আইপিওতে ১৫ কোটি টাকা তুলবে অ্যাসোসিয়েটেড অক্সিজেন

0
1070

স্টাফ রিপোর্টার : পুঁজিবাজার থেকে অর্থ উত্তোলনের জন্য অ্যাসোসিয়েটেড অক্সিজেন লিমিটেড প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) অনুমোদন দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। বিএসইসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল ইসলামের সভাপতিত্বে ১৬ জুলাই কমিশন সভায় অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

সভা শেষে বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. সাইফুর রহমান জানান, আইপিওতে কোম্পানিটি অভিহিত মূল্যে বা প্রতিটি শেয়ার ১০ টাকা করে ইস্যু করে ১৫ কোটি টাকা উত্তোলন করবে।

বিএসইসি জানিয়েছে, অ্যাসোসিয়েটেড অক্সিজেন ২০১৮-১৯ অর্থবছরে শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) করেছে এক টাকা ৫১ পয়সা। আর শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৭ টাকা ৩৭ পয়সা।

অ্যাসোসিয়েটেড অক্সিজেন লিমিটেড ১৯৯২ সালে বাণিজ্যিক যাত্রা করে। বর্তমানে তারা শিল্প গ্রেডের অক্সিজেন, হিলিয়াম গ্যাস, হাইড্রোজেন গ্যাস, নাইটোজেন গ্যাস, আর্গন গ্যাস (মিশ্র গ্যাস), মেডিকেল গ্রেডের অক্সিজেন, কার্বন-ডাই-অক্সসাইড ও ওয়েল্ডিং গ্যাস উৎপাদন করছে। এছাড়া ওয়েল্ডিং যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশ সরবরাহ করছে।

প্রতিষ্ঠানটি ২০১৮ সালের ২৫ মার্চ পাবলিক লিমিটেড হিসেবে রূপান্তরিত হয়। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির প্রতি ঘণ্টায় অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন উৎপাদন সক্ষমতা আড়াই হাজার ঘনমিটার। আর বর্তমানে বার্ষিক উৎপাদন সক্ষমতা ৯৯ লাখ ২৯ হাজার ২৯০ ঘনমিটার। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি বছরে ৯০ লাখ ৩৫ হাজার ২৯৮ ঘনমিটার গ্যাস উৎপাদন করছে। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটির বার্ষিক হাইড্রোকার্বন গ্যাস উৎপাদন সক্ষমতা দুই লাখ মেট্রিক টন।

২০১৮-১৯ অর্থবছরের অ্যাসোসিয়েটেড অক্সিজেনের মোট বিক্রি ছিল ৪০ কোটি ১০ লাখ টাকা, আগের অর্থবছর যা ছিল ৩১ কোটি ১৪ লাখ টাকা। চলতি অর্থবছর শেষে প্রতিষ্ঠানটির মোট ব্যয় প্রাক্কলন করা হয়েছে ৪২ কোটি ২৭ লাখ টাকা।

২০১৮-১৯ অর্থবছরের অ্যাসোসিয়েটেড অক্সিজেনের নিট মুনাফা ছিল ১০ কোটি ৯৪ লাখ টাকা, যা আগের অর্থবছরের ছিল ১০ কোটি ৭৪ লাখ টাকা।

অ্যাসোসিয়েটেড অক্সিজেন ১ কোটি ৫০ লাখ শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে ১৫ কোটি টাকা উত্তোলন করবে। এর মধ্যে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ৫০ শতাংশ, মিউচুয়াল ফান্ড ১০ শতাংশ, প্রবাসী বিনিয়োগীকারী ১০ শতাংশ ও প্রাতিষ্ঠানিক ও অন্যান্য বিনিয়োগকারীদের জন্য ৩০ শতাংশ শেয়ার বরাদ্দ থাকবে।

সংগৃহীত অর্থ থেকে নতুন প্লান্ট ও শেড নির্মানে ব্যয় হবে ৬ কোটি ৮১ লাখ টাকা। নতুন যন্ত্রপাতি ক্রয় ও স্থাপনে ব্যয় হবে ৪ কোটি ২৪ লাখ টাকা। ব্যাংকের ঋণ পরিশোধ করা হবে ২ কোটি টাকা ও বাকি টাকা আইপিও প্রক্রিয়ায় খরচ হবে।

উল্লেখ্য, ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে আছে বিডি ফাইন্যান্স ক্যাপিটাল হোল্ডিংস লিমিটেড। আন্ডার রাইটার প্রতিষ্ঠান এনআরবি ইক্যুইটি ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here