সিনিয়র রিপোর্টার : বিভিন্ন অনিয়মের কারণে শাস্তি পেতে যাচ্ছেন ১১টি কোম্পানির পরিচালক। কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ ইতোমধ্যে তদন্ত করে সত্যতা নিশ্চিত করা হয়েছে। অপরাধ অনুযায়ী শিগগিরই শাস্তি নির্ধারণ প্রক্রিয়া শুরু হবে। নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) এমন তথ্য নিশ্চিত করেছে।

বিএসইসি জানায়, মূল্য সংবেদনশীল তথ্য, মালিকানা পরিবর্তন নিয়ে জটিলতা এবং কারণ ছাড়াই অস্বাভাবিক শেয়ারদর বৃদ্ধির অভিযোগ রয়েছে। ‘জেড’ ক্যাটাগরি ৮টি এবং দেশের আলেচিত আরো ৩টি কোম্পানির বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন জমা হয়েছে।

কোম্পানিগুলো হলো- ‘জেড’ ক্যাটাগরির রহিমা ফুড, ফাইন ফুডস লিমিটেড, বিডি অটোকার্স, মেঘনা পেট ইন্ডাস্ট্রিজ, মেঘনা কনডেন্স মিল্ক, ঝিলবাংলা সুগার মিলস, ইমাম বাটন এবং শ্যামপুর সুগার মিলস লিমিটেড।

অস্বাভাবিক শেয়ারদর বৃদ্ধির বিপরীতে ডরিন পাওয়ার জেনারেশন ও ন্যাশনাল ব্যাংকের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল। এখন বিদ্যমান আইনের অধীনে বিএসইসি’র এনফোর্সমেন্ট বিভাগ শাস্তি ও বিচারিক প্রক্রিয়া শুরু করবে।

বিএসইসি’র মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক মো. সাইফুর রহমান জানান, ইতোমধ্যে তদন্ত কার্যক্রম শেষ হয়েছে। শাস্তি নির্ধারণ ও কার্যকর করার দায়িত্ব এনফোর্সমেন্ট বিভাগের। তারা এখন বাকি প্রক্রিয়া বিদ্যমান আইনের অধীনে সম্পন্ন করবে। কোম্পানি এবং অনিয়মের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ব্যাপারে কমিশন কোনো ছাড় দেবে না’।

উল্লেখ্য, মালিকানা পরিবর্তনের খবরে অস্বাভাবিক শেয়াদর বৃদ্ধি পায় রহিমা ফুড এবং লভ্যাংশ ঘোষণায় ডরিন পাওয়ারের শেয়ারদর বাড়তে থাকে। অন্যদিকে কর্মকর্তাদের জন্য ৫০টি ফ্ল্যাট কেনার অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেডের (এনবিএল) বিরুদ্ধে।

ন্যাশনাল ব্যাংক সাড়ে ৫৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ধানমন্ডিতে ৭৪ হাজার ৯৭০ স্কয়ার ফিটের ৫০টি ফ্ল্যাট কেনার ঘোষণা দেয়। ঘোষণার পরে তদন্তের মুখে পড়েছে ন্যাশনাল ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here