রোববারের ৩৭টি কোম্পানির আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ

0
3680

স্টাফ রিপোর্টার : পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বিভিন্ন খাতের ৩৭টি কোম্পানি রোববার দ্বিতীয় প্রান্তিকের (জুলাই-ডিসেম্বর, ১৬) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। কোম্পানিগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত নিচে

একটিভ ফাইন কেমিক্যালস : দ্বিতীয় প্রান্তিকে একটিভ ফা্ইনের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.৬৬ টাকা। যা আগেরবছরে একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ১.৬১ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানিটির ইপিএসবেড়েছে ০.০৫ টাকা।

এছাড়া কোম্পানির শেয়ার প্রতি কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ২.৭১ টাকা এবংশেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ২৩.৩৫ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে এনওসিএফপিএস ছিল১.৮৯ টাকা এবং ৩০ জুন, ২০১৬ সমাপ্ত অর্থবছরে এনএভিপিএস ছিল ২৮.৫২ টাকা।

এদিকে, গত তিন মাসে (অক্টোবর–ডিসেম্বর ১৬) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৮৮টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে আয় ছিল ০.৮৭ টাকা।

ম্যাকসন স্পিনিং : দ্বিতীয় প্রান্তিকে ম্যাকসন স্পিনিংয়ের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.১৭ টাকা, শেয়ার প্রতি কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ১.১৬৫ টাকা (নেগেটিভ) এবং শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ১৯.৬৭ টাকা।

যা আগের বছরে একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ০.১৩ টাকা, এনওসিএফপিএস ছিল ০.৫৫৪ টাকা (নেগেটিভ) এবং ৩০ জুন, ২০১৬ সমাপ্ত অর্থবছরে এনএভিপিএস ছিল ১৯.৫০ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানিটির ইপিএস বেড়েছে ০.০৪ টাকা।

গত তিন মাসে (অক্টোবর-ডিসেম্বর ১৬) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.০৩ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে আয় ছিল ০.০৮ টাকা।

এনভয় টেক্সটাইলস লিমিটেড : দ্বিতীয় প্রান্তিকে এনভয় টেক্সটাইলসের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৮৮ টাকা, শেয়ার প্রতি কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ২.৫০ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ৩৭.৩৭ টাকা।

যা আগের বছরে একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ১.৪১ টাকা,  এনওসিএফপিএস ছিল ১.৫৬ টাকা এবং ৩০ জুন, ২০১৬ সমাপ্ত অর্থবছরে এনএভিপিএস ছিল ৩৭.৬২ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানিটির ইপিএস কমেছে ০.৫৩ টাকা বা ৩৭.৫৯ শতাংশ।

গত তিন মাসে (অক্টোবর-ডিসেম্বর ১৬) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩.২৯ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে আয় ছিল ১.৭৪ টাকা।

মেট্রো স্পিনিং লিমিটেড : দ্বিতীয় প্রান্তিকে মেট্রো স্পিনিংয়ের শেয়ার প্রতি আয়(ইপিএস) হয়েছে ০.২৯ টাকা (নেগেটিভ), শেয়ার প্রতি কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে(এনওসিএফপিএস) ০.৯৮ টাকা (নেগেটিভ) এবং শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ১৬.০৬টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে ইপিএস ছিল ০.১১ টাকা, এনওসিএফপিএস ছিল ০.৩৭ টাকা (নেগেটিভ) এবং ৩০ জুন ২০১৬ পর্য়ন্ত এনএভিপিএস ছিল ১৬.১২ টাকা।

এদিকে, গত তিন মাসে (অক্টোবর–ডিসেম্বর ১৬) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.২০ টাকা (নেগেটিভ)। যা আগের বছরে একই সময়ে ইপিএস ছিল ০.০৫ টাকা।

স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস : দ্বিতীয় প্রান্তিকে স্কয়ার ফার্মার শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ৭.১১ টাকা, শেয়ার প্রতি সমন্বিত কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ৮.৫৪ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সমন্বিত সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাড়িয়েছে ৬৩ টাকা।

