৭৭টি কোম্পানির ইপিএস বৃদ্ধি

0
3362

স্টাফ রিপোর্টার : তৃতীয় প্রান্তিকের (জুলাই১৬-মার্চ১৭) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে জুন ক্লোজিং ১৭৪ কোম্পানি। এর মধ্যে আগের বছরের তুলনায় শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) বেড়েছে ৭৭ কোম্পানির।

ডিএসসির তথ্যানুযায়ী, তৃতীয় প্রান্তিকে আমরা টেকেনালজির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.০৯ টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ০.৮৩ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.২৬ টাকা বা ৩১.৩২ শতাংশ।

এসিআই লিমিটেডের শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ১৬.৬২ টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ১৩.২০ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ৩.৪২ টাকা বা ২৫.৯০ শতাংশ।

এসিআই ফরমুলেশনের শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫.৫০ টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৪.৮৬ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.৬৪ টাকা বা ১৩.১৬ শতাংশ।

একমি ল্যাবরেটরিজের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫.৪২ টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৪.৪৮ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ১.৩৪ টাকা বা ২৯.৯১ শতাংশ।

একটিভ ফাইন কেমিক্যলের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২.৫৫ টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ২.৩৪ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.২১ টাকা বা ৮.৯৭ শতাংশ।

এএফসি এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২.৫৭ টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ২.৩১ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.২৬ টাকা বা ১১.২৫ শতাংশ।

আফতাব অটোমোবাইলের শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ২.৫৭ টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ২.০২ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.৫৫ টাকা বা ২৭.২২ শতাংশ।

অগ্নি সিস্টেমের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৭৬ টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ০.৬৩ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.১৩ টাকা বা ২০.৬৩ শতাংশ।

আলহাজ্ব টেক্সটাইলের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.৪৪ টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ১.০৮ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.৩৬ টাকা বা ৩৩.৩৩ শতাংশ।

আমান ফিডের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩.৭৫ টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৩.২৮ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.৪৭ টাকা বা ১৪.৩২ শতাংশ।

এএমসিএল (প্রাণ)-এর শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫.৭০ টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৫.৬৭ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.০৩ টাকা বা ০.৫২ শতাংশ।

আনোয়ার গ্যালাভারাইজিংয়ের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৮৮ টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ০.৭১ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.১৭ টাকা বা ২৩.৯৪ শতাংশ।

এপেক্স ফুটওয়্যারের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৯.৩৬ টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৮.৯০ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.৪৬ টাকা বা ৫.১৬ শতাংশ।

আরগণ ডেনিমসের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২.৭০ টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ১.৯৪ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.৭৬ টাকা বা ৩৯.১৭ শতাংশ।

বারাকা পাওয়ার কোম্পানির শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ২.৪০ টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ২.২৭ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.১৩ টাকা বা ৫.৭২ শতাংশ।

বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেমের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২.৩৩ টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ১.৮৩ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.৫০ টাকা বা ২৭.৩২ শতাংশ।

বিডিকম অনলাইনের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.২০ টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ১.১৩ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.০৭ টাকা বা ৬.১৯ শতাংশ।

বিকন ফার্মাসিটিক্যালের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.২৭ টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ০.১৫ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.১২ টাকা বা ৮০ শতাংশ।

বেক্সিমকো লিমিটেডের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৯১ টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ০.৭৩ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.১৮ টাকা বা ২৪.৬৫ শতাংশ।

বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.০৭ টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ০.৪৮ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.৫৯ টাকা বা ১.৫০ শতাংশ।

ডোরিন পাওয়ারের শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫.৬৯ টাকা, যা আগের বছর একই সময় restated ইপিএস ছিল ০.৩৫ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ৫.৩৪ টাকা বা ১৫২৫.৭১ শতাংশ।

দেশ গার্মেন্টেসের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৬.৫৩ টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ২.৬৩ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ৩.৯০ টাকা বা ১৪৮.২৮ শতাংশ।

ড্রাগণ সোয়েটার অ্যান্ড স্পিনিংয়ের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.১৯ টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ০.৪৫ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.৭৪ টাকা বা ১৬৪.৪৪ শতাংশ।

