আইপিওতে ‘নতুন নিয়মে আসছে’ এক্সপ্রেস ইন্সুরেন্স

0
3465

শাহীনুর ইসলাম : প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের মাধ্যমে (আইপিও) ‘পুঁজিবাজার থেকে ৪৩ কোটি ৪৬ লাখ টাকা সংগ্রহ করতে চায় এক্সপ্রেস ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড কর্তৃপক্ষ। ইতোমধ্যে কমিশনে আবেদনপত্র জমা দেয়া হয়েছে’।

এক্সপ্রেস ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের ইস্যু ব্যবস্থাপক কোম্পানি ত্রিপল এ ফাইন্যান্স এন্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের ইস্যু ম্যানেজার মো. খালেদ হোসেন মঙ্গলবার স্টক বাংলাদেশকে এসব কথা বলেন।

খালেদ হোসেন বলেন, সব কিছুই নির্ভর করবে কমিশনের ওপর। নতুন নিয়মে এখন তাদের আবেদন করতে হবে। কমিশন থেকে ইতোমধ্যে বলা হয়েছে- ২০১৫ সালের একাউন্টস এপ্রিলের মধ্যে জমা দিতে। সময় হাতে রয়েছে মাত্র আর কয়েকদিন। এক্সপ্রেস কর্তৃপক্ষ এরমধ্যে জমা দিলে কমিশন বিষয়টি দেখবে।

আর না হলে আগামী জুনে তাদের আবার একাউন্টস জমা দিতে হবে, বলেন ইস্যু ম্যানেজার খালেদ হোসেন।

তিনি আরো বলেন বলেন, যেহেতু নতুন নিয়মের গেজেট প্রকাশ হয়েছে, অন্যদিকে কোম্পানি প্রিমিয়ামও দাবি করেছে। সেজন্য নতুনভাবে সবকিছু মেনেই এক্সপ্রেসকে বাজারে আসতে হবে।

কোম্পানিটি ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের সঙ্গে ১০ টাকা প্রিমিয়ামসহ ২০ টাকা দরে শেয়ার বিক্রির জন্য আবেদন করেছে বিএসইসির কাছে।

২০১৪-১৫ সালে ৮টি কোম্পানি পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (বিএসইসি) আইপিও আবেদন করে। ইতোমধ্যে ৪টি কোম্পানি আইপিও সম্পন্ন শেষে দেশের উভয় স্টক এক্সচেঞ্জে শেয়ার লেনদেন করছে। আটকা পড়ে এক্সপ্রেস ইন্সুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড।

একই সময়ে আবেদন শেষে শেয়ার লেনদেনকারী কোম্পানিগুলো হলো- রিজেন্ট টেক্সটাইল, ডরিন পাওয়ার, কেডিএস এক্সসরিজ ও সিমটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ।

বিএসইসিতে একাউন্টস জমা প্রসঙ্গে এক্সপ্রেস ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির সেক্রেটারি লিয়াকত স্টক বাংলাদেশকে বলেন, আগামী জুন-জুলাইয়ে আমরা জমা দেব। এ মাসে ওয়াকিং ডে কম হওয়ায় দুদিনে আর সম্ভব হচ্ছে না।

যে কারণে আমরা প্রস্তুতি নিতে পারিনি। আমাদের কোম্পানি একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি, আমাদের সব কাজ ভালো চলছে। শুধুমাত্র আমরা স্টকে শেয়ার লেনদেন করছি না, এটাও হয়ে যাবে বলেন কোম্পানি সেক্রেটারি।

কোম্পানিটির ২০১২ সালে শেয়ার প্রতিআয় ছিল ২ টাকা ৯৫ পয়সা ও ২০১৩ সালে তা হয়েছে ২ টাকা ৬২ পয়সা। একই সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য বা এনএভি ছিল ১৬ টাকা ৬১ পয়সা ও ১৬ টাকা ৪৭ পয়সা।

এক্সপ্রেস ইন্স্যুরেন্স শেয়ারহোল্ডাদের ২০১১ সালে ২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল। ২০১২ সালে এর পরিমাণ ছিল ২৪ শতাংশ। এর মধ্য ১২ শতাংশ নগদ ও ১২ শতাংশ বোনাস এবং ২০১৩ সালে দিয়েছিল ২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ।

এক্সপ্রেস ইন্স্যুরেন্সর ইস্যু ব্যবস্থাপক হিসেবে কাজ করছে ত্রিপল এ ফাইন্যান্স এন্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।

পেছনের খবর : আইপিওতে আসছে ৮টি কোম্পানি

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here