৩০টি ব্যাংকের আর্থিক চিত্র প্রকাশ

0
4283

ডেস্ক রিপোর্ট : পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ৩০ ব্যাংকের মধ্যে আইসিবি ইসলামী ব্যাংক ছাড়া সবাই তাদের দ্বিতীয় প্রান্তিক (এপ্রিল’১৭-জুন’১৭) আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী ১৯ ব্যাংকের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) বেড়েছে। অন্যদিকে বাকি ব্যাংকগুলোর আর্থিক অবস্থার উন্নীত ঘটাতে পারেনি।

তবে বেশিরভাগ ব্যাংকের ইপিএস বৃদ্ধিকে বাজারের জন্য ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা। তারা বলছেন, পুঁজিবাজারে ব্যাংকগুলো ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করে। এই সেক্টরের ভালো বা মন্দের ওপর পুঁজিবাজারের স্থিতিশীলতা অনেকাংশে নির্ভরশীল।

প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, দ্বিতীয় প্রান্তিক প্রকাশিত ২৯ ব্যাংক হলো- রূপালী ব্যাংক, এবি ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়া লিমিটেড, দ্য সিটি ব্যাংক, ঢাকা ব্যাংক লিমিটেড, এক্সিম ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড, যমুনা ব্যাংক লিমিটেড, মিউচ্যুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেড, এনসিসি ব্যাংক লিমিটেড, ওয়ান ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক, আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড, মার্কেন্টাইল ব্যাংক লিমিটেড, আইএফআইসি ব্যাংক লিমিটেড, ইষ্টার্ণ ব্যাংক লিমিটেড, প্রিমিয়ার ব্যাংক লিমিটেড, পূবালী ব্যাংক লিমিটেড, ডাচ-বাংলা ব্যাংক লিমিটেড, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেড, সাউথইস্ট ব্যাংক লিমিটেড, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক লিমিটেড, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড, শাহজালাল ইসলামি ব্যাংক লি:, ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড, সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড, ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড এবং উত্তরা ব্যাংক লিমিটেড।

রূপালী ব্যাংক : দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন) রূপালী ব্যাংকের সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ০.৩১ টাকা এবং এককভাবে ০.২৮ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ০.০৯ টাকা এবং ০.০৫ টাকা। সমন্বিত ইপিএস বেড়েছে ২৪৪ শতাংশ এবং এককভাবে ইপিএস বেড়েছে ৪৬০ শতাংশ।

অর্ধবার্ষিকে (জানুয়ারি’১৭-জুন’১৭) ব্যাংকটির শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৭৩ টাকা এবং এককভাবে ০.৩৭ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ০.৩৫ টাকা এবং ০.৩৩ টাকা। সমন্বিত ইপিএস বেড়েছে ১০৯ শতাংশ এবং এককভাবে ইপিএস বেড়েছে ১২ শতাংশ।1

এবি ব্যাংক : দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন) এবি ব্যাংকের সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ০.৫৩ টাকা এবং এককভাবে ০.৩৭ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ০.৫১ টাকা এবং ০.৩৩ টাকা। অর্থাৎ দ্বিতীয় প্রান্তিকে ইপিএস বেড়েছে ০.০২ টাকা। এছাড়া অর্ধবার্ষিকে (জানুয়ারি’১৭-জুন’১৭) ব্যাংকটির শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৮৯ টাকা এবং এককভাবে ০.৫৪ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ১.৪৬ টাকা এবং ১.১২ টাকা। সমন্বিত ইপিএস কমেছে ৩৯ শতাংশ এবং এককভাবে ইপিএস কমেছে ৫২ শতাংশ।

ব্যাংক এশিয়া লিমিটেড : দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন ১৭) ব্যাংক এশিয়ার শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৪২ টাকা এবং এককভাবে হয়েছে ০.৩৯ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ০.১০ টাকা এবং ০.১১ টাকা।সে হিসেবে দ্বিতীয় প্রান্তিকে  কোম্পানিটির সমন্বিত ইপিএস বেড়েছে ০.৩২ টাকা বা ৩২০ শতাংশ এবং এককভাবে বেড়েছে ০.২৮ টাকা বা ২৫৫ শতাংশ।

