‘শেয়ার ধারণের শর্ত’ মানছে না ৪৩টি কোম্পানি, ব্যবস্থা নিচ্ছে বিএসইসি

0
3342

রাহেল আহমেদ শানু : কোম্পানির পরিচালকদের নির্ধারিত শেয়ার ধারণের শর্ত মানছে না অনেক কোম্পানি। নিয়ন্ত্রণ কমিশনের বিধিনিষেধ মানছে ৪৩টি কোম্পানি। নির্দেশনা অনুযায়ী সম্মলিতভাবে ৩০ শতাংশ শেয়ার ধারণের নির্দেশ দিলেও কোম্পানিগুলো তা মানছে না। ইতোমধ্যে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) নজরে নিয়েছে।

কতোগুলো কোম্পানি শেয়ার ধারণের শর্ত বা নির্দেশনা মানছে না তা জানাতে ডিএসইকে নির্দেশনা দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

অনুসন্ধানে প্রকাশ, সম্মলিতভাবে ৩০ শতাংশ শেয়ার ধারণের নির্দেশ দিলেও ৪৩টি কোম্পানি মানছে না। এরমধ্যে ৯টি কোম্পানির পরিচালক ১০ শতাংশের নিচে শেয়ার ধারণ করছে।

শেয়ার ধারণ সম্পর্কে বিএসইসির নির্বাহী কর্মকর্তারা ও মুখপাত্র সাইফুর রহমান বলেন, ইতোমধ্যে আমরা ডিএসইকে একটি চিঠি দিয়েছি। কতোটি কোম্পানি এবং পরিচালক শর্তপূরণ আইন পরিপালন করতে ব্যর্থ হচ্ছে, চিঠিতে জানাতে বলা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, যেসব কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ সম্মিলিতভাবে ৩০ শতাংশ শেয়ার ধারণ করেনি তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। যারা আইন মানবে না, কমিশন তাদের মূলধন বাড়ানোর অনুমোদন দিবে না। বিষয়টি কমিশনের নজরে রয়েছে।

তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, ২০১১ সালের ২২ নভেম্বর কোম্পানির পরিচালকদের নির্ধারিত শেয়ার ধারণের শর্ত আরোপ করে বিএসইসি। নিয়ন্ত্রণ কমিশনের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, পরিচালকদের ৩০ শতাংশ শেয়ার ধারণের বাধ্য-বাধকতা পূরণ করতে হবে। তারপরেও ৪৩টি কোম্পানির অনেক পরিচালক সম্মিলিত ৩০ শতাংশের কোটা পূরণ করেনি।

নির্ধারিত শেয়ার ধারণ না করায় কোম্পানির মূলধন বৃদ্ধি, রাইট শেয়ার বা রিপিট পাবলিক অফারের (আরপিও) আবেদন করতে পারবে না কোম্পানি। তবে দুই প্রক্রিয়া বাদে বন্ড ইস্যু বা অন্য কোনো উপায়ে মূলধন বৃদ্ধির সুযোগ নিচ্ছে কেউ কেউ।

এরই মধ্যে নিয়ন্ত্রক সংস্থা কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে যাচ্ছে বলে বিশেষ সূত্র এমন তথ্য জানায়। শর্তপূরণ না করা কোম্পানিগুলোর তালিকা নিচে প্রকাশ করা হলো-

রেনেটা : পর্ষদের কাছে রয়েছে ০.১২ শতাংশ শেয়ার। বাকি শেয়ারগুলোর মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৬৫.২২ শতাংশ, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ২১.৭৮ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ১২.৮৮ শতাংশ শেয়ার।

ফাইন ফুড : পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ১.০৬ শতাংশ শেয়ার। বাকি শেয়ারগুলোর মধ্যে প্রতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ০.৫২ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৯৮.৪২ শতাংশ শেয়ার।

ইনটেক লিমিটেড : পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ২.৫৫ শতাংশ শেয়ার। বাকি শেয়ারগুলোর মধ্যে প্রতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ২৭.৪৫ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৭০ শতাংশ শেয়ার।

ফুয়াং ফুডস : পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ৪.৭৬ শতাংশ শেয়ার। বাকি শেয়ারগুলোর মধ্যে প্রতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ১৮.১৪ শতাংশ, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ০.০১ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৭৭.০৯ শতাংশ শেয়ার।

ইউনাইটেড এয়ার : পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ৫.০২ শতাংশ শেয়ার। বাকি শেয়ারগুলোর মধ্যে প্রতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ১৭.৪৩ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৭৭.৫৫ শতাংশ শেয়ার।

বিডি ওয়েল্ডিং : পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ৫.০৪ শতাংশ শেয়ার। বাকি শেয়ারগুলোর মধ্যে প্রতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ২৮.১৩ শতাংশ, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ০.৭২ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৬৬.১১ শতাংশ শেয়ার।

