আইপিও লটারির সংগৃহিত ছবি-

সিনিয়র রিপোর্টার : অ্যাডভেন্ট ফার্মাসিটিক্যালস লিমিটেড চলতি ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে ১১টি নতুন পণ্যের অনুমোদন পেয়েছে। ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রাশন অধিদপ্তর থেকে কোম্পানিটি নতুন আরো ৭টি পণ্যের অনুমোদন পেতে যাচ্ছে।

মোট ১৮ প্রকার নতুন ওষুধের উৎপাদন আগামী এপ্রিল-মে মাসে শুরু হবে। এতে বাৎসরিক প্রায় ১০ কোটি টাকার আয় হবে বলে প্রাথমিকভাবে লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে কোম্পানির কর্তৃপক্ষ। কোম্পানির বিশেষ একটি সূত্র স্টক বাংলাদেশকে এ সব তথ্য জানিয়েছে।

বিশেষ সূত্র জানায়, ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রাশন অধিদপ্তর থেকে নতুন ১১টি নতুন ওষুধের অনুমোদন পেয়েছে। নতুন পণ্যেগুলোর মধ্যে রয়েছে- ৬টি ইনজেকটেবল থ্রেপেটিক ক্লাস, ৪টি লিকুইড আইটেম এবং একটি বলস আইটেম। গবাদীপশুর জন্য এসব ওষুধ কোম্পানি নিজস্ব কারখানায় উৎপাদন শেষে আগামী জুন মাসে বাজারজাত করা হবে।

দেশিয় বাজার দখলে চলতি ফেব্রুয়ারি মাসে আরো ৭টি ওষুধের অনুমোদন পেতে যাচ্ছে। তবে কি ধরণের ওষুধ তা প্রকাশ করেনি কোম্পানির কর্তৃপক্ষ। তবে সারাদেশের বাজারে গবাদীপশুর জন্য এসব ওষুধ ছাড়া হবে।

অ্যাডভেন্ট ফার্মাসিটিক্যালস লিমিটেডের নতুন কার্যালয়ে কাকরাইলে নুতন ওষুধের উৎপাদন নিয়ে কথা বলেন কোম্পানির সিএফও মোহাম্মদ মহসীন মিয়া। সম্প্রতি তিনি বলেন, নতুন ১১টির অনুমোদন পেয়েছি, আরো ৭টির সম্ভাবনা রয়েছে।

কোম্পানির আয় সম্পর্কে তিনি বলেন, প্রতি প্রডাক্টে মাসিক ৫লাখ করে আয় হলে বছরে ৬০ লাখ টাকা আসে। ১১টি প্রডাক্টে প্রায় সাড়ে ৬কোটি টাকা আসবে। আমরা চেষ্টা করছি, আরো ভাল করতে। নতুন পণ্য বাজারজাত হলে ভালো হবে।

মোট ১৮টি পণ্যে প্রায় ১০ কোটি টাকা বছরে আয় হবে বলে প্রাথমিকভাবে লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে কোম্পানির কর্তৃপক্ষ।

তবে দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির মুনাফা আগের বছরের তুলনায় কমেছে। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, কোম্পানির ঘোষিত বোনাস লভ্যাংশ ‘এডজাস্ট’ করায় মুনাফা কমেছে। তবে কোম্পানি নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে বলে তিনি জানান।

ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, অ্যাডভেন্ট ফার্মার দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’১৯) শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ৫২ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে আয় ছিল ৫৭ পয়সা।

ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর,১৯) কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ১৫ পয়সা। আগের বছর একই সময় ছিল ১ টাকা ৭ পয়সা।

২০১৮ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিটি ৩১ ডিসেম্বর ২০১৯ শেষে কোম্পানির শেয়ার প্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য দাঁড়িয়েছে ১৩ টাকা ২৪ পয়সা ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here