অর্ধবার্ষিকে এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৭৭ টাকা এবং এককভাবে হয়েছে ০.৭১ টাকা। যা আগের বছর একই সময় ছিল যথাক্রমে ০.২৮ টাকা এবং ০.২৭ টাকা। সে হিসেবে অর্ধবার্ষিকে কোম্পানিটির সমন্বিত ইপিএস বেড়েছে ০.৪৯ টাকা বা ১৭৫ শতাংশ এবং এককভাবে ইপিএস বেড়েছে ০.৪৪ টাকা বা ১৬৩ শতাংশ।2

দ্য সিটি ব্যাংক লিমিটেড : দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন) ব্যাংকটির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ১.৫১ টাকা এবং এককভাবে ১.৩২ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ১.৫১ টাকা এবং ১.৪৯ টাকা। এছাড়া অর্ধবার্ষিকে (জানুয়ারি’১৭-জুন’১৭) ব্যাংকটির শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ২.১৮ টাকা এবং এককভাবে ১.৮৮ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ২.৩০ টাকা এবং ২.২৭ টাকা। সমন্বিত ইপিএস কমেছে ৫ শতাংশ এবং এককভাবে ইপিএস কমেছে ১৭ শতাংশ।

ঢাকা ব্যাংক লিমিটেড : দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন’১৭) ব্যাংকটির শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.২৫ টাকা এবং এককভাবে হয়েছে ০.২৩ টাকা। যা আগের বছর একই সময় সমন্বিত ইপিএস ছিল ০.৭৪ টাকা এবং এককভাবে ছিল ০.৭০ টাকা। অর্ধবার্ষিকে ব্যাংকটির শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৮২ টাকা এবং এককভাবে হয়েছে ০.৭৫। যা আগের বছর একই সময় সমন্বিত ইপিএস ছিল ১.১৫ টাকা এবং এককভাবে ছিল ১.১০ টাকা।

এক্সিম ব্যাংক লিমিটেড : দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন ১৭) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৯৮ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে আয় ছিল ০.৪০ টাকা। অর্থাৎ দ্বিতীয় প্রান্তিকে ইপিএস বেড়েছে ০.৫৮ টাকা। অর্ধবার্ষিকে (জানুয়ারি’১৭-জুন’১৭) এক্সিম ব্যাংকের শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৪৪ টাকা। যা আগের বছর একই সময় ছিল ০.৪৬ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস কমেছে ০.০২ টাকা।3

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড : দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন) ব্যাংকটির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ১.১৮ টাকা এবং এককভাবে ১.১৬ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ১.৬৫ টাকা এবং ১.৫৮ টাকা। সমন্বিত ইপিএস কমেছে ২৮ শতাংশ এবং এককভাবে ইপিএস কমেছে ২৭ শতাংশ। অর্ধবার্ষিকে ব্যাংকটির শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.৮০ টাকা এবং এককভাবে ১.৬০ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ২.১৫ টাকা এবং ২.১২ টাকা। সমন্বিত ইপিএস কমেছে ১৬ শতাংশ এবং এককভাবে ইপিএস কমেছে ২৫ শতাংশ।

যমুনা ব্যাংক লিমিটেড : দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল’১৭-জুন’১৭) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৯১ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে ছিল ০.৯০ টাকা। সে হিসেবে দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.০১ টাকা। অর্ধবার্ষিকে (জানুয়ারি’১৭-জুন’১৭) যমুনা ব্যাংকের শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.৩০ টাকা। যা আগের বছর একই সময় ছিল ১ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.৩০ টাকা।

মিউচ্যুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড (এমটিবি): দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন ১৭) মিউচ্যুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.২৯ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে আয় ছিল ০.৭১ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস কমেছে ০.৪২ টাকা বা ১৪৪.৮৩ শতাংশ।

এদিকে অর্ধবার্ষিকে (জানুয়ারি’১৭-জুন’১৭)  শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৯৫ টাকা। যা আগের বছর একই সময় ছিল ১.৪৪ টাকা।

ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেড : দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন’১৭) এ ব্যাংকটির শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.২৬ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে ছিল ০.৮৪ টাকা। সে হিসেবে দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পানির ইপিএস কমেছে ০.৫৮ টাকা বা ৬৯.০৪ শতাংশ। অর্ধবার্ষিকে (জানুয়ারি’১৭-জুন’১৭) ন্যাশনাল ব্যাংকের শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৫৩ টাকা। যা আগের বছর একই সময় ছিল ১.০৫ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস কমেছে ০.৫২ টাকা বা ৪৯.৫২ শতাংশ।

