ভীতি নয়, ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করার আহ্বান

0
2874

সিনিয়র রিপোর্টার : মুদ্রানীতি ঘোষণার সময় শেয়ারবাজারে ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে -বলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. ফজলে কবির। ‘ভীতি সঞ্জার করে’ এমন মন্তব্যের কারণে দরপতন হয়েছে বলে তাকে দায়ী করেছেন অনেকে।

অন্যদিকে, ভীত না হয়ে বিনিয়োগকারীদের ‘ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করার’ আহ্বান জানিয়েছেন পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্টরা।

মূদ্রানীতি ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নজরদারী সম্পর্কে ডিএসইর পরিচালক ও সাবেক সভাপতি রকিবুর রহমান বলেন, ব্যাংকের বিনিয়োগ নজরদারি করা প্রতিদিনের কাজ। বিষয়টি নতুন করে ফলাও করে বলার যুক্তি নেই। কিন্তু গভর্নর তাই করেছেন।

তিনি বলেন, শেয়ারবাজার ইস্যুতে তার বলার ভঙ্গি ঠিক ছিল না। তিনি বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ভীতি ছড়িয়েছেন। এ কারণে বড় দরপতন হয়েছে।

শেয়ারবাজারের লেনদেন পর্যবেক্ষণে করলে দেখা যায়, সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় অধিকাংশ শেয়ারের দরবৃদ্ধির মধ্য দিয়ে দিনের লেনদেন শুরু হয়। এতে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স মাত্র ২ মিনিটের মধ্যে ২৮ পয়েন্ট বেড়ে ৫৬৪৬ পয়েন্টে ওঠে। এ অবস্থা ২-৩ মিনিট স্থায়ী ছিল।

পরের ২৫ মিনিটে অনেক শেয়ার, বিশেষত ব্যাংক কোম্পানিগুলোর শেয়ারদর কমতে থাকলে সূচক আগের অবস্থান থেকে ৪৯ পয়েন্ট হারিয়ে ৫৫৯৭ পয়েন্টে নামে। মাঝে কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা থাকলেও নিয়মিত বিরতিতে দরপতন ত্বরান্বিত হয়েছে। শেষ পর্যন্ত সূচক কমেছে প্রায় ১১৭ পয়েন্ট।

মঙ্গলবার সকাল ১১টা পর্যন্ত লেনদেন বেশ ভালো লক্ষ্য করা গেচে। যে কারণে মুদ্রানীতি নিয়ে ভীতি অনেকটা কমেছে বলে প্রাতমিক ধারণা করা হচ্ছে। দিন শেষে এখন দেখার পালা।

আরো জানতে চাইলে বিনিয়োগকারীদের উদ্দেশে রকিবুর রহমান স্টক বাংলাদেশকে বলেন, মুদ্রানীতিতে শেয়ারবাজারের জন্য খারাপ কিছু নেই। তাই ভয় পাওয়ার কিছু নেই। যারা ভালো শেয়ার কিনেছেন, তারা ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করলে মুনাফা পাবেন। আর ভয়ে শেয়ার বিক্রি করতে থাকলে শুধু ক্ষতিই হবে।

একই ধরনের মন্তব্য করেছেন মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর সংগঠন বিএমবিএর সভাপতি ছায়েদুর রহমান।

তিনি বলেন, মুদ্রানীতি ঘোষণা করতে গিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক যেভাবে শেয়ারবাজার ইস্যু টেনে এনেছে, তা ছিল এককথায় অপ্রত্যাশিত ও অনভিপ্রেত।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here