যা আগের বছরে একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ৬.১০ টাকা,  এনওসিএফপিএস ছিল ৮.৯৩ টাকা এবং ৩০ জুন, ২০১৬ সমাপ্ত অর্থবছরে এনএভিপিএস ছিল ৫৯.১৩ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানিটির ইপিএস বেড়েছে ১.০১ টাকা বা ১৬.৫৬ শতাংশ।

গত তিন মাসে (অক্টোবর-ডিসেম্বর ১৬) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩.৫৮ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে আয় ছিল ৩.২১ টাকা।

সাভার রিফ্যাক্টরিজ লিমিটেড : দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ০.৭২ টাকা। যা আগের বছর একই সময় ছিল ০.৬২ টাকা। সে হিসেবে কোম্পনির শেয়ার প্রতি লোকসান বেড়েছে ০.১০ টাকা।

এছাড়া কোম্পানির শেয়ার প্রতি কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ০.৯৪ টাকা (নেগেটিভ) এবং শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ৫.৫৬ টাকা। যা আগের বছরে একইসময়ে এনওসিএফপিএস ছিল ৩.১৮ টাকা (নেগেটিভ) এবং ৩০ জুন ২০১৬ পর্যন্ত এনএভিপিএস ছিল৬.২৮ টাকা।

এদিকে, গত তিন মাসে (অক্টোবর–ডিসেম্বর ১৬) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ০.৪১ টাকা।যা আগের বছরে একই সময়ে ইপিএস ছিল ০.৩৫ টাকা।

বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানি লিমিটেড : দ্বিতীয় প্রান্তিকে সাবমেরিন ক্যাবলের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৬৭ টাকা, শেয়ার প্রতি কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ০.৭৪ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ৩৪.৪১ টাকা।

যা আগের বছরে একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ০.২৫ টাকা,  এনওসিএফপিএস ছিল ০.৯৮ টাকা এবং ৩০ জুন, ২০১৬ সমাপ্ত অর্থবছরে এনএভিপিএস ছিল ৩৩.৯৫ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানিটির ইপিএস বেড়েছে ০.৪২ টাকা বা ১৬৮ শতাংশ।

গত তিন মাসে (অক্টোবর-ডিসেম্বর ১৬) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৩৬ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে আয় ছিল ০.১২ টাকা।

অগ্নি সিস্টেসম লিমিটেড : দ্বিতীয় প্রান্তিকে অগ্নি সিস্টেমসের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৫১ টাকা, শেয়ার প্রতি কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ০.৫৬ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ১৫.৭১ টাকা।

যা আগের বছরে একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ০.৪০ টাকা,  এনওসিএফপিএস ছিল ০.৪৮ টাকা (নেগেটিভ) এবং ৩০ জুন, ২০১৬ সমাপ্ত অর্থবছরে এনএভিপিএস ছিল ১৫.২০ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানিটির ইপিএস বেড়েছে ০.১১ টাকা বা ২৭.৫০ শতাংশ।

গত তিন মাসে (অক্টোবর-ডিসেম্বর ১৬) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.২৪ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে আয় ছিল ০.১৭ টাকা।

এএফসি এগ্রো বায়োটেক : জুলাই-ডিসেম্বর’১৬ এই ছয় মাসে কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ১.৬৭ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ১.৪৯ টাকা। এছাড়া দ্বিতীয় প্রান্তিকে অর্থাৎ অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর এই তিন মাসে কোম্পানির ইপিএস হয়েছে ০.৮৫ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ০.৭৫ টাকা।

৩১ ডিসেম্বর ২০১৬ পর্যন্ত কোম্পানির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) হয়েছে ১৫.৬৫ টাকা। ৩০ জুন, ২০১৬ পর্যন্ত কোম্পানির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৬.৭৮ টাকা।

খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগ লিমিটেড : দ্বিতীয় প্রান্তিকে খান ব্রার্দাসের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৩৬ টাকা, শেয়ার প্রতিকার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ০.১৯ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সম্পদ(এনএভিপিএস) হয়েছে ১৩.০২ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ০.৬৩টাকা (restated), এনওসিএফপিএস ছিল ০.০৩ টাকা এবং ৩০ জুন, ২০১৬ সমাপ্ত অর্থবছরে এনএভিপিএসছিল ১২.২৮ টাকা।

এদিকে, গত তিন মাসে (অক্টোবর–ডিসেম্বর ১৬) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.১৬টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে আয় ছিল ০.২৭ টাকা (restated)।

এইচআর টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড : দ্বিতীয় প্রান্তিকে এইচআর টেক্সটাইলের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৭৯ টাকা, শেয়ার প্রতি কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ৬.৪১ টাকা (নেগেটিভ) এবং শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ১৪.০২ টাকা।

যা আগের বছরে একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ০.৮৮ টাকা, এনওসিএফপিএস ছিল ৩.১২ টাকা এবং ৩০ জুন, ২০১৬ সমাপ্ত অর্থবছরে এনএভিপিএস ছিল ১৪.২৩ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানিটির ইপিএস কমেছে ০.০৯ টাকা।

গত তিন মাসে (অক্টোবর-ডিসেম্বর ১৬) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৫৬ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে আয় ছিল ০.৩০ টাকা।

ডেফোডিল কম্পিউটার্স লিমিটেড : দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.১৫ টাকা। যা আগেরবছরে একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ০.৮১ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানিটির ইপিএস বেড়েছে ০.৩৪ টাকা।

এছাড়া কোম্পানির শেয়ার প্রতি কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ১.২৫ টাকাএবং শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ১৩.৬৭ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়েএনওসিএফপিএস ছিল০.৫০ টাকা এবং ৩০ জুন, ২০১৬ সমাপ্ত অর্থবছরে এনএভিপিএস ছিল ১২.৫৩ টাকা।

এদিকে, গত তিন মাসে (অক্টোবর–ডিসেম্বর ১৬) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৫৯টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে আয় ছিল ০.৪০ টাকা।

আইটি কনসালট্যান্টস লিমিটেড (আইটিসি) : দ্বিতীয় প্রান্তিকে আইটিসি’র শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৪৯ টাকা, শেয়ার প্রতি কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ০.৫৯ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ১৮.৪৬ টাকা।

যা আগের বছরে একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ০.১৮ টাকা,  এনওসিএফপিএস ছিল ০.৮৩ টাকা (নেগেটিভ) এবং ৩০ জুন, ২০১৬ সমাপ্ত অর্থবছরে এনএভিপিএস ছিল ১৯.৩৭ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানিটির ইপিএস বেড়েছে ০.৩১ টাকা বা ১৭২.২২ শতাংশ।

গত তিন মাসে (অক্টোবর-ডিসেম্বর ১৬) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৩৬ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে আয় ছিল ০.২৩ টাকা।

স্কয়ার টেক্সটাইল লিমিটেড : দ্বিতীয় প্রান্তিকে স্কয়ার টেক্সটালের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.৫৩ টাকা, শেয়ার প্রতিকার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ২.৯৭ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সম্পদ(এনএভিপিএস) হয়েছে ৪০.২৯ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ২.১২টাকা, এনওসিএফপিএস ছিল ৪.৬৬ টাকা এবং ৩০ জুন, ২০১৬ সমাপ্ত অর্থবছরে এনএভিপিএস ছিল ৪১.০৩টাকা।

এদিকে, গত তিন মাসে (অক্টোবর–ডিসেম্বর ১৬) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৫৩টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে আয় ছিল ০.৯৭ টাকা।

ফাইন ফুডস লিমিটেড : দ্বিতীয় প্রান্তিকে ফাইন ফুডসের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৪১১ টাকা। যা আগেরবছরে একই সময়ে লোকসান ছিল ০.২৩৯ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানিটি লোকসান থেকে মুনাফায় ফিরেছে।