ইস্টার্ণ হাউজিংয়ের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২.১৪ টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ১.৭৭ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.৩৭ টাকা বা ২০.৯০ শতাংশ।

ফরচুন সুজের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.৫৮ টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ১.০৪ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.৫৪ টাকা বা ৫১.৯২ শতাংশ।

জিবিবি পাওয়ারের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৯১ টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ০.৪১ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.৫০ টাকা বা ১২১.৯৫ শতাংশ।

জেনারেশন নেক্সটের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৪০ টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ০.৩৪ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.০৬ টাকা বা ১৭.৬৪ শতাংশ।

গোল্ডেন হার্ভেস্ট এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.১৫ টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ১.১২ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.০৩ টাকা বা ২.৬৭ শতাংশ।

গ্লোবাল হেভি কেমিক্যালের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৮০ টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ০.৫৮ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.২২ টাকা বা ৩৭.৯৩ শতাংশ।

এইচআর টেক্সটাইলের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.১১ টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ০.৯৯ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.১২ টাকা বা ১২.১২ শতাংশ।

ইবনে সিনা লিমিটেডের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৭.১৪ টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৬.৩১ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.৮৩ টাকা বা ১৩.১৫ শতাংশ।

ইফাদ অটোসের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫.০৫ টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৩.৬১ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ১.৪৪ টাকা বা ৫.৮৪ শতাংশ।

আইটি কনসালট্যান্টস লিমিটেডের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৮৪ টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ০.৫০ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.৩৪ টাকা বা ৬৮ শতাংশ।

যমুনা অয়েলের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১৫.৮৩ টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ১১.৪২ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ৪.৪১ টাকা বা ৩৮.৬১ শতাংশ।

কেডিএস এক্সসরিজের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.৮৭ টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ১.৬৮ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.১৯ টাকা বা ১১.৩০ শতাংশ।

কহিনূর কেমিক্যালের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৭.৪৬ টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৫.১৯ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ২.২৭ টাকা বা ৪৩.৭৩ শতাংশ।

বেক্সিমকো ফার্মাসিটিক্যালের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪.০৩ টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৩.৩৯ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.৬৪ টাকা বা ১৮.৮৭ শতাংশ।

সেন্টাল ফার্মাসিটিক্যালের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.০৯ টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ০.৭৫ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.৩৪ টাকা বা ৪৫.৩৩ শতাংশ।

সিএমসি কামালের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.৩২ টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ১.০৩ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.২৯ টাকা বা ২৮.১৫ শতাংশ।

কনফিডেন্স সিমেন্টের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৭.৭১ টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৭.১০ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.৬১ টাকা বা ৮.৫৯ শতাংশ।

ড্যাফোডিল কম্পিউটারের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.৭৫ টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ১.২৪ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.৫১ টাকা বা ৪১.১২ শতাংশ।

দেশ বন্ধু পলিমারের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৫৭ টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ০.৪০ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.১৭ টাকা বা ৪২.৫০ শতাংশ।

মুন্নু জুট স্টাফলারের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৬০ টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ০.২৫ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.৩৫ টাকা বা ১৪০ শতাংশ।

মেঘনা পেট্রোলিয়ামের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১৪.৩১ টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ১৩.২৮ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ১.০৩ টাকা বা ৭.৭৫ শতাংশ।

নদার্ণ জুটের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৫৩ টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ০.২৫ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.২৮ টাকা বা ১১২ শতাংশ।

ন্যাশনাল পলিমারের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২.০৪ টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ১.৮৯ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.১৫ টাকা বা ৭.৯৩ শতাংশ।

অলেম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৬.৪৪ টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৫.৯৬ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.৪৮ টাকা বা ৮.০৫ শতাংশ।

ওরিয়ন ফার্মাসিটিক্যালের শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩.০২ টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ২.৩৩ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.৬৯ টাকা বা ২৯.৬১ শতাংশ।

মোজ্জাফর হোসেন স্পিনিংয়ের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২.০৫ টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ১.৯২ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.১৩ টাকা বা ৬.৭৭ শতাংশ।

মিরাকল ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৮৯ টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ০.৭১ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.১৮ টাকা বা ২৫.৩৫ শতাংশ।