ন্যাশনাল ক্রেডিট অ্যান্ড কমার্স (এনসিসি) ব্যাংক লিমিটেড : দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন’১৭) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৪২ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে ছিল ০.২১ টাকা। সে হিসেবে দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.২১ টাকা বা ১০০ শতাংশ। অর্ধবার্ষিকে (জানুয়ারি’১৭-জুন’১৭) এনসিসি ব্যাংকের শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৮০ টাকা। যা আগের বছর একই সময় ছিল ০.৫৫ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.২৫ টাকা বা ৪৫.৪৫ শতাংশ।

ওয়ান ব্যাংক লিমিটেড : দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন ১৭) ওয়ান ব্যাংকের শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৬৭ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে আয় ছিল ০.২৯ টাকা। অর্থাৎ দ্বিতীয় প্রান্তিকে ইপিএস বেড়েছে ০.৩৮ টাকা বা ১৩১ শতাংশ।

অর্ধবার্ষিকে (জানুয়ারি’১৭-জুন’১৭) ওয়ান ব্যাংকের শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.৯০ টাকা। যা আগের বছর একই সময় ছিল ০.৮৫ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ১.০৫ টাকা বা ১২৩.৫৩ শতাংশ।

প্রাইম ব্যাংক : অর্ধবার্ষিকে (জানুয়ারি’১৭-জুন’১৭) প্রাইম ব্যাংকের শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৮৫ টাকা। যা আগের বছর একই সময় ছিল ০.৩১ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.৫৪ টাকা বা ১৭৪.১৯ শতাংশ। এছাড়া দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন ১৭) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.০৭ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে লোকসান ছিল ০.২০ টাকা।

আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড : দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন ১৭) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৪৯ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে আয় ছিল ০.১৭ টাকা। সে হিসেবে দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির ইপিএস বেড়েছে ০.৩২ টাকা বা ১৮৮.২৪ শতাংশ। অর্ধবার্ষিকে আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.২০ টাকা যা আগের বছরে একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ১.১৪ টাকা।

মার্কেন্টাইল ব্যাংক লিমিটেড : মার্কেন্টাইল ব্যাংকের শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ২.০৩ টাকা, শেয়ার প্রতি সমন্বিত কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ১৫.৩০ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সমন্বিত সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ২১.১৮ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ১.৩৩ টাকা, এনওসিএফপিএস ছিল ৩.২৭ টাকা এবং ৩০ জুন ২০১৬, সমাপ্ত অর্থবছরে এনএভিপিএস ছিল ২১.০১ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানিটির ইপিএস বেড়েছে ০.৭০ টাকা।

আইএফআইসি ব্যাংক লিমিটেড : দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন ১৭) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৯২ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে আয় ছিল ০.৯৩ টাকা। অর্ধবার্ষিকে আইএফআইসি ব্যাংকের শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.৪৮ টাকা, শেয়ার প্রতি সমন্বিত কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ৭.৭০ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সমন্বিত সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ২৬.৩৩ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ১.৪৪ টাকা, এনওসিএফপিএস ছিল ৫.৬৪ টাকা এবং ৩০ জুন ২০১৬, সমাপ্ত অর্থবছরে এনএভিপিএস ছিল ২৬.০৮ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানিটির ইপিএস বেড়েছে ০.০৪ টাকা।

ইষ্টার্ণ ব্যাংক লিমিটেড : দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন১৬) ব্যাংকটির শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.০৪ টাকা। আগের বছর একই সময় ছিল ১.০৪ টাকা। অর্ধবার্ষিকে (জানুয়ারি’১৭-জুন’১৭) ইস্টার্ন ব্যাংকের শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ২.৩১ টাকা, শেয়ার প্রতি সমন্বিত কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ১.৯৮ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সমন্বিত সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ২৮.৬৪ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ২.২১ টাকা, এনওসিএফপিএস ছিল ২৭.৪১ টাকা এবং এনএভিপিএস ছিল ২৬.৭৩ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানিটির ইপিএস বেড়েছে ০.১০ টাকা।

