মোহাম্মদ তারেকুজ্জামান : রমজান ও ঈদ উপলক্ষ্যে বেশ কিছু কোম্পানির শেয়ার দর অযৌক্তিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। নিয়মবহির্ভুতভাবে এসব কোম্পানির শেয়ার দর বৃদ্ধির মূল উদ্দেশ্যই হচ্ছে সাধারণ ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করা। মূলত পুঁজিবাজারে কয়েকটি গ্রুপ রয়েছে যারা গ্যামব্লিংসহ নানারকম নিয়মবহির্ভুত কাজের সাথে জড়িত। তারাই কোম্পানিগুলোর শেয়ার দর অযৌক্তিকভাবে বৃদ্ধি করছে।

মতিঝিলস্থ আনোয়ার ব্রোকারেজ হাউজের একাধিক ক্ষুদ্র, ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারী স্টক বাংলাদেশকে এসব কথা  বলেন।

তারা বলেন, ওয়েস্টার্ন মেরিন, ইসলামী ব্যাংক, কেয়া কসমেটিকস, একমি ল্যাবরেটরিজ, জেমিনি ফুডসহ অসংখ্য কোম্পানির শেয়ারের দর ১৫ শতাংশ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত অযৌক্তিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এসব কোম্পানির শেয়ার দর বৃদ্ধির পেছনে কয়েকটি অসাধু চক্রের হাত রয়েছে।

তারা আরও বলেন, রমজান ও ঈদের কারণে বিনিয়োগকারীদের হাতে টাকা গচ্ছিত থাকে। তারা দেশের বেহাল এই পুঁজিবাজারে এই সময়টায় বিনিয়োগ করতে চায় না। এই বিষয়টি মাথায় রেখে কয়েকটি অসাধু চক্র রয়েছে যারা গ্যম্বিলিংসহ নানারকম অনিয়মমাফিকভাবে কোম্পানিগুলোর শেয়ারের দর বৃদ্ধি করেছে। যাতে করে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা আকৃষ্ট হয়ে বাজারে বিনিয়োগ করে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বিনিয়োগকারী বলেন, পুঁজিবাজারকে এখন কয়েকটি গ্রুপ পুতুল নাচের মতো নাচাচ্ছে। যেভাবে খুশি সেভাবে নাচাচ্ছে। তাদের হাতে রয়েছে বড় পুঁজি। তাদের কথায় বাজার উঠে এবং বসে।

এক প্রশ্নের জবাবে এই বিনিয়োগকারী বলেন, ঈদ পরবর্তী কোন শেয়ারের দর বৃদ্ধি পাবে তা বলা মুশকিল। কারণ যে বাজার অনিয়মে ভরপুর, সে বাজার সর্ম্পকে আমাদের মতো ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা শত অ্যানালাইসিস করেও আগে থেকে কিছু বলতে পারবে না।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here