মোহাম্মদ তারেকুজ্জামান: সন্ধানী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানী লি: ধারাবাহিকভাবে সফলতা অর্জন করে আসছে। এই সফলতায় কোম্পানির সদস্য ও শেয়ারহোল্ডারদের অবদান অনস্বীকার্য। তাদের সহযোগিতার কারণে সন্ধানী লাইফ ইন্স্যুরেন্স আজ শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছেছে।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে শমরিতা হসপিটাল এন্ড মেডিকেল কলেজ অডিটরিয়ামে সন্ধানী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেডের ২৬তম বার্ষিক সাধারণ সভায়(এজিএম) কোম্পানির চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো: মকবুল হোসেন এসব কথা বলেন।

DSC03899মকবুল হোসেন বলেন, বাংলাদেশে শেয়ার মূলধন বাজার ব্যবস্থা প্রসারিত ও বিকেন্দ্রীভূত। পুঁজিবাজারে তালিকাভূক্তির পর থেকেই সন্ধানী লাইফ ইন্স্যুরেন্স ব্যবসায়িকভাবে সফলতা অর্জন করে আসছে। মুক্ত বাজার ব্যবস্থায় এ বছর কোম্পানির শেয়ারের অবস্থান উল্লেখযোগ্য। এ বছর কোম্পানির সর্বনিম্ন শেয়ারমূল্য ছিল ৩৪ টাকা ও সর্বোচ্চ ৬১ টাকা ৫০ পয়সা।

কোম্পানির ৬ কোটি ৯ লাখ ৪৩ হাজার ৬৮৫টি শেয়ারের মধ্যে ২৪ দশমিক ০১ শতাংশ প্রতিষ্ঠানের হস্তগত, ৩৫ দশমিক ২২ শতাংশ সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের হাতে আছে। এছাড়াও ৪০ দশমিক ৭৭ শতাংশ উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের হাতে রয়েছে বলে তিনি জানান।

DSC03903তিনি আরও বলেন, সন্ধানী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড দ্রুত ও নিয়মানুযায়ী বীমাকারীর দাবী নিস্পত্তি করে আসছে। যে কারণে গ্রাহকদের কাছে অন্যান্য বীমা কোম্পানির তুলনায় সন্ধানী লাইফ ইন্স্যুরেন্স অত্যন্ত জনপ্রিয়।

পরিশেষে চেয়ারম্যান শেয়ারহোল্ডারদের সম্মতিক্রমে কিছু এজেন্ডা পাশ করেন। এজেন্ডাগুলোর মধ্যে রয়েছে পরিচালনা পরিষদ কর্তৃক সুপারিশকৃত ২০১৫ইং সনের ২৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ ঘোষণা। ২০১৫ইং সালের ৩১ ডিসেম্বর তারিখে সমাপ্ত অর্থবছরের কোম্পানির পরিচালকমন্ডলীর প্রতিবেদন, নিরীক্ষকবৃন্দের প্রতিবেদন, নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী গ্রহণ, বিবেচনা ও অনুমোদন।

DSC03907বার্ষিক সাধারণ সভায় কোম্পানির চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো: মকবুল হোসেন এর সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন পরিচালক ড. মো: আনিসুল হক, মো: ফারুক আহমেদ, কোম্পানি সচিব মো: মিজানুর রহমান। এছাড়ও উপস্থিত ছিলেন সাধারণ শেয়ারহোল্ডাররা।

উল্লেখ্য, সন্ধানী লাইফ ইন্স্যুরেন্স ২০১১ সালে ৪৮ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ, ২০১২ সালে ৩০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ, ২০১৩ সালে ২৫ দশমিক ৫০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ ও ২০১৪ সালে ২২ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিয়েছিল সাধারন শেয়ারহোল্ডারদের।