এমজেল বিডির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫.১১ টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৩.৬৪ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ১.৪৭ টাকা বা ৪০.৩৮ শতাংশ।

পদ্মা অয়েলের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১৪.২৯ টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ১১.৩০ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ২.৯৯ টাকা বা ২৬.৪৬ শতাংশ।

ফার্মা এইডস লিমিটেডের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৭.১৭ টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৫.৭২ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ১.৪৫ টাকা বা ২৫.৩৪ শতাংশ।

পাওয়ার গ্রীডের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২.৪০ টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ১.৯৫ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.৪৫ টাকা বা ২৩.০৭ শতাংশ।

প্রিমিয়ার সিমেন্ট শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩.৯৩ টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৩.৮৮ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.০৫ টাকা বা ১.২৮ শতাংশ।

কাশেম ড্রাইসেলসের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.৮৩ টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ১.৭৯ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.০৪ টাকা বা ২.২৩ শতাংশ।

রহিম টেক্সটাইলের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫.৩৭ টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৪.৫৭ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.৮০ টাকা বা ১৭.৫০ শতাংশ।

রংপুর ফাউন্ড্রির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩.০১ টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ২.৬৯ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.৩২ টাকা বা ১১.৮৯ শতাংশ।

আরডি ফুডের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৪৫ টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ০.৩৯ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.০৬ টাকা বা ১৫.৩৮ শতাংশ।

রেনেটার শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩০.১৯ টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ২৬.১৩ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ৪.০৬ টাকা বা ১৫.৫৩ শতাংশ।

আরএসআরএম স্টীলের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৬.০২ টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ২.৩৮ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ৩.৬৪ টাকা বা ১৫২.৯৪ শতাংশ।

সাইফ পাওয়ারটেকের শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪.৫২ টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ২.৫৭ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ১.৯৫ টাকা বা ৭৫.৮৭ শতাংশ।

সায়হাম টেক্সটাইলের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৮৬ টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ০.৬৫ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.২১ টাকা বা ৩২.৩০ শতাংশ।

সালভো কেমিক্যালের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৫৯ টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ০.৪৯ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.১০ টাকা বা ২০.৪০ শতাংশ।

শমরিতা হাসপাতালের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.৭১ টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ১.৫৭ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.১৪ টাকা বা ৮.৯১ শতাংশ।

স্কয়ার ফার্মাসিটিক্যালের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১১.৩৯ টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৯.৭৪ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ১.৬৫ টাকা বা ১৬.৯৪ শতাংশ।

স্টাইল ক্রাফটের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩৮.৯৩ টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৩৮.৬৬ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.২৭ টাকা বা ০.৬৯ শতাংশ।

সামিট পাওয়ারের শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ২.৮৩ টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ২.৭৫ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.০৮ টাকা বা ২.৯০ শতাংশ।

তিতাস গ্যাসের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩.৩৬ টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ২.৮৫ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.৫১ টাকা বা ১৭.৮৯ শতাংশ।

ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশনের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৮.৮৫ টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৭.৯১ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.৯৪ টাকা বা ১১.৮৮ শতাংশ।

শাশা ডেনিমসের শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩.৭৯ টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৩.৬৩ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.১৬ টাকা বা ৪.৪০ শতাংশ।

সিনোবাংলা ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.২১ টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ০.৮৩ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.৩৮ টাকা বা ৪৫.৭৮ শতাংশ।

সোনালী আঁশের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.১৯ টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ০.৯০ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.২৯ টাকা বা ৩২.২২ শতাংশ।

শাহজিবাজার পাওয়ার কোম্পানির শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫.৫৫ টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৩.৪৮ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ২.০৭ টাকা বা ৫৯.৪৮ শতাংশ।

ওয়াটা কেমিক্যালের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩.২৭ টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ২.৫৬ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.৭১ টাকা বা ২৭.৭৩ শতাংশ।

ইয়াকিন পলিমারের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৭৫ টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ০.৬৯ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.০৬ টাকা বা ৮.৬৯ শতাংশ।

জাহিন স্পিনিংয়ের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.১৭ টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ০.৫৯ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.৫৮ টাকা বা ৯৮.৩০ শতাংশ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here