আইএফআইসি ব্যাংক : পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ৮.৪৮ শতাংশ শেয়ার। বাকি শেয়ারগুলোর মধ্যে সরকারের কাছে রয়েছে ৩২.৭৫ শতাংশ, প্রতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ২৪.২৪ শতাংশ, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ০.৪২ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৩৪.১১ শতাংশ শেয়ার।

সুহৃদ ইন্ডাস্ট্রিজের : পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ৯.৪১ শতাংশ শেয়ার। বাকি শেয়ারগুলোর মধ্যে এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৯০.৫৯ শতাংশ শেয়ার।

অগ্নি সিস্টেমস : পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ১১.৪০ শতাংশ শেয়ার। বাকি শেয়ারগুলোর মধ্যে প্রতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ২২.৯৯ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৬৫.৬১ শতাংশ শেয়ার।

একটিভ ফাইন কেমিক্যাল : পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ১২.০২ শতাংশ শেয়ার। বাকি শেয়ারগুলোর মধ্যে প্রতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ২৯.১০ শতাংশ, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ২.২০ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৫৬.৬৮ শতাংশ শেয়ার।

উত্তরা ব্যাংক : পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ১২.৫৯ শতাংশ শেয়ার। বাকি শেয়ারগুলোর মধ্যে প্রতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ২৫.৯৪ শতাংশ, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ১.১৭ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৬০.৩০ শতাংশ শেয়ার।

বেক্সিমকো ফার্মা : পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ১৩.১৮ শতাংশ শেয়ার। বাকি শেয়ারগুলোর মধ্যে প্রতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ২৮.৪৫ শতাংশ, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৩৭.১১ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ২১.২৬ শতাংশ শেয়ার।

জেনারেশন নেক্সট : পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ১৩.৭০ শতাংশ শেয়ার। বাকি শেয়ারগুলোর মধ্যে প্রতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ২৭.৪৮ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৫৮.৮২ শতাংশ শেয়ার।

বিজিআইসি : পর্ষদের কাছে রয়েছে ১৬.১৬ শতাংশ শেয়ার। বাকি শেয়ারগুলোর মধ্যে প্রতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৩৪.৪১ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৪৯.৪৩ শতাংশ শেয়ার।

বিএসআরএম স্টিল : পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ১৬.৮৯ শতাংশ শেয়ার। বাকি শেয়ারগুলোর মধ্যে প্রতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৭১.৯৫ শতাংশ, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ০.৩৬ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ১০.৮০ শতাংশ শেয়ার।

পিপলস ইন্স্যুরেন্স : পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ১৭.৩৫ শতাংশ শেয়ার। বাকি শেয়ারগুলোর মধ্যে প্রতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ২০.৪৪ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৬২.২১ শতাংশ শেয়ার।

ইনফরমেশন সার্ভিন নেটওয়ার্ক লিমিটেড : পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ১৭.৯২ শতাংশ, বাকি শেয়ারগুলোর মধ্যে প্রতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ২৮ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৫৪.০৮ শতাংশ শেয়ার।

ফুওয়াং সিরামিক্স : পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ১৭.৯৬ শতাংশ। বাকি শেয়ারগুলোর মধ্যে প্রতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ২৭.২৩ শতাংশ, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ০.৮৩ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৫৩.৯৮ শতাংশ শেয়ার।

এবি ব্যাংক : পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ২০ শতাংশ। বাকি শেয়ারগুলোর মধ্যে প্রতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৬২.৭১ শতাংশ সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ১৭.২৯ শতাংশ শেয়ার।

আফতাব অটোস : পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ২৮.৪২ শতাংশ। বাকি শেয়ারগুলোর মধ্যে প্রতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ২৭.৭১ শতাংশ সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৪৩.৮৭ শতাংশ শেয়ার।

এ্যাপেক্স ফুটওয়ার : পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ২১.৮৩ শতাংশ। বাকি শেয়ারগুলোর মধ্যে প্রতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ২৭.৮৮ শতাংশ সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৪০.২৯ শতাংশ শেয়ার।

এ্যাপোল ইস্পাত : পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ২০.৪৯ শতাংশ। বাকি শেয়ারগুলোর মধ্যে প্রতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৩৬.৭০ শতাংশ, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ১.৩৭ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৪১.৪৪ শতাংশ শেয়ার।

বারাকা পাওয়ার : পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ১৯.৯১ শতাংশ। বাকি শেয়ারগুলোর মধ্যে প্রতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ২৪.৫৩ শতাংশ সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৫৫.৫৬ শতাংশ শেয়ার।

বিডি কম্পিউটার্স : পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ২৩.১০ শতাংশ। বাকি শেয়ারগুলোর মধ্যে প্রতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ২০.২১ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৫৬.৬৯ শতাংশ শেয়ার।

বিডি ফাইন্যান্স : পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ২৩.২০ শতাংশ। বাকি শেয়ারগুলোর মধ্যে প্রতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ১৯.৭২ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৫৭.০৮ শতাংশ শেয়ার।

