বিনিয়োগকারীর সাফল্য দক্ষতা, পারদর্শীতার ওপর নির্ভরশীল। এগুলো হল- মূলধন ব্যাবস্থাপনা (Money Management), শেয়ার বাছাই (Stock Selection) এবং নিয়মানুবর্তিতা (Stick with the plan)। এজন্য দক্ষতা অর্জনের নিয়মিত চর্চা করতে হবে।  তিনটি বিষয়ের সুসম সমন্বয় হলেই শেয়ার বাজার থেকে কাংখিত মাত্রায় মুনাফা উপার্জন সম্ভব।

এবার আসুন জেনে নেই ভাল শেয়ার চেনার উপায়-

Price to Earning (P/E): পিই ১৫ বা এর আশেপাশে থাকা ষ্টক সমূহ বাছাই করুন। পিই ২০ এর ওপরে থাকা ষ্টক সমূহে বিনিয়োগ তুলনামূলক ভাবে বেশী ঝুকিপূর্ন।

  • Price to Book value (P/B or P/NAV): শেয়ারের ক্রয় মূল্য যেন এর এনএভির তিনগুণের বেশী না হয়। ২০ টাকা এনএভির কোন স্টকের জন্য আপনি সর্বোচ্চ ৬০ টাকা ব্যয় করতে পারেন।
  • Benjamin Graham number: কেনার আগে স্টকটির বেঞ্জামিন নাম্বার [Square Root (22.5*NAV*EPS)] নির্ণয় করুন। আপনার ক্রয় মূল্য বেঞ্জামিন নাম্বারের চেয়ে ১৫-২০% কম রাখার চেষ্টা করুন।
  • Increase in Sells: কোম্পানিটি যে পণ্য বা সেবা বিক্রয় করে তা যেন পূর্বের বছরের চেয়ে ১০% বা অধিক বৃদ্ধি পায়।
  • Increase in Earning: কোম্পানির মোট আয় যেন পূর্বের বছরের চেয়ে ১০% বা তার অধিক বৃদ্ধি পায়।
  • Dividend Yield: কোম্পানি প্রদত্ত ডিভিডেন্ড ও এর মূল্য অনুপাত ৪ বা তার বেশী হতে হবে।
  • Payout Ratio: কোম্পানি যা আয় করে তার কতটুকু ডিভিডেন্ড আকারে বিনিয়োগকারীদের প্রদান করে তা হিসেব করুন। নুন্যতম ৫০% থেকে ৮০% বিনিয়োগকারীদের পাওয়া উচিত।
  • Return on Equity (ROE or EPS/NAV): এই অনুপাত ১০ বা তার বেশী হওয়া উচিত।
  • Less Debt: অতিরিক্ত ঋণ ভাল লক্ষণ নয়। মোট ঋণ কোন ভাবেই কোম্পানির মোট সম্পদের এক তৃতিয়াংশের বেশী হওয়া উচিত নয়।
  • Sponsor’s Holding: ৪৫-৬০% ষ্টক অবশয়ই কোম্পানির পরিচালকদের হাতে থাকা উচিত।
  • Credit Rating: কোম্পানিটি অবশ্যই যেন ‘এএএ’, ‘এএ’ বা ‘এ’ গ্রেডের ক্রেডিট রেটিং ধারী হয়।
  • Yearly Price Range: গত ২-৩ বছরে স্টকটির বাজার মূল্য দেখুন। চেষ্টা করুন সর্বনিম্ন মূল্যের কাছাকাছি দামে কিনতে। বর্তমান বাজার মূল্য সর্বনিম্ন মূল্যের চেয়ে ৩০% বেড়ে গেলে ঐ ষ্টক না কেনাই শ্রেয়।
  • লেখক-  মোহাম্মদ হাসান শাহারিয়ার

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here