প্রিমিয়ার ব্যাংক লিমিটেড : দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল’১৭-জুন’১৭) ব্যাংকটির শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৬০ টাকা। আগের বছর একই সময় ছিল ০.২৪ টাকা। অর্থাৎ দ্বিতীয় প্রান্তিকে ইপিএস বেড়েছে ০.৩৬ টাকা বা ১৫০ শতাংশ। এছাড়া অর্ধবার্ষিকে (জানুয়ারি’১৭-জুন’১৭) ব্যাংকটির শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.৩০ টাকা, শেয়ার প্রতি সমন্বিত নেট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ১.৫৪ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সমন্বিত সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ১৮.৩৯ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ০.৪০ টাকা, এনওসিএফপিএস ছিল ১.০০ টাকা এবং এনএভিপিএস ছিল ১৫.৭১ টাকা।

পূবালী ব্যাংক লিমিটেড : দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল’১৭-জুন’১৭) ব্যাংকটির শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৫০ টাকা। আগের বছর একই সময় ছিল ০.৪৪ টাকা। অর্থাৎ দ্বিতীয় প্রান্তিকে ইপিএস বেড়েছে ০.০৬ টাকা বা ১৩.৬৪ শতাংশ। এছাড়া অর্ধবার্ষিক নিরীক্ষিত (জানুয়ারি-জুন ১৭) আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী ব্যাংকটির শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.২০ টাকা এবং এককভাবে ০.৯২ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ০.৭৮ টাকা এবং ০.৭৪ টাকা।

এছাড়া শেয়ার প্রতি সমন্বিত সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) হয়েছে ২৬.৫১ টাকা এবং শেয়ার প্রতি কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ৮.৫০ টাকা।

ডাচ-বাংলা ব্যাংক লিমিটেড : দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল’১৭-জুন’১৭) ব্যাংকটির ইপিএস হয়েছে ৪.১৮ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ২.৩২ টাকা। অর্থাৎ দ্বিতীয় প্রান্তিকে ডাচ বাংলার ইপিএস বেড়েছে ১.৮৬ টাকা বা ৮০ শতাংশ। এছাড়া অর্ধবার্ষিকে (জানুয়ার’১৭-জুন’১৭) ব্যাংকটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৭.১০ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ৫.৬২ টাকা।

ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেড: দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল’১৭-জুন’১৭) ব্যাংকটির ইপিএস হয়েছে ১.১৫ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ০.৮১ টাকা। অর্থাৎ দ্বিতীয় প্রান্তিকে ইপিএস বেড়েছে ০.৩৪ টাকা বা ৪২ শতাংশ। অর্ধবার্ষিকে (জানুয়ারি’১৭-জুন’১৭) ব্যাংকটির ইপিএস হয়েছে ১.২৫ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে ইপিএস ছিল ১.৩০ টাকা।

সাউথইস্ট ব্যাংক লিমিটেড : দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল’১৭-জুন’১৭) ব্যাংকটির ইপিএস হয়েছে ০.৩৪ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে ইপিএস ছিল ০.৮৩ টাকা। অর্ধবার্ষিকে সাউথইস্ট ব্যাংকের শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.২৯ টাকা এবং এককভাবে ১.২৮ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ১.৪২ টাকা এবং ১.২৮ টাকা। ইপিএস ৯ শতাংশ কমেছে।

এছাড়া অর্ধবার্ষিক শেষে শেয়ার প্রতি সমন্বিত সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) হয়েছে ২৮.১১ টাকা এবং এককভাবে ২৮.০৮ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ২৮.৭৩ টাকা।

শেয়ার প্রতি কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) সমন্বিত ৪.৫৩ টাকা (মাইনাস)। যা আগের বছরে একই সময়ে এনওসিএফপিএস ছিল ৫.৬৬ টাকা।

স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক লিমিটেড : দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন ১৭) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.২৬ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে আয় ছিল ০.১৭ টাকা। অর্থাৎ দ্বিতীয় প্রান্তিকে ইপিএস বেড়েছে ০.০৯ টাকা বা ৫৩ শতাংশ। এছাড়া  অর্ধবার্ষিকে (জানুয়ার’১৭-জুন’১৭) স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৪৬ টাকা, শেয়ার প্রতি সমন্বিত কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ৪.৯০ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ১৫.৮৩ টাকা।