বেক্সিমকো লিমিটেড : পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ২০.১৫ শতাংশ। বাকি শেয়ারগুলোর মধ্যে প্রতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ১৫.১১ শতাংশ, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৯.৮৬ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৫৪.৮৮ শতাংশ শেয়ার।

বিএসআরএম লিমিটেড : পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ২৭.৪৭ শতাংশ। বাকি শেয়ারগুলোর মধ্যে প্রতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ২২.৩২ শতাংশ, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৩০.৫৮ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ১৯.৬৩ শতাংশ শেয়ার।

কনফিডেন্স সিমেন্ট : পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ২৩.৪৭ শতাংশ। বাকি শেয়ারগুলোর মধ্যে প্রতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৩৮.৭৫ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৩৭.৭৮ শতাংশ শেয়ার।

ডেল্টা স্পিনিংয় : পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ১৯ শতাংশ। বাকি শেয়ারগুলোর মধ্যে প্রতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ১৩ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৬৮ শতাংশ শেয়ার।

দুলামিয়া কটন : পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ২১.০৩ শতাংশ। বাকি শেয়ারগুলোর মধ্যে প্রতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৩.৪০ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৭৫.৫৭ শতাংশ শেয়ার।

কর্নফুলি ইন্স্যুরেন্স : পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ২৫.৭২ শতাংশ। বাকি শেয়ারগুলোর মধ্যে প্রতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ১০.৯২ শতাংশ, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ০.০৩ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৬৩.৩৩ শতাংশ শেয়ার।

কে অ্যান্ড কিউ : পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ২৪.০৬ শতাংশ। বাকি শেয়ারগুলোর মধ্যে প্রতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৩.৮৪ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৭২.১০ শতাংশ শেয়ার।

ম্যাকসন স্পিনিং : পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ২৬.২৩ শতাংশ। বাকি শেয়ারগুলোর মধ্যে প্রতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ১৩ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৬০.৭৭ শতাংশ শেয়ার।

মেঘনা লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি : পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ১৮.৪৩ শতাংশ, বাকি শেয়ারগুলোর মধ্যে প্রতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৩৫.৮৭ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৪৫.৭০ শতাংশ শেয়ার।

মেট্রো স্পিনিং : পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ২৬.২১ শতাংশ। বাকি শেয়ারগুলোর মধ্যে প্রতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ১৪.০৬ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৫৯.৭৩ শতাংশ শেয়ার।

ন্যাশনাল ব্যাংক : পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ২৭.৯৫ শতাংশ। বাকি শেয়ারগুলোর মধ্যে প্রতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ২৪.৬৪ শতাংশ, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ২.৮০ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৪৪.৬১ শতাংশ শেয়ার।

অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ : পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ২৮.৯২ শতাংশ। বাকি শেয়ারগুলোর মধ্যে প্রতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ২০.২১ শতাংশ, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৩৮.৬৯ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ১২.১৮ শতাংশ শেয়ার।

ফার্মা এইডস : পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ২৮.৪৪ শতাংশ। বাকি শেয়ারগুলোর মধ্যে প্রতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৫.১৬ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৬৬.৪০ শতাংশ শেয়ার।

পূবালী ব্যাংক : পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ২৮.৮৭ শতাংশ। বাকি শেয়ারগুলোর মধ্যে প্রতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ২৩.৫৩ শতাংশ, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ১.১৫ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৪৬.৪৫ শতাংশ শেয়ার।

আরডি ফুড : পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ২৭.৮৬ শতাংশ। বাকি শেয়ারগুলোর মধ্যে প্রতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ১৫.৯২ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৫৬.২২ শতাংশ শেয়ার।

সালভো কেমিক্যালস : পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ২২.১৫ শতাংশ। বাকি শেয়ারগুলোর মধ্যে প্রতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ১৫.৭৩ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৬২.১২ শতাংশ শেয়ার।

সোনারবাংলা ইন্স্যুরেন্স : পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ২৬.৭৫ শতাংশ। বাকি শেয়ারগুলোর মধ্যে প্রতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ১৮.৯৭ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৫৪.২৮ শতাংশ শেয়ার।

তাল্লু স্পিনিং : পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ২৯.০৪ শতাংশ। বাকি শেয়ারগুলোর মধ্যে প্রতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ১৯.১০ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৫১.৮৬ শতাংশ শেয়ার।

উল্লেখ্য, গত বছরের নভেম্বর পর্যন্ত এ ধরনের কোম্পানির সংখ্যা ছিল ৩০টি আর এক বছর না পেরুতেই এ সংখ্যা দারিয়েছে ৪৩টি। বাজার বিশ্লেষগদের মতে, বিএসইসিরি আইন থাকলেও তা হয়ত যথাযথ প্রয়োগ করা হচ্ছে না। আর এ আইন সঠিক ভাবে কার্যকর না করায় এ ধরনের কোম্পানির সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here