স্টাফ রিপোর্টার : সিনোবাংলা ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের তৃতীয় প্রান্তিক শেষে ইপিএস হয়েছে  ১.২১ পয়সা।বিনিয়োগকারীরা আশাবাদী চলতি বছরে ভাল লভ্যাংশ প্রদানের মাধ্যেমে কোম্পানিটি পূর্বের মত এ ক্যাটাগরি ফিরে আসবে।

বিগত বছরসমূহ পর্যালোচনা করে দেখা গেছে মাত্র ৮ পয়সা ইপিএসেও সিনোবাংলা বিনিয়োগকারীদেরকে ক্যাশ লাভ্যাংশ প্রদান করেছে ২০০৪ সালে এবং লাভ্যাংশ প্রদানের ধারাবাহিকতা রক্ষা করে ২০১৫ সাল পর্য়ন্ত ক্যাশ লাভ্যাংশ প্রদান করে। কিন্তু গত বৎসর নিয়ন্ত্রক সংস্থার বাধ্যবাধকতায় মাত্র ৮ মাসে হিসাব বৎসর শেষ করে সিনোবাংলা, ফলে লভ্যাংশ দিতে ব্যর্থ হয় প্রতিষ্ঠানটি। ফলশ্রুতিতে ‘এ’ থেকে ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে নেমে যায় সিনোবাংলা।

 সূত্র: www.stockbangladesh.mobi

বিনিয়োগকারী আরিফুর রহমান বলেন, সিনোবাংলা ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড বরাবর লাভ্যাংশ প্রদান করে কিন্তু গত বছরে সাময়িক সমস্যার কারনে হয়তো লাভ্যাংশ প্রদান করতে পরেনি। আশা করছি এ বছর লাভ্যাংশ প্রদান করে ‘এ’ ক্যাটাগরিতে ফিরে আসবে। কোম্পানির ব্যবস্থাপনার ্কর্তৃপক্ষের উপর সে বিশ্বাস আমাদের আছে। আর কোম্পানির অবস্থা ভাল বলেই কোম্পানি নতুন করে সম্প্রসাররে যেতে পারছে ,জমি কিনেছে,নতুন ম্যাশিনারিজ স্থাপন করেছে।

এদিকে  সিনোবাংলা ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডে বাড়ছে বিদেশী ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ, কমছে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের শেয়ার। দ্বিতীয় ও তৃতীয় প্রান্তিকে ধারাবাহিকতা রক্ষা করে  ভাল ইপিএস করছে কোম্পানিটি।

ডিএসইতে প্রকাশিত  দ্বিতীয়  প্রান্তিকের ইপিএস।

দেখা যাচ্ছে সিনোবাংলা দ্বিতীয়  প্রান্তিকে গত বছরের তুলনায় শেয়ার প্রতি ৮ পয়সা বেশি ইপিএস করেছে। এর ধারাবাহিকতায়  তৃতীয় প্রান্তিকে গত বছরের তুলনায় ডবল ইপিএস করেছে। বিগত বছরগুলো  পর্যাচোলনা করে দেখা যায়,কোম্পানিটি কখন বোনাস ঘোষণা না করে ক্যাশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। যা একটি ভাল ব্যবস্থাপনার সাইন।

ডিএসইতে প্রকাশিত তৃতীয়  প্রান্তিকের ইপিএস।

সূত্র ডিএসই। বিদেশী বিনিয়োগকারীদের শেয়ার ধারণের চিত্র।

কোম্পানিটি সাম্প্রতিক সময়ে নতুন করে সম্প্রসারণে যাওয়ার ঘোষণা দেয় এবং এ লক্ষ্যে ফ্যাক্টরি প্রাঙ্গনের আশেপাশে জমি ক্রয় করে।

পাশাপাশি বিদেশ থেকে ৭ ক্যাটাগরির নতুন মেশিনও আমদানির করেছে। এর জন্য কোম্পানিটির ব্যয় হয়েছে প্রায় ২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার যা বাংলাদেশী মুদ্রায় ১৬ কোটি টাকা সমান।

সিনোবাংলার আমদানীকৃত নতুন মেশিন।

যার মধ্যে রয়েছে একটি ভিআইজেড, একটি টেপ লাইন, ২০টি লুম, একটি বেল প্রেস মেশিন, একটি অটো কাটিং সুইং মেশিন, একটি প্রিন্টিং মেশিন, ৮টি সনিক সুইং মেশিন এবং অতিরিক্ত ওয়্যারহাউস। এতে কোম্পানিটির মাসিক উৎপাদন ১৫০ মেট্রিক টন বাড়বে।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here