আয় বাড়লেও দর কমেছে ৬টি কোম্পানির

0
1686

স্টাফ রিপোর্টার : তিনদিন ধরে শেয়ারবাজারে চলছে দর সংশোধনের ধারা। এর মধ্যে শুরু হয়েছে তালিকাভুক্ত বিভিন্ন কোম্পানির অর্ধবার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ। বৃহস্পতিবার ১৩ কোম্পানি আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। একটি বাদে সবক’টির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) বেড়েছে। এমন ভালো খবরেরও প্রভাব নেই শেয়ার কেনাবেচায়।

দ্বিতীয় প্রান্তিকে ৮ থেকে ৫৭ শতাংশ ইপিএস বৃদ্ধির খবরের পরও ছয় কোম্পানির শেয়ার দর কমেছে। এগুলো হলো সায়হাম টেক্সটাইল, আমারা টেকনোলোজিস, আর্গন ডেনিম, ডেসকো ও ইভিন্স টেক্সটাইল।

এদিকে দিনভর ওঠানামা শেষে লেনদেন হওয়া অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ার দর হ্রাসের ঘটনা টানা তৃতীয় দিনে গড়িয়েছে।

তবে বড় মূলধনি কিছু কোম্পানির শেয়ার দর বৃদ্ধি পাওয়ায় আগের দিনের মতো সূচকের বড় পতন হয়নি। সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ডিএসইএক্স সূচক মাত্র ২ পয়েন্ট হারিয়ে ৫৬১৮ পয়েন্টে নেমেছে।

সার্বিক দরপতনের মধ্যেও ওষুধ ও রসায়ন, চামড়া, পাট, সেবা ও নির্মাণ খাতের অধিকাংশ শেয়ারের দর বেড়েছে। বিপরীতে ব্যাংক, ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক, বীমা, বস্ত্র এবং সিমেন্ট খাতের অধিকাংশ শেয়ার দর কমেছে। অন্য সব খাতে ছিল মিশ্রাবস্থা। ডিএসইতে ১০৮ শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের দর বৃদ্ধির বিপরীতে ১৯৩টির দর কমেছে।

গত তিন দিনের শেয়ার দর হ্রাসকে ‘দর সংশোধন’ হিসেবে ব্যাখ্যা করে বাজার-সংশ্লিষ্টরা জানান, অর্ধবার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদন নিয়ে নানা গুঞ্জন আছে। এতে শেয়ার দর ওঠানামা করছে। এ ছাড়া ষাণ্মাসিক মুদ্রানীতি ঘোষণাও বাজারে কিছুটা প্রভাব ফেলে থাকতে পারে; যা আগামী রোববার ঘোষণা করবে বাংলাদেশ ব্যাংক।

প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী এপেক্স ট্যানারির মুনাফায় বড় ধরনের উত্থান হয়েছে। দ্বিতীয় প্রান্তিকে অর্থাৎ গত অক্টোবর-ডিসেম্বর সময়ে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৭৩ পয়সা। গত বছরের একই সময়ে যা ছিল মাত্র ২৩ পয়সা।

এ ছাড়া বছরের প্রথম ছয় মাসে কোম্পানিটির ইপিএস ১ টাকা ১ পয়সা বেড়ে ১ টাকা ৮৩ পয়সায় উন্নীত হয়েছে। এতটা মুনাফা বৃদ্ধির খবরের পরও শেয়ারটির দর বেড়েছে দেড় শতাংশেরও কম।

দ্বিতীয় প্রান্তিকে তিতাস গ্যাসের ইপিএসও ৩২ পয়সা থেকে ৮২ পয়সায় উন্নীত হয়েছে। এ খবরের পর শেয়ারটির দর মাত্র ১০ পয়সা বেড়েছে। যমুনা অয়েলের ইপিএস ৩ টাকা ৯ পয়সা থেকে বেড়ে ৬ টাকা ৩ পয়সা হয়েছে। এর দর বেড়েছে আড়াই শতাংশ।

মিরাকল ইন্ডাস্ট্রিজের ইপিএস ১৬ পয়সা থেকে ২৮ পয়সা হওয়ায় শেয়ারটির দর প্রায় ২ শতাংশ বেড়েছে। এদিকে দ্বিতীয় প্রান্তিকে এসিআই ফর্মুলেশনের ইপিএস ২ টাকা ৫৮ পয়সা থেকে ৩ টাকা ১৬ পয়সা হয়েছে। বৃদ্ধির হার ২২ শতাংশ। তারপরও শেয়ারটির দর বেড়েছে ৬ শতাংশেরও বেশি।

একই অবস্থা ছিল বেক্সিমকো ফার্মার ক্ষেত্রে। ইপিএস ১ টাকা ২৯ পয়সা থেকে বেড়ে ১ টাকা ৪৭ পয়সা হয়েছে। এর শেয়ারদর বেড়েছে সোয়া ৫ শতাংশ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here