এছাড়া আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে(এনওসিএফপিএস) ০.০৭০ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ১০.৮১১ টাকা। যা আগেরবছরে একই সময়ে এনওসিএফপিএস ছিল ০.০৪৮ টাকা এবং এনএভিপিএস ছিল ৯.৫৫৩ টাকা।

কেডিএস এক্সেসরিজ লিমিটেড : দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পনিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.২৮ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ১.০৮ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানিটির ইপিএস বেড়েছে ০.২০ টাকা।

এছাড়া কোম্পানির শেয়ার প্রতি কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ০.৪২ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ২৩.৫৫ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে এনওসিএফপিএস ছিল ৪.৬০ টাকা (নেগেটিভ) এবং ৩০ জুন, ২০১৬ সমাপ্ত অর্থবছরে এনএভিপিএস ছিল ২৪.৯৯ টাকা।

এদিকে, গত তিন মাসে (অক্টোবর–ডিসেম্বর ১৬) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৯০ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে আয় ছিল ০.৭৪ টাকা।

অলিম্পিক এক্সেসরিজ লিমিটেড : অর্ধবার্ষিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৬২ টাকা। এর আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ০.৬৭ টাকা।

এ সময় কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ১৫.৫৩ টাকা। ৩০ জুন, ২০১৬ সমাপ্ত অর্থবছরে  শেয়ার প্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভি) ছিলো ১৬.৭০ টাকা।

এবং শেয়ার প্রতি নগদ কার্যকর প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ০.৬৫ টাকা।  যা আগের বছর একই সময়ে ছিলো ০.২৮ টাকা।

সাইফ পাওয়ারটেক লিমিটেড : দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পনিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩.০১ টাকা (বেসিক)। যা আগের বছরে একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ২.১৬ টাকা (বেসিক)। সে হিসেবে কোম্পানিটির ইপিএস বেড়েছে ০.৮৫ টাকা।

এছাড়া কোম্পানির শেয়ার প্রতি কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ১.৬১ টাকা এবংশেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ২০.৯০ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে এনওসিএফপিএস ছিল ৭.১৫ টাকা এবং ৩০ জুন, ২০১৬ সমাপ্ত অর্থবছরে এনএভিপিএস ছিল ২৩.২২ টাকা।

দ্যা পেনিনসুলা চিটাগাং লিমিটেড : দ্বিতীয় প্রান্তিকে পেনিনসুলা’র শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৬৬ টাকা, শেয়ার প্রতি কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ০.১০ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ৩০.৮১ টাকা।

যা আগের বছরে একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ০.৭২ টাকা,  এনওসিএফপিএস ছিল ০.৬৪ টাকা এবং ৩০ জুন, ২০১৬ সমাপ্ত অর্থবছরে এনএভিপিএস ছিল ৩১.১৬ টাকা।

ফার কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড : দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পনিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.২৩ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ১.৩৭ টাকা (restated)।

এছাড়া কোম্পানির শেয়ার প্রতি কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ১.৬৫ টাকাএবং শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ১৪.৬৯ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে এনওসিএফপিএস ছিল ০.৫৯ টাকা(restated) এবং এনএভিপিএস ছিল ১৩.১৪ টাকা(restated)।

এদিকে, গত তিন মাসে (অক্টোবর–ডিসেম্বর ১৬) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৫২ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে আয় ছিল ০.৫৬ টাকা(restated)।

এটলাস বাংলাদেশ লিমিটেড : অর্ধবার্ষিকে (জুলাই’১৬ থেকে ডিসেম্ব’১৬) কোম্পানির শেয়ার প্রতি লোকসান (ইপিএস) হয়েছে ১.৫০ টাকা। যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ০.৯৬  টাকা (পূর্নমূল্যায়িত)। সে হিসেবে কোম্পানির লোকসান বেড়েছে ৫৬.২৫ শতাংশ।

