সায় ওঠানামা করে। আর গত ১ বছরে কোম্পানিটির শেয়ার দর ৭ টাকা ৪০ পয়সা থেকে ১২ টাকা ৮০ পয়সায় ওঠানামা করে।

গত ৫ বছরে ব্যাংকটির লভ্যাংশ পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, এবি ব্যাংক ২০১৪ সালে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১২.৫০ শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ দিয়েছে, ২০১৫ সালে দিয়েছে ১২.৫০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ, ২০১৬ সালে দিয়েছে ১২.৫০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ। তবে ব্যাংকটি ধারাবাহিকভাবে ২০১৭, ২০১৮ ও ২০১৯ সালে কোন লভ্যাংশ ঘোষণা দেয় নাই।

গত ৫ বছরে ব্যাংকটির পিই রেশিও পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, ২০১৪ সালে কোম্পানিটির পিই রেশিও ছিল ১১.৯৬। ২০১৫ সালে পিই রেশিও ছিল ৮.৬৪, ২০১৬ সালে পিই রেশিও ছিল ৯.৯১, ২০১৭ সালে পিই রেশিও ছিল ৪১২.২২ এবং ২০১৮ সালে পিই রেশিও দাঁড়িয়েছে ২১০.৬৫।

গত ৫ বছরে ব্যাংকটির ইপিএস পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, ২০১৪ সালে কোম্পানিটির ইপিএস ছিল ২.৮১ টাকা। ২০১৫ সালে ইপিএস ছিল ২.৪২ টাকা, ২০১৬ সালে ইপিএস ছিল ২.২৫ টাকা। ২০১৭ সালে ইপিএস ছিল দশমিক ০৫ টাকা, ২০১৮ সালে ইপিএস দাঁড়িয়েছে দশমিক ০৬ টাকা।

গত ৫ বছরে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য বা এনএভি পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, ২০১৪ সালে কোম্পানির এনএভি ছিল ৩৫.২৩ টাকা। ২০১৫ সালে এনএভি ছিল ৩৯.৩৫ টাকা। ২০১৬ সালে এনএভি ছিল ৩৬.১০ টাকা। ২০১৭ সালে এনএভি ছিল ৩১.৬৫ টাকা। ২০১৮ সালে এনএভি দাঁড়িয়েছে ৩১.৫১ টাকা।

এবি ব্যাংকের মোট শেয়ার সংখ্যা ৭৫ কোটি ৮১ লাখ ৩০ হাজার ৩১৬টি। এর মধ্যে উদ্যোক্তা-পরিচালকদের হাতে রয়েছে ২৯ দশমিক ২৫ শতাংশ বা ২২ কোটি ১৭ লাখ ৫৩ হাজার ১১৭টি শেয়ার, সরকারের হাতে রয়েছে দশমিক ৫৭ শতাংশ বা ৪৩ লাখ ২১ হাজার ৩৪৩টি শেয়ার, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে ৩৪ দশমিক ০৭ শতাংশ বা ২৫ কোটি ৮২ লাখ ৯৪ হাজার ৯৯৯টি শেয়ার, প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে ১ দশমিক ০৩ শতাংশ বা ৭৮ লাখ ৮ হাজার ৭৪২টি শেয়ার এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে ৩৫ দশমিক ০৮ শতাংশ বা ২৬ কোটি ৫৯ লাখ ৫২ হাজার ১১৫টি শেয়ার।

ব্যাংকটির স্ট্যাটুটরি অডিটর এস এফ আহমেদ অ্যান্ড কোং চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্টস এবং ব্যাংকের কমপ্লায়েন্স অডিটর হিসেবে আছেন একনাবিন চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টসের পার্টনার এম.মনিরুজ্জামান।

চেয়ারম্যান হিসেবে আছেন  মুহাম্মদ এ (রুমী) আলী এবং ম্যানেজিং ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তারিক আফজাল।

পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ফিরোজ আহমেদ, খাইরুল আলম চৌধুরী, সাজির আহমেদ এবং স্বতন্ত্র পরিচালক হিসেবে আছেন কাইজার এ চৌধুরী। 

সর্বশেষ কোয়টার অর্থাৎ তৃতীয় প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর,১৯) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী আলোচ্য সময়ে কোম্পানির শেয়ার প্রতি কনসলিডেটেড আয় হয়েছে  ০৪ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ছিল ০১ পয়সা। ৯ মাসে (জানুয়ারি,১৯-সেপ্টেম্বর,১৯) কোম্পানির শেয়ার প্রতি কনসলিডেটেড আয় হয়েছে ১৯ পয়সা।

যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ৪১ পয়সা। এ সময় কনসলিডেটেড নেট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো পার শেয়ার (এনওসিএফপিএস)হয়েছে ৩২.৬৭ টাকা।যা আগের বছর একই সময়ে লোকসান ছিল ১১.৭৯ টাকা।৩০ সেপ্টেম্বর, ১৯ শেষে কোম্পানির শেয়ার প্রতি কনসলিডেটেড প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভি)হয়েছে ৩১ টাকা ৬৮ পয়সা।যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ৩২.০৭ টাকা।

এবি ব্যাংক ১৯৮৩ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়ে বর্তমানে ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে অবস্থান করছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here