ডেস্ক রিপোর্টঃ চলতি অর্থবছরের বাজেট বাস্তবায়ন চাপের মুখে পড়েছে। একদিকে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) যথাযথ বাস্তবায়ন হচ্ছে না। অর্থ ব্যয় ও বাস্তবায়নে ধীর গতি রয়েছে। অপরদিকে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী রাজস্ব আদায় না হওয়ায় ঘাটতি বেড়ে যাচ্ছে। এ অবস্থায় এডিপি কাটছাঁট করা হয়েছে। রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রাও সংশোধন হচ্ছে। খবর যুগান্তরের।

এ ছাড়া রেমিটেন্স, রফতানি প্রবাহে নেতিবাচক প্রবৃদ্ধির কারণে চাপের মুখে পড়েছে বৈদেশিক খাত। তবে অর্থনীতির অন্যান্য সূচক মোটামুটি ইতিবাচক ধারায় চলছে। ভর্তুকি এখন পর্যন্ত সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে। সরকারের ব্যয়ও নিয়ন্ত্রণের মধ্যেই আছে। সঞ্চয়পত্রের বিক্রি বেড়ে যাওয়ায় ব্যাংক থেকে সরকারের ঋণ নেয়া অনেক কমেছে। সব মিলিয়ে সামষ্টিক অর্থনীতি স্থিতিশীল রয়েছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানায়, শেষ পর্যায়ে বাজেট বাস্তবায়ন পুরোপুরি হবে না। বরাবরের মতো এটি সংশোধন করা হবে। চলতি অর্থবছরে মূল বাজেটের আকার ৩ লাখ ৪০ হাজার কোটি টাকা। নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, মূল বাজেট অপেক্ষা ১০ শতাংশ কমিয়ে সংশোধিত বাজেট নির্ধারণ করা হতে পারে।

এদিকে অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, অর্থবছরের জুলাই থেকে জানুয়ারি এই সাত মাসে মোট রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা হচ্ছে ১ লাখ ৩ হাজার ৩৮৯ কোটি টাকা। লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় আদায় হয়েছে ৯৪ হাজার ২৯৭ কোটি টাকা। লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় আদায় কম থাকলেও এটি গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রবৃদ্ধি হয়েছে প্রায় ১৮ শতাংশ।

উল্লেখ্য, ২০১৬-১৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত ৩ লাখ ৪০ হাজার ৬০৫ কোটি টাকার ঘোষণা দেয়া হয়। বিশাল এই ব্যয় মেটাতে আয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৪৮ হাজার ২৬৮ কোটি টাকা (অনুদানসহ)। এ হিসাবে বাজেটে ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৯২ হাজার ৩৩৭ কোটি টাকা। আর অনুদান ছাড়া এ ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়ায় ৯৭ হাজার ৮৫৩ কোটি টাকা।