তাছাড়া আলোচিত সময়ে কোম্পানির শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ১৬৬ টাকা। যা ৩০ ২০১৬ শেষে ছিল ১৭৭ টাকা। অর্ধবার্ষিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি কার্যকর নগদ প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ৩.৪৫ টাকা (ঋণাত্মক)। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৭.১৮ টাকা (নেগেটিভ)।

এদিকে, দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর‘১৬) কোম্পানির শেয়ার প্রতি লোকসান (ইপিএস) হয়েছে ০.৮৪ টাকা। এর আগের বছরের একই সময়ে লোকসান ছিল ০.২১ টাকা (পূর্নমূল্যায়িত)।

ইস্টার্ন হাউজিং লিমিটেড : জুলাই-ডিসেম্বর’১৬ এই ছয় মাসে এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.৪৯ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ০.৮৬ টাকা। এছাড়া দ্বিতীয় প্রান্তিকে অর্থাৎ অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর এই তিন মাসে কোম্পানির ইপিএস হয়েছে ০.৭৪ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ০.৪০ টাকা।

কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নেট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ৬.০৬। গত অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ৩.০১ টাকা (নেগেটিভ)।

৩১ ডিসেম্বর ২০১৬ পর্যন্ত কোম্পানির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) হয়েছে ৫৫.৬৭ টাকা। ৩০ জুন, ২০১৬ পর্যন্ত কোম্পানির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৬৪.৪৫ টাকা।

গোল্ডেন হার্ভেস্ট এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড : দ্বিতীয় প্রান্তিকে এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৮৯ টাকা, শেয়ার প্রতি কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ০.৯৭ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ২৩.৬১ টাকা।

যা আগের বছরে একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ০.৬১ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ৪৭ শতাংশ।

সোনারগাঁও টেক্সটাইল লিমিটেড : দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পনিটির শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ০.৬৭ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ০.০৬ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানিটি লাভ থেকে লোকসানে অবস্থান করছে।

এছাড়া আলোচিত সময়ে কোম্পানির শেয়ার প্রতি কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে(এনওসিএফপিএস) ০.০৩ টাকা (নেগেটিভ) এবং শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ২৯.৩৪ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে এনওসিএফপিএস ছিল ৩.৪৫ টাকা(নেগেটিভ) এবং এনএভিপিএস ছিল ৩০.০১ টাকা।

এদিকে, গত তিন মাসে (অক্টোবর–ডিসেম্বর ১৬) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ০.২২ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ০.৪৪ টাকা।

তুং হাইং নিটিং অ্যান্ড ডায়িং লিমিটেড : জুলাই-ডিসেম্বর’১৬ এই ছয় মাসে এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.২১ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ০.২০ টাকা।

কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নেট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ০.০৮ টাকা (নেগেটিভ)। গত অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ২.০৫ টাকা ।

৩১ ডিসেম্বর ২০১৬ পর্যন্ত কোম্পানির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) হয়েছে ১২.৪৬ টাকা। ৩০ জুন, ২০১৬ পর্যন্ত কোম্পানির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৩.২৪ টাকা।

শ্যামপুর সুগার লিমিটেড : দ্বিতীয় প্রান্তিকে শ্যামপুর সুগারের শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ৩৪.৯৯ টাকা, শেয়ার প্রতি কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ৩৪.২৯ টাকা (নেগেটিভ) এবং শেয়ার প্রতি দায় হয়েছে ৬২২.৬১ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে শেয়ার প্রতি লোকসান ছিল ৩৯.২২ টাকা,  এনওসিএফপিএস ছিল ৩৮.৫২ টাকা (নেগেটিভ) এবং ৩০ জুন, ২০১৬ সমাপ্ত অর্থবছরে শেয়ার প্রতি দায় ছিল ৫৮৭.৬২ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানিটির লোকসান কমেছে ৪.২৩ টাকা।

গত তিন মাসে (অক্টোবর-ডিসেম্বর ১৬) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ১৮.৮৩ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে লোকসান ছিল ২৫.৭৫ টাকা।