যা আগের বছরে একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ০.৩৮ টাকা, এনওসিএফপিএস ছিল ২.২৭ টাকা এবং ৩০ জুন ২০১৬, সমাপ্ত অর্থবছরে এনএভিপিএস ছিল ১৪.৮৯ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানিটির ইপিএস বেড়েছে ০.০৮ টাকা।

ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড : দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন ১৭) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৩৬ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে আয় ছিল ০.৬৪ টাকা। এছাড়া অর্ধবার্ষিকে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৮৭ টাকা, শেয়ার প্রতি সমন্বিত কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ২৫.০৯ টাকা নেগেটিভ এবং শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ১৬.৭০ টাকা।

যা আগের বছরে একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ১.০৪ টাকা, এনওসিএফপিএস ছিল ৬.৯২ টাকা নেগেটিভ এবং ৩০ জুন ২০১৬, সমাপ্ত অর্থবছরে এনএভিপিএস ছিল ১৪.৮২ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানিটির ইপিএস কমেছে ০.১৭ টাকা বা ১৯.৫৪ শতাংশ।

শাহজালাল ইসলামি ব্যাংক লি: দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল’১৭-জুন’১৭) ব্যাংকটির ইপিএস হয়েছে সমন্বিত ০.৫২ টাকা এবং একক ভাবে ০.৪৭ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল সমন্বিত ০.৪৩ টাকা এবং এককভাবে ০.৪৪ টাকা। অর্থাৎ দ্বিতীয় প্রান্তিকে ব্যাংকটির ইপিএস বেড়েছে ০.০৯ টাকা বা ২১ শতাংশ। এছাড়া অর্ধবার্ষিকে (জানুয়ারি’১৭-জুন’১৭) ব্যাংকটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে সমন্বিত ১.০৩ টাকা এবং এককভাবে ০.৮৭ টাকা। এর আগের বছর একই সময়ে সমন্বিত ইপিএস ছিল ০.৮১ টাকা এবং এককভাবে ০.৮০ টাকা।

ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড : দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন) ব্যাংকটির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ১.২৫ টাকা এবং এককভাবে ১.৪১ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ১.২৫ টাকা এবং ১.২৬ টাকা। অর্ধবছরে ব্যাংকটির শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ২.৬৬ টাকা এবং এককভাবে ২.৭২ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ২.১০ টাকা এবং ২.৪২ টাকা। সমন্বিত ইপিএস বেড়েছে ২৭ শতাংশ।

 সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড : দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন) ব্যাংকটির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ০.২৯ টাকা এবং এককভাবে ০.২৭ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ০.৫৩ টাকা এবং ০.৫০ টাকা। সমন্বিত ইপিএস কমেছে ৪৫ শতাংশ এবং এককভাবে কমেছে ৪৬ শতাংশ।

অর্ধবছরে (জানুয়ারি’১৭-জুন’১৭) ব্যাংকটির শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৪০ টাকা এবং এককভাবে ০.৩২ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ০.৭৩ টাকা এবং ০.৭০ টাকা। সমন্বিত ইপিএস কমেছে ৪৫ শতাংশ এবং এককভাবে কমেছে ৫৪ শতাংশ।

ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড : দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল’১৭-জুন ১৭) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.০৭ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে আয় ছিল ১.০৫ টাকা। অর্থাৎ দ্বিতীয় প্রান্তিকে ব্যাংকটির ইপিএস বেড়েছে ০.০২ টাকা বা দুই শতাংশ।

অর্ধবছরে ব্যাংকটির শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ২.১১ টাকা এবং এককভাবে ১.৮৭ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ১.৯৭ টাকা এবং ১.৮৬ টাকা।

 উত্তরা ব্যাংক লিমিটেড : দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন ১৭) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.৩২ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে আয় ছিল ১.৩৩ টাকা। অর্ধবার্ষিকে (জানুয়ারি’১৭-জুন’১৭) উত্তরা ব্যাংকের শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ২.০৩ টাকা, শেয়ার প্রতি সমন্বিত কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ৩.৪৬ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সমন্বিত সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ৩৩.৬০ টাকা।

যা আগের বছরে একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ২.০৭ টাকা, এনওসিএফপিএস ছিল ৮.৭৭ টাকা এবং ৩০ জুন ২০১৬, সমাপ্ত অর্থবছরে এনএভিপিএস ছিল ৩২.৮৫ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানিটির ইপিএস কমেছে ০.০৪ টাকা। সূত্র : শেয়ারবাজার নিউজ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here