ডেস্ক রিপোর্ট : আশিয়ান সিটির জন্য আশিয়ান ল্যান্ডস ডেভেলপমেন্টস লিমিটেডের কেনা জমি পাওয়া গেছে ৩১৮০ কাঠার (১৫৯ বিঘা) মতো। কিন্তু প্লট বিক্রি করা হয়েছে ৩২ হাজার কাঠারও বেশি।

‘নে বাবা, তোরা এখন নাকে তেল দিয়ে ঘুমা। নো টেনশন।’ এটি আশিয়ান সিটির আলোচিত সেই বিজ্ঞাপনের অংশ। প্রবাসী তিন ছেলের জন্য আশিয়ান সিটির তিনটি প্লট কিনে তাদেরকে নিশ্চিন্তে ঘুমানোর জন্য তিন শিশি সরিষার তেল পাঠাতে গিয়ে একথা বলেছিলেন বিজ্ঞাপনের বৃদ্ধ বাবা।

২০০৬ সালে এই বিজ্ঞাপনে পত্রিকার পাতা আর টিভির পর্দা সয়লাব করে আশিয়ান সিটির প্লট বিক্রি শুরু করে আশিয়ান ল্যান্ডস ডেভেলপমেন্টস লিমিটেড।

‘ঢাকার ভিতরে এয়ারপোর্টের উল্টোদিকে, প্রকল্পের সিকিউরিটি ভালো, লোকেশনও ভালো’ বিজ্ঞাপনভাষ্যের এই আশিয়ান সিটির অবস্থান রাজধানীর উত্তরখান, দক্ষিণখান, বড়ুয়া ও ডুমনি-এই চারটি মৌজায়।

মো. নজরুল ইসলাম ভূইয়ার মালিকানাধীন আশিয়ান ল্যান্ডস ডেভেলপমেন্টস ২০১২ সাল পর্যন্ত এই প্রকল্পে ৩০-৩৫ লাখ টাকায় পাঁচ কাঠার প্রায় সাড়ে ছয় হাজার প্লট বিক্রি করেছে বলে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রাথমিক তদন্তে তথ্য এসেছে, যা থেকে আয় হয়েছে দুই হাজার কোটি টাকারও বেশি। ক্রেতাদের সিংহভাগই প্রবাসী বাংলাদেশী।

প্লট কিনে নাকে তেল দিয়ে ঘুমাতে পারেন নি ক্রেতারা। মূল্য পরিশোধের রিসিট আর প্লট বরাদ্দের একটি কাগজ ছাড়া আর কিছুই পাননি তারা। প্লটের দখল পেতে দিনের পর দিন তারা আশিয়ানের অফিসে ধর্না দিয়ে যাচ্ছেন।

আশিয়ান সিটির প্রতারণা নিয়ে মামলাও করেছেন অনেকে। কোনো মামলারই চার্জশীট দেয়নি এখনো পুলিশ। মামলা করার কারণে শারিরীকভাবে নির্যাতিত হয়েছেন অনেকে। প্রাণনাশের হুমকিও দেয়া হচ্ছে তাদেরকে।

দুদকের প্রাথমিক অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রকল্পে আশিয়ান সিটির যে পরিমাণ জমি আছে, মানুষের কাছে বিক্রি করা হয়েছে তার চেয়ে দশগুণ বেশি জমি। নিজস্ব জমি যেটুকু আছে তার একটা বড় অংশই আবার জোর করে দখল করা।

২০১১ সালে র‍্যাবের সহায়তায় প্রকল্প এলাকায় অভিযান চালিয়ে পরিবেশ অধিদপ্তর জেনেছে, আশিয়ান ল্যান্ডস বহু মানুষের জমি, বাড়ি, এমনকি কবরস্থান পর্যন্ত দখল করে প্লট বানিয়েছে। দখল করেছে সরকারের খাস জমি ও জলাধারও।

এই অভিযানের পর দেয়া পরিবেশ অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল, ‘আশিয়ান ল্যান্ডস ডেভেলপমেন্টস লিমিটেড নজিরবিহীন ত্রাস সৃষ্টির মাধ্যমে বুলডোজার দিয়ে ঘরবাড়ি, কবর ও গাছপালা ধ্বংস করে একটি বেআইনি আবাসন প্রকল্প গড়ে তুলছে।’

‘বেআইনি’ এই প্রকল্প অবৈধ ঘোষণা করেছে উচ্চ আদালতও। ২০১২ সালে আটটি পরিবেশ ও মানবাধিকার সংগঠনের করা এক রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে হাইকোর্ট আশিয়ান সিটি প্রকল্পকে অবৈধ বলে রায় দেয়।

