মোহাম্মদ তারেকুজ্জামান: দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে পিছনের দিকে যাওয়ার আর পথ থাকে না। পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করে বিনিয়োগকারীরা ক্ষতির সম্মুখিন হতে হতে তাদের দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে। পিছনে যাওয়ার আর তাদের পথ নেই। আর এই বিষয়টি সরকারসহ পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্টরা ভালভাবেই অনুধাবন করেছে। যার ফলে বাজারকে উর্দ্ধোমূখি করণে তারা নানামুখি পদক্ষেপ নিয়েছে। যে কারণেই বাজার এখন ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে।

শনিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দেশের একটি সিকিউরিটিজ হাউজের ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী মো: মোতালেব হোসেন একান্ত সাক্ষাৎকারে স্টক বাংলাদেশকে এসব কথা বলেন।

মোতালেব হোসেন বলেন, বর্তমানে বাজার ভালো হওয়ার আর একটি কারণ হচ্ছে জুন ক্লোজিং। যেসব কোম্পানির জুন ক্লোজিং সম্পন্ন হয়েছে তারা ডিভিডেন্ড দিচ্ছে। আর এ কারণেও বর্তমানে মার্কেট ভালো অবস্থায় রয়েছে। তবে যাই হোক না কেন, বর্তমান সময়ের চেয়েও মার্কেট অদুর ভবিষ্যতে ভালো অবস্থানে যাবে বলে আমি মনে করি।

তিনি আরও বলেন, মিউচ্যুয়াল ফান্ডগুলো সরকারের নিয়ন্ত্রণে। পুঁজিবাজারে বিনিয়োগে আসতে সরকার তাদেরকে বাধ্য করছে। অসংখ্য প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী রয়েছে। যারা মার্কেট থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিল। তারাও পুণরায় বাজারে বিনিয়োগ করছে। ডিএসই, সিএসই, বিএসইসিসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো মার্কেট উর্দ্ধোমুখি করণে একে অপরকে সহযোগীতা করছে। যার ফলে বাজারে পজেটিভ প্রভাব পড়া শুরু করেছে।

ক্ষুদ্র এই বিনিয়োগকারী আরও বলেন, পুঁজিবাজারে এক সময় অত্যন্ত খরা গেছে। খরায় অসংখ্য বিনিয়োগকারী হার্ট অ্যাটাক করেছে। করেছে আত্বহত্যাও। জোর গলায় বলতে পারি পুঁজিবাজারের বর্তমান অবস্থায় কোন বিনিয়োগকারী আর আত্বহত্যা করবে না।

মোতালেব হোসেন বলেন, ইয়াকিন পলিমারের লটারি ড্রতে ওয়ান লট পেয়েছিলাম। ৩৩ টাকা দরে শেয়ার বিক্রি করে দিয়েছি। আল্লাহর রহমতে খুব ভালো আছি।