ড্রাগণ সোয়েটার এন্ড স্পিনিং লিমিটেড : দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৪৯ টাকা, শেয়ার প্রতি কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ০.৩৬ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ১৫.৬৩ টাকা।

যা আগের বছরে একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ০.৩৫ টাকা, এনওসিএফপিএস ছিল ১.০৫ এবং এনএভি ছিল ২০.৪৮ টাকা। সেই হিসেবে কোম্পানিটির ইপিএস বেড়েছে ৪০ শতাংশ।

ফরচুন সুজ লিমিটেড : অর্ধবার্ষিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৯৮ টাকা। এর আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় ছিল ০.৬৮ টাকা। সেই হিসেবে কোম্পানিটির ইপিএস ৪৪ শতাংশ বেড়েছে।

এ সময় কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ১৪.২৩ টাকা এবং শেয়ার প্রতি নগদ কার্যকর প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ০.২১ টাকা।

এদিকে, শেষ তিন মাসে অর্থাৎ (অক্টোবর-ডিসেম্বর ২০১৬) পর্যন্ত ইপিএস হয়েছে ০.৪৬ টাকা। এর আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ০.৩৩ টাকা।

ঝিলবাংলা সুগার মিলস লিমিটেড : অর্ধবার্ষিকে (জুলাই’১৬ থেকে ডিসেম্ব’১৬) কোম্পানির শেয়ার প্রতি লোকসান (ইপিএস) হয়েছে ২৪.০১ টাকা। যা আগের বছর একই সময়ে লোকসান ছিল ২৯.০৫ টাকা। সেই হিসেবে কোম্পানিটির লোকসান কমেছে ৫.০৪ টাকা।

তাছাড়া আলোচিত সময়ে কোম্পানির শেয়ার প্রতি দায় হয়েছে ৩৯৪.৩৫ টাকা। শেয়ার প্রতি কার্যকর নগদ প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ২৩.৭০ টাকা (নেগেটিভ)।

ইনভেষ্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ : অর্ধবার্ষিকে (জুলাই-ডিসেম্বর’১৬) এই ছয় মাসে এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২.২৯ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ১.৫২ টাকা। এছাড়া দ্বিতীয় প্রান্তিকে অর্থাৎ অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর এই তিন মাসে কোম্পানির ইপিএস হয়েছে ১.২৯ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ০.৭৭ টাকা।

কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নেট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ২৬.৫০। গত অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ২০.৮১ টাকা।

৩১ ডিসেম্বর ২০১৬ পর্যন্ত কোম্পানির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) হয়েছে ৬৪.৮৩ টাকা। ৩০ জুন, ২০১৬ পর্যন্ত কোম্পানির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৫৯.৩০ টাকা।

সিভিও : অর্ধবার্ষিকে (জুলাই-ডিসেম্বর’১৬) এই ছয় মাসে কোম্পানির শেয়ার প্রতি লোকসান (ইপিএস) হয়েছে ১.৩৭ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে ইপিএস ছিল ৫.৮৮ টাকা। এছাড়া দ্বিতীয় প্রান্তিকে অর্থাৎ অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর এই তিন মাসে কোম্পানির শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ০.৯৪ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে ইপিএস ছিল ৩.৩৮ টাকা।

৩১ ডিসেম্বর ২০১৬ পর্যন্ত কোম্পানির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) হয়েছে ১৬.৬৪ টাকা। ৩০ জুন, ২০১৬ পর্যন্ত কোম্পানির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২০.৫০ টাকা।

স্ট্যার্ন্ডাড সিরামিক ইন্ডাস্ট্রিজ : দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পনিটির শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ২.৪৪ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ০.২৮ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানিটি লাভ থেকে লোকসানে অবস্থান করছে।

এছাড়া আলোচিত সময়ে কোম্পানির শেয়ার প্রতি কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে(এনওসিএফপিএস) ১.৭০ টাকা (নেগেটিভ) এবং শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ১১.৪৫ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে এনওসিএফপিএস ছিল ২.২৩ টাকা(নেগেটিভ) এবং এনএভিপিএস ছিল ১৪.৯০ টাকা।