পরে হাইকোর্টেরই আরেকটি রিভিউ বেঞ্চ প্রকল্পটিকে বৈধ ঘোষণা করলে রিট আবেদনকারীরা আপিল বিভাগে যায়।

আপিল বিভাগ ২০১৭ সালের আগস্টে হাইকোর্টের রিভিউ বেঞ্চের রায়ে স্থগিতাদেশ দিয়ে আশিয়ান সিটির সব ধরনের কার্যক্রমের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। এই নিষেধাজ্ঞা এখনো বহাল আছে। আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ শুনানিও এখনো হয়নি।

প্রবাসী বাংলাদেশীরা ছিলেন মূল টার্গেট

আশিয়ান সিটি প্রকল্পের ডিজিটাল একটি নকশা দেখিয়ে বানানো হয়েছিল ‘নাকে তেল দিয়ে ঘুমানোর’ বিজ্ঞাপনটি। এই নকশায় প্রকল্পটিকে ছয়টি ব্লকে ভাগ করে দেখানো হয়, যাতে প্লটের সংখ্যা মোট ৭২৬৭টি।

এর মধ্যে ‘এ’ ব্লকে ১৬৩২টি, ‘বি’ ব্লকে ১২২৫টি, ‘সি’ ব্লকে ১২৩৮টি, ‘ডি’ ব্লকে ১১২০টি, ‘ই’ ব্লকে ১০২০টি এবং ‘এফ’ ব্লকে ১০৩২টি প্লট।

প্লট বিক্রির জন্য আশিয়ান সিটির মূল টার্গেট ছিল প্রবাসী বাংলাদেশীরা। এজন্য প্রকল্পটি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, আরব আমিরাতসহ বিভিন্ন দেশে আবাসন মেলারও আয়োজন করা হয়েছিল।

প্রবাসীরা আকৃষ্টও হয়েছিলেন। আশিয়ান সিটি প্লট মালিক সমবায় সমিতি জানিয়েছে, প্রায় ৮০ ভাগ প্লটই কিনেছেন প্রবাসীরা। এমনই একজন প্রবাসী আজমল হোসেন। ২০০৭ সালে দুবাই থাকাকালে ৭০ লাখ টাকা দিয়ে দুটি প্লট কেনেন তিনি।

টিবিএসকে তিনি বলেন, ‘একজন দালালের খপ্পরে পড়ে সঞ্চয়ের সব অর্থ দিয়ে প্লট দুটি কিনেছিলাম। প্লট পাইনি। শুধু টাকা পরিশোধের রশিদ আর বরাদ্দের একটি কাগজ পেয়েছি।’

আজমল হোসেনসহ ১৮ জন প্রবাসী একসাথে আশিয়ানের ৪১টি প্লট কিনেছিলেন। তাদের কেউই প্লট পাননি। অনেক চেষ্টা করেও সফল না হওয়ায় আশিয়ানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন তারা।

‘মামলার পর থেকেই হয়রানির শিকার হচ্ছি। জীবন নিয়ে শঙ্কায় আছি। প্লট নিয়ে বিছু বললেই ভাড়াটিয়া মাস্তান দিয়ে শুরু হয় হুমকি-ধামকি। প্লটের আশা তাই ছেড়েই দিয়েছি’- জানান আজমল হোসেন।

খাস জমি, জলাশয়, সাধারণ মানুষের দখল করা জমিতে প্রকল্প

আশিয়ান সিটি প্রকল্পের বি ব্লকে ছয় কাঠা জমির উপর একটি ভবন ছিল আনোয়ারা বেগমের। সম্পর্কে তিনি আশিয়ানের এমডি নজরুল ইসলামের আপন চাচাতো বোন।

ভুয়া দলিল বানিয়ে এই জমি দখল করেন নজরুল ইসলাম। আনোয়ারা জানান, দখলের প্রতিবাদ করায় তার ছোট ভাইকে হাতুরিপেটা করে এক হাত, এক পা ভেঙ্গে দেয়া হয়। ভাই এখন পঙ্গু। বাস্তুচ্যূত আনোয়ারা এখন অন্যত্র ভাড়া বাসায় থাকেন।

আনোয়ারার মতো আরো অনেকেই এভাবেই জমি হারিয়েছেন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে জমির মালিকরা কোনো টাকাও পাননি। জমি দখলের জন্য মারধর, হামলা, মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে দেয়াসহ নানাবিধ কৌশল অবলম্বন করতো আশিয়ান সিটি কর্তৃপক্ষ।

