ডলারের মূল্য সর্বোচ্চ, নিম্নমুখী স্বর্ণের দর

0
1382

বিজনেস রেকর্ডার : আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমেছে মূল্যবান ধাতু স্বর্ণের। ধাতুটির দরপতনে ভূমিকা রেখেছে শক্তিশালী ডলার। পাশাপাশি চলতি মাসে যুক্তরাষ্ট্রে সুদহার বাড়ানো হতে পারে— এমন খবর স্বর্ণের বাজারকে নিম্নমুখী করেছে।

নিউইয়র্ক মার্কেন্টাইল এক্সচেঞ্জের (নিমেক্স) কোমেক্স বিভাগে তাত্ক্ষণিক সরবরাহ চুক্তিতে প্রতি আউন্স স্বর্ণ বিক্রি হয়েছে ১ হাজার ২৪৩ ডলার ২০ সেন্টে, যা বুধবারের তুলনায় দশমিক ৫ শতাংশ কম। এর আগে গত সোমবার প্রতি আউন্স স্বর্ণ বিক্রি হয়েছিল ১ হাজার ২৬৩ ডলার ৮০ সেন্টে। সেটি ছিল ২০১৬ সালের ১১ নভেম্বরের পর ধাতুটির সর্বোচ্চ দর।

বৃহস্পতিবার ভবিষ্যত্ সরবরাহ চুক্তিতেও দাম কমেছে স্বর্ণের। এদিন ভবিষ্যত্ সরবরাহ চুক্তিতে ধাতুটির দাম দশমিক ৫ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ১ হাজার ২৪৩ ডলার ৮০ সেন্টে লেনদেন হয়েছে।

আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম কমলেও বাজারটিকে এখনো অস্থিতিশীল বলতে রাজি নন কোপেনহেগেনভিত্তিক সাক্সো ব্যাংকের প্রধান পণ্যবাজার বিশ্লেষক ওলে হেনসেন।

তিনি বলেন, স্বর্ণের বাজারকে বৃহস্পতিবার নিম্নমুখী রাখতে তিনটি বিষয় কাজ করেছে। প্রথমত. শক্তিশালী ডলার, দ্বিতীয়ত. ধাতুটির উত্পাদন বৃদ্ধি ও আন্তর্জাতিক বাজারে বাড়তি মজুদের কারণে নিম্নমুখী হয়েছে স্বর্ণের দাম। এসব বিষয় বিবেচনায় আনলে স্বর্ণের দরপতনকে খুব বেশি মনে হয় না।

ইউরোপের বাজারে স্বর্ণের মজুদ বেড়ে ১৫ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চে উঠেছে বৃহস্পতিবার। একই দিন প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী মুদ্রাগুলোর বিপরীতে ডলারের অবস্থানও ছিল শক্তিশালী। পাশাপাশি চলতি মাসের শেষ নাগাদ যুক্তরাষ্ট্রে সুদহার বাড়ানোর ইঙ্গিত দিয়ে রেখেছে দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ (ফেড)।

সুদহার বাড়ানোসহ আরো কিছু আর্থিক নীতি নিয়ে গতকাল ফেডপ্রধান জ্যানেট ইয়েলেনের বক্তব্য দেয়ার কথা। এসব বিষয় ফেডের আগামী বৈঠকে (১৪-১৫ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে) উপস্থাপন করা হবে। এ কারণে ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীরা বেশ সতর্ক অবস্থায় রয়েছেন।

বাজার বিশ্লেষকরা ধারণা করছেন, জ্যানেট ইয়েলেনের বক্তব্যের পর স্বর্ণের দাম আরো কমতে পারে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here