ওয়াটা কেমিক্যালের আর ‘কোন প্রকার মামলা নেই’

0
869

Wata-Chemichalরাহেল আহমেদ শানু : ‘ওয়াটা কেমিক্যালের ২০১০ সালে ভালোভাবে পুঁজিবাজারে শেয়ার লেনদেন শুরু হয়। এরপরে কোম্পানি জমি নিয়ে শুরু হয় মামলা। মামলা পরিচালনা, বকেয়া ঋণ পরিশোধ এবং আরো অনেক কারণে কমে মূলধন ও কোম্পানির অন্য সুবিধার পরিমাণ।’

স্টক বাংলাদেশকে বুধবার এসব কথা বলেন ওয়াটা কেমিক্যাল কোম্পানির সেক্রেটারি শামসুল হক।

কোম্পানির ইপিএস কমার কারণ হিসেবে তিনি স্টক বাংলাদেশকে বলেন, কোম্পানির শেয়ারে পরিমাণ বেড়েছে। যে কারণে ইপএস কমতেই পারে।

Screenshot_1
ক্রমাগত ইপিএস, ন্যাভ করে আসার ফান্ডমেন্টাল চার্ট

তবে ২০১০ সাল থেকে শুরুর পরে কোম্পানির ক্রমাগত ইপিএস-ন্যাভ কমার কারণ হিসেবে তিনি বলেন, কোম্পানির জমি নিয়ে মামলা ছিল। কোম্পানি আগে যে পরিচালক চালাত, তারা পারলে কোম্পানির সব নাট-বল্টু পর্যন্ত বিক্রি করে। আদালত আমাদের পক্ষে রায় দিলেও আমরা জমি পজিশনে নিতে পারতাম না।

৭-৮ বছর মামলা চলার পরে অবশেষে আদালতের নির্দেশে আমরা জমি ফেরত পাই।

তবে তারা যে ঋণ করেছিল ব্যাংকে, পরে সব মিলে প্রায় ২০ কোটি টাকা পরিশোধ করতে হয়েছে কোম্পানিকে। এখন কোম্পানির কোন প্রকার মামলা নেই। যে কারণে কোম্পানি চালাতে আমাদের আরো টাকার দরকার।

৩৫ কোটি টাকা ডিবেঞ্জারে মাধ্যমে সংগ্রহ সম্পর্কে তিনি বলেন, কমিশন আমাদের অনুমোদন দিয়েছে। এখনো কোন দিন-ক্ষণের প্রক্রিয়া শুরু হয়নি।

ডিবেঞ্জার নিয়ে বিতর্ক ও আদালতে চলমান মামলা সম্পর্কে কোম্পানি সেক্রেটারি শামসুল হক বলেন, কমিশন মনে করেছে তাই আমাদের ৩৫ কোটি টাকার ডিবেঞ্জার অনুমোদন দেয়। অন্য প্রক্রিয়ার টাকা উত্তোলন করা যেত, তবে তা তুলতে দীর্ঘ সময় লাগবে।

ডিবেঞ্জার নিয়ে এখনো চলমান মামলা ও বিতর্ক নিয়ে তিনি কোন মন্তব্য করেননি। তবে টাকা ফেরতের গ্যারান্টি সম্পর্কে তিনি বলেন, যেহেতু আমাদের কোম্পানি ব্যাংকের অনেক দেনা পরিশোধ করতে পেরেছে, ৭ বছরের এই ডিবেঞ্জারের টাকাও পরিশোধ করতে পারবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here