জমি হারানোদের একজন আহসান হাবীব জানান, ‘প্রকল্পের সি ব্লকে আমার ১৬ কাঠা জমি ছিল। ২০০৮ সালে মাত্র ১০ লাখ টাকায় এই জমি কেনার জন্য আমাকে প্রস্তাব দিলে আমি না করে দেই। একদিন সকালে গিয়ে দেখি আমার জমি আশিয়ানের প্লট হয়ে গেছে।’

নিজের জমি ফিরে পাওয়ার চেষ্টা করলে আহসান হাবীবের বিরুদ্ধে আশিয়ান কর্তৃপক্ষ চাঁদাবাজিসহ তিনটি মিথ্যা মামলা দায়ের করে। তার ছেলেকেও কয়েক দফা মারধর করা হয়। থানায় গিয়েও কোনো প্রতিকার পাননি তিনি। জোর করে জমি দখলের এরকম ঘটনা শত শত।

পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযান

জলাশয় দখল ও ভরাট, প্রাকৃতিক পরিবেশ নষ্ট করা, সাধারণ মানুষের জমি জোর করে দখলে নেয়ার অসংখ্য অভিযোগের প্রেক্ষিতে পরিবেশ অধিদপ্তর ২০১১ সালের নভেম্বরে প্রকল্প এলাকায় অভিযান চালায়।

অভিযানে ‘নজিরবিহীন ত্রাস সৃষ্টির মাধ্যমে’ মানুষের জমি, ঘরবাড়ি, কবর দখলের প্রমাণ পায় পরিবেশ অধিদপ্তর। বহু মানুষ আশিয়ান সিটি কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে জমি দখল ছাড়াও নির্মম অত্যাচার, নিপীড়ন ও নির্যাতনের বর্ণনা দেন।

অবৈধ কর্মকান্ডের জন্য পরিবেশ অধিদপ্তর আশিয়ান ল্যান্ডস ডেভেলপমেন্টস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. নজরুল ইসলাম ভূইয়াকে ৫০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

আশিয়ান সিটির কর্মকর্তারা জবরদখলকৃত জমির মূল্য মালিকদের দেয়ার অঙ্গীকার করেন এবং জানান, প্রকল্পে অনুমোদনহীন কোনো কাজ তারা আর করবেন না।

এসব অঙ্গীকারের কিছুই রাখে নি আশিয়ান সিটি কর্তৃপক্ষ। ৫০ লাখ টাকার জরিমানা পরে ৫ লাখ টাকায় নামিয়ে আনা হয়।

এ সম্পর্কে জানতে চাইলে পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. একেএম রফিক আহাম্মদ কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

নকশায় প্লট, বাস্তবে নেই

তৎকালীন বিএনপি সরকারের আমলে, ২০০৫ সালে প্রকল্পের জন্য রাজউক ও ঢাকা জেলা প্রশাসন থেকে ৪৩ একর জমির অনুমোদন নেয় আশিয়ান সিটি। পরে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে জমির পরিমাণ ১,১৯৭ একর করে রাজউক ও জেলা প্রশাসনের অনুমোদন নেয়া হয়।

বাস্তবে এই পরিমাণ জমি কখনোই প্রকল্পে ছিল না। আশিয়ান সিটি ক্রেতাদের কাছে বহু বায়বীয় প্লট বিক্রি করেছে।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি সূত্র জানিয়েছে, কমিশনের প্রাথমিক তদন্তে আশিয়ান সিটির জন্য আশিয়ান ল্যান্ডস ডেভেলপমেন্টস লিমিটেডের কেনা জমি পাওয়া গেছে ৩১৮০ কাঠার (১৫৯ বিঘা) মতো। কিন্তু প্লট বিক্রি করা হয়েছে ৩২ হাজার কাঠারও বেশি।

প্লট বিক্রি করে আশিয়ান সিটি দুই হাজার কোটি টাকারও বেশি সংগ্রহ করেছে বলে দুদকের সূত্র জানিয়েছে।

আশিয়ান সিটির কার্যক্রমে সুপ্রিম কোর্টের নিষেধাজ্ঞা

২০১২ সালের ২২ ডিসেম্বর আশিয়ান সিটির কার্যক্রমের উপর নিষেধাজ্ঞা চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করে ৮টি পরিবেশ ও মানবাধিকার সংগঠন।

