বিশেষ প্রতিনিধি : আগামী ১৭ ও ২০ নভেম্বর পুজিবাজারে আসতে পারে ‘বিশাল ধাক্কা’। দুদিনে কারেকশন হতে পারে কোম্পানির দর এবং ইনডেস্কের মান। কারেকশন সেল পেশারে নয় বরং কোম্পানি তার নিজস্ব ভ্যালু অনুসারে শেয়ার দর করেকশন করতে পারে।

এরই মধ্যে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ৬৫টি প্রতিষ্ঠান গত সপ্তাহে লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। ইতোমধ্যে অনেকগুলো কোম্পানি বিনিয়োগকারীদের হতাশ করে নো ডিভিডেন্ড ঘোষণাও দিয়েছে। আবার অনেক কোম্পানি বোনাস শেয়ার ও নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। কোম্পানি অনুসারে লভ্যাংশ ঘোষণাকে কেন্দ্র করে অনেক কোম্পানির ইতিমধ্যেই শেয়ার দর উঠানামা করেছে। যার প্রভাব ইনডেস্কেও পড়েছে।

অন্যদিকে তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, লভ্যাংশ ঘোষণায় থাকা কোম্পানিগুলোর মধ্যে (ডিএসই সূত্র অনুযায়ী) ৩১টি কোম্পানির রেকর্ড ডেট আগামী ১৭ই নভেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে। যে কারণে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ৩১টি কোম্পানির রেকর্ড ডেটের কারণে কোম্পানিগুলোর লেনদেন বন্ধ থাকবে। এরপর দিন অর্থাৎ ২০ই নভেম্বর রেকর্ড ডেটের কারণে লভ্যাংশ অনুসারে শেয়ার দর করেকশন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, এটি একটি স্বাভাবিক ব্যাপার। প্রতিবছই এ সময় এমন ঘটনা ঘটে থাকে এবং বাজার তার নিজস্ব গতিতেই চলবে। তবে এ ব্যাপারে  ডিএসই, সিএসই ও বিএসইসির উদ্যোগ নেওয়া উচিত ছিল।

তারা মনে করেন, এতোগুলো কোম্পানির একদিনে রেকর্ড ডেট না দিয়ে সারা মাসব্যাপী ছড়িয়ে দিলে বাজারে কোন প্রভাব পড়তো না। (নিচে কোম্পানিগুলোর তালিকা প্রকাশ করা হলো)

17.11.2016
স্টক বাংলাদেশ কোম্পানিগুলোর তালিকা প্রকাশ করেছে