সিনিয়র রিপোর্টার : ইসলামি ব্যাংকিং সেবায় যুক্ত হচ্ছে প্রচলিত ধারার ব্যাংকগুলো। এই সেবার প্রতি গ্রাহকদের চাহিদা ও বেশি মুনাফার সুযোগ থাকায় ব্যাংকগুলো এদিকে ঝুঁকছে। তবে ইসলামি ব্যাংকিং সেবার আদর্শ ধারা মুদারাবা ও মুশারাকা পদ্ধতিতে বিনিয়োগ এখনো ২ শতাংশের নিচে।

এই ধারায় বিনিয়োগ বাড়াতে ইসলামি ধারার ব্যাংকগুলোকে উদ্যোগ নিতে হবে। দারিদ্র্য দূরীকরণে ক্ষুদ্রঋণেও মনোযোগ দিতে পারে এই ধারার ব্যাংকগুলো। ইসলামি ধারার ব্যাংকগুলোর উন্নয়ন নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের ত্রৈমাসিক (এপ্রিল-জুন) প্রকাশনায় এসব মন্তব্য করা হয়েছে।

গত জুন শেষে ব্যাংক শাখার সংখ্যা হয়েছে ১০ হাজার ৫৮৮টি। এর মধ্যে ৮টি ইসলামি ব্যাংকের শাখা ১ হাজার ২৭৪টি। এর বাইরে ৯টি ব্যাংকের ১৯টি ইসলামি ব্যাংকিং শাখা এবং ১২টি ব্যাংকের ১৫৫টি ইসলামি ব্যাংকিং উইন্ডো রয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, গত জুন শেষে ব্যাংক শাখার সংখ্যা হয়েছে ১০ হাজার ৫৮৮টি। এর মধ্যে ৮টি ইসলামি ব্যাংকের শাখা ১ হাজার ২৭৪টি। এর বাইরে ৯টি ব্যাংকের ১৯টি ইসলামি ব্যাংকিং শাখা এবং ১২টি ব্যাংকের ১৫৫টি ইসলামি ব্যাংকিং উইন্ডো রয়েছে।

এপ্রিল-জুন প্রান্তিকে নতুন করে ইসলামি ব্যাংকিং সেবায় যুক্ত হয়েছে মার্কেন্টাইল, মিডল্যান্ড ও এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংক। এ ছাড়া স্টান্ডার্ড, যমুনা ও এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক ইসলামি ধারার ব্যাংকে রূপান্তরের সিদ্ধান্ত হয়েছে। চলতি বছরেই এসব ব্যাংক পুরোপুরি ইসলামি ধারার হয়ে যাবে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, এপ্রিল–জুনে আমানতে ইসলামী ব্যাংকের ৩৪ দশমিক ৪৮ শতাংশ, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের ১৩ দশমিক ৩০ শতাংশ, এক্সিমের ১২ শতাংশ, আল-আরাফাহ্ ইসলামীর ১১ দশমিক ১৭ শতাংশ, সোশ্যাল ইসলামীর ৯ দশমিক ৩৯ শতাংশ, শাহজালাল ইসলামীর ৭ দশমিক ১৩ শতাংশ, ইউনিয়নের ৫ দশমিক ১৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

এপ্রিল-জুন প্রান্তিকে ইসলামি ধারার ব্যাংক ও শাখার আমানত বেড়ে ২ লাখ ৯১ হাজার ৩০৩ কোটি টাকা এবং বিনিয়োগ বেড়ে ২ লাখ ৭৫ হাজার ৪৬৫ কোটি টাকায় উঠেছে। এর মধ্যে আমানতে ২ দশমিক ৩৫ শতাংশ এবং বিনিয়োগে ৩ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। গত বছর একই সময়ে আমানতে ৪ দশমিক ৫২ শতাংশ এবং বিনিয়োগে ৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছিল।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, এপ্রিল–জুনে আমানতে ইসলামী ব্যাংকের ৩৪ দশমিক ৪৮ শতাংশ, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের ১৩ দশমিক ৩০ শতাংশ, এক্সিমের ১২ শতাংশ, আল-আরাফাহ্ ইসলামীর ১১ দশমিক ১৭ শতাংশ, সোশ্যাল ইসলামীর ৯ দশমিক ৩৯ শতাংশ, শাহজালাল ইসলামীর ৭ দশমিক ১৩ শতাংশ, ইউনিয়নের ৫ দশমিক ১৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

এ ছাড়া অন্য ব্যাংকগুলোর ইসলামি ব্যাংকিং শাখার আমানতের অংশ ৩ দশমিক ২৯ শতাংশ এবং ইসলামি ব্যাংকিং উইন্ডোর ক্ষেত্রে এই হার ৩ দশমিক ২৭ শতাংশ।

ইসলামি ধারার ব্যাংকগুলো সর্বোচ্চ প্রায় ৪৪ শতাংশ বিনিয়োগ করেছে ব্যবসা-বাণিজ্যে। এরপরই বিনিয়োগ শিল্পের চলতি মূলধন হিসেবে ২৩ শতাংশ, বড় শিল্প ও সেবা খাতে প্রায় সাড়ে ১১ শতাংশ এবং এসএমই খাতে প্রায় সাড়ে ৪ শতাংশ বিনিয়োগ করেছে।

এপ্রিল-জুন প্রান্তিকে প্রবাসী আয়ে এসব ব্যাংকের প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২ দশমিক ৬৩ শতাংশ। অতিরিক্ত তারল্য বৃদ্ধি পেয়েছে ২৯ শতাংশ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here