সংগঠনগুলো হচ্ছে: আইন ও সালিশ কেন্দ্র, অ্যাসোসিয়েশন ফর ল্যান্ড রিফর্ম অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট, বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি, বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন, ইনস্টিটিউট অব আর্কিটেক্ট বাংলাদেশ, নিজেরা করি, পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন।

হাইকোর্ট আশিয়ান সিটির কার্যক্রমে অন্তবর্তী নিষেধাজ্ঞা দিয়ে রুল জারি করে। রুলের শুনানি শেষে ২০১৪ সালের জানুয়ারিতে আশিয়ান সিটি প্রকল্প অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেয় হাইকোর্ট।

এরপর হাইকোর্টেরই আরেকটি বৃহত্তর বেঞ্চে ওই রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ পিটিশনের শুনানি হয়। বৃহত্তর বেঞ্চ ২০১৬ সালের আগস্টে আশিয়ান সিটিকে অবৈধ ঘোষণা করা হাইকোর্টের আগের রায় বাতিল করে দেয়।

রিটকারী সংগঠনগুলো রিভিউ বেঞ্চের রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করলে হাইকোর্টের রায়ে স্থগিতাদেশ দিয়ে আপিল বিভাগ নিয়মিত লিভ টু আপিলের নির্দেশ দেয়। ২০১৭ সালের ৭ আগস্ট আপিলের অনুমতি দেয় আদালত।

একইসাথে আপিলের উপর পূর্ণাঙ্গ শুনানির আদেশ দেয়া হয়। এরপর তিন বছরের বেশি সময় পার হয়েছে, কিন্তু আপিলের নিষ্পত্তি এখনো হয়নি।

এ বিষয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল এএম আমিন উদ্দিন টিবিএসকে বলেন, আশিয়ান সিটি নিয়ে আপিলটি চলমান ভার্চুয়াল আপিল বিভাগে শুনানির জন্য উপস্থাপিত হয়েছিল গত আগস্ট মাসে। তখন আদালত বলেছেন, সশরীরে আপিল বিভাগের কার্যক্রম শুরু হওয়ার শুনানি নেয়া হবে।

অনিশ্চিত বিনিয়োগকারীদের ভবিষ্যত

আশিয়ান সিটির বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগে অর্ধ শতাধিক মামলা হয়েছে রাজধানীর খিলক্ষেত ও উত্তরা থানায়। কোনো মামলাতেই এখন পর্যন্ত চার্জশীট দেয়নি পুলিশ।

এর বাইরে আদালতে মামলা হয়েছে ১৫টি। পুলিশকে এসব মামলা তদন্তের দায়িত্ব দেয় আদালত। এগুলোরও কোনো তদন্ত প্রতিবেদন এখন পর্যন্ত দাখিল করেনি পুলিশ।

বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) প্রধান নির্বাহী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান জানান, ‘সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের শুনানিতে বিনিয়োগকারীদের টাকা ফেরত পাওয়ার নির্দেশনা চেয়ে সম্পুরক আবেদন করা হবে। আশা করছি, আদালত থেকে এ ব্যাপারে একটি সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা পাওয়া যাবে।’

এ ব্যাপারে গৃহায়ন ও গণপূর্ত সচিব মো. শহীদ উল্লা খন্দকার টিবিএসকে বলেন, ‘আশিয়ান সিটির সকল কার্যক্রমের ওপর সুপ্রিম কোর্টের নিষেধাজ্ঞা আছে। মামলাটি আপিল বিভাগে এখনো নিষ্পত্তি হয়নি। এ কারণে এ বিষয়ে মন্তব্য করা সম্ভব নয়।’

তিনি বলেন, তবে রাজউক ও ঢাকা জেলা প্রশাসন কিভাবে এতো বেশি জমিতে প্রকল্প বাস্তবায়নের অনুমোদন আশিয়ান সিটিকে, তা মন্ত্রণালয় খতিয়ে দেখছে।

রাজউক চেয়ারম্যান সাইদ নূর আলম টিবিএসকে বলেন, ‘এটি অনেক দিন আগের বিষয়। সে সময় অন্য চেয়ারম্যান ছিল রাজউকে। বিষয়টি আমার ভালো জানা নেই। তবে উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী আশিয়ান সিটির কার্যক্রম বন্ধ রাখতে রাজউক সব ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে।’

সার্বিক বিষয়ে বক্তব্য জানতে আশিয়ান সিটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. নজরুল ইসলাম ভূইয়ার সঙ্গে সাক্ষাত বা ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

তথ্য সূত্র ও লিংক : দ্য বিজনেস স্টান্ডার্ড

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here