সিনিয়র রিপোর্টার : বাংলাদেশের আইটি কনসাল্টিং ও সফটওয়্যার সলিউশন কোম্পানি ই-জেনারেশন লিমিটেড। প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) অনুমোদন পাওয়া কোম্পানিটর সাবসক্রিপশন আগামী ডিসেম্বর মাসের শেষে শুরু হবে।

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন থেকে পর্যায়ক্রমে যেসব কোম্পানি আইপিও অনুমোদন পেয়েছে সেই কোম্পানিগুলোর সাবসক্রিপশন শেষে ই-জেনারেশনের আবেদন শুরু হবে।

তবে এখন পর্যন্ত আইপিও আবেদনের দিনক্ষণ নির্ধারিত হয়নি বলে সম্প্রতি জানিয়েছেন কোম্পানি সেক্রেটারি মাযহারুল ইসলাম। তিনি আগামী ডিসেম্বর মাসের শেষে সাবসক্রিপশন শুরু হওয়ার আভাস দেন।

কেননা, সম্প্রতি ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্সের আইপিও আবেদন শেষে চলছে রবি আজিয়াটা লিমিটেডের পুঁজিবাজার থেকে ৫২৩ কোটি ৮০ লাখ টাকার মূলধন সংগ্রহ। এরপরে এনার্জিপ্যাকের আইপিও আবেদন ৭ ডিসেম্বর শুরু।

তারপরে রয়েছে আরো বৃহৎ তিন কোম্পানির টাকা উত্তোলন। কোম্পানিগুলোর টাকা উত্তোলন শেষে আগামী ডিসেম্বর মাসের শেষদিকে ই-জেনারেশনের সাবসক্রিপশন শুরু হওয়ার আভাস দেন মাযহারুল ইসলাম।

ই-জেনারেশন লিমিটেড ফিক্সড প্রাইস পদ্ধতিতে ১০ টাকা ইস্যু মূল্যে ১.৫০ কোটি শেয়ার পুঁজিবাজারে ছেড়ে ১৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে।

যা দিয়ে বাণিজ্যিক স্পেস ক্রয়, ঋণ পরিশোধ, ডিজিটাল হেলথকেয়ার প্লাটফর্ম উন্নয়ন এবং আইপিও খরচ বাবদ ব্যয় হবে। ৩০ জুন ২০১৯ সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৮২ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ২০ টাকা ৫৬ পয়সা।

ই-জেনারেশন লিমিটেড স্মার্টক্রাউডের জন্য আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স,  ডেটা অ্যানালিটিক্স এবং ব্লকচেইন ভিত্তিক ডিজিটাল বিনিয়োগ প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে। এ নিয়ে দুবাইভিত্তিক একটি কোম্পানির সঙ্গে ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।

এ বিষয়ে ই-জেনারেশন গ্রুপের চেয়ারম্যান শামীম আহসান বলেন, বিশ্বের নিম্ন মূল্যের আইটি সলিউশন প্রদানকারী দেশ থেকে বের হয়েছি। উদ্ভাবনে নেতৃত্ব দানকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশ এখন গ্লোবাল ব্র্যান্ড। এই ব্র্যান্ড আরো উন্নত করতে অক্লান্ত কাজ করে চলছে।

উল্লেখ্য, ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছে এনআরবি ইক্যুইটি ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here