এদিকে, গত তিন মাসে (অক্টোবর–ডিসেম্বর ১৬) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ০.৭৪ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ০.১৫ টাকা।

সুহৃদ ইন্ডাস্টিজ লিমিটেড : দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পনিটির শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ০.০৮ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে লোকসান ছিল ০.০১ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানিটি লোকসানে বেড়েছে ০.০৭ টাকা।

এছাড়া আলোচিত সময়ে কোম্পানির শেয়ার প্রতি কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে(এনওসিএফপিএস) ০.৩১ টাকা (নেগেটিভ) এবং শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ১২ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে এনওসিএফপিএস ছিল ০.২৮ টাকা(নেগেটিভ) এবং এনএভিপিএস ছিল ১২.০৮ টাকা।

এদিকে, গত তিন মাসে (অক্টোবর–ডিসেম্বর ১৬) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ০.০৯ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে লোকসান ছিল ০.০১ টাকা।

মালেক স্পিনিং : দ্বিতীয় প্রান্তিকে মালেক স্পিনিংয়ের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৫৪ টাকা, শেয়ার প্রতি কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ১.৯০ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ৪৫.৬৯ টাকা।

যা আগের বছরে একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ০.৭৪ টাকা,  এনওসিএফপিএস ছিল ১.৯১ টাকা এবং ৩০ জুন, ২০১৬ সমাপ্ত অর্থবছরে এনএভিপিএস ছিল ৪৫.১৫ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানিটির ইপিএস কমেছে ০.২০ টাকা বা ৩৭ শতাংশ।

গত তিন মাসে (অক্টোবর-ডিসেম্বর ১৬) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৩৩ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে আয় ছিল ০.৪২ টাকা।

রেনউইক যজ্ঞেশ্বর : অর্ধবার্ষিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.১৭ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় ছিল ১.৫৩ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানিটির ইপিএস কমেছে ০.৩৬ টাকা।

কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ৩৪.৬৩ টাকা এবং শেয়ার প্রতি নগদ কার্যকর প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ১২.৯৭ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে এনএভি ছিল ৩৫.৬৮ টাকা এবং এনওসিএফপিএস ছিল ০.৯০ টাকা।

এদিকে, শেষ তিন মাসে অর্থাৎ (অক্টোবর-ডিসেম্বর ২০১৬) পর্যন্ত ইপিএস হয়েছে ০.৮৩ টাকা। এর আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ১.১৫ টাকা।

মবিল যমুনা : অর্ধবার্ষিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২.৯৮ টাকা। যা এর আগের বছরএকই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় ছিল ২.৪৫ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানিটির ইপিএস বেড়েছে ০.৫৩ টাকা।

কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নগদ কার্যকর প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ৭.০৬ টাকা এবং শেয়ারপ্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ৩০.২২ টাকা । যা এর আগের বছর একই সময়ে এনওসিএফপিএস ছিল ২.৪৫ টাকা এবং ৩০ জুন ২০১৬ পর্যন্ত এনএভি ছিল ২৯.৯৭ টাকা।

এদিকে, শেষ তিন মাসে অর্থাৎ (অক্টোবর–ডিসেম্বর ২০১৬) পর্যন্ত ইপিএস হয়েছে ১.৪১ টাকা। এর আগের বছরএকই সময়ে ইপিএস ছিল ১.৬৭ টাকা।

বাংলাদেশ বিল্ড্রিংস : অর্ধবার্ষিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.৩৭ টাকা। যা এর আগের বছরএকই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় ছিল ১.১০ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানিটির ইপিএস বেড়েছে ০.২৭ টাকা।

এদিকে, শেষ তিন মাসে অর্থাৎ (অক্টোবর–ডিসেম্বর ২০১৬) পর্যন্ত ইপিএস হয়েছে ০.৬৩ টাকা। এর আগের বছরএকই সময়ে ইপিএস ছিল ০.৬১ টাকা।