১৬ মার্চ একমির ১৬ কোটি শেয়ার লক-ইন ফ্রি

0
299

স্টাফ রিপোর্টার : একমি ল্যাবরেটরিজের আগামী ১৬ মার্চ, শনিবার  ১৬ কোটি ১৬ লাখ ১ হাজার ৭০০ শেয়ার বিক্রয় যোগ্য (লক-ইন ফ্রি) হবে। কোম্পানিটির আইপিও পূর্ব ১৬ কোটি ১৬ লাখ ১ হাজার ৭০০ শেয়ার ছিল। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও কোম্পানির প্রোসপেক্টাস সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

শেয়ারগুলো পাবলিক ইস্যু রুলসের বিভিন্ন শর্ত অনুযায়ি, ৩ বছর লক-ইন যোগ্য। ৩ বছরের মেয়াদ আগামী ১৫ মার্চ পূর্ণ হবে এবং ১৬ মার্চ থেকে শেয়ার বিক্রয়যোগ্য হবে।

ডিএসই থেকে মঙ্গলবার নেয়া চিত্র

এদিকে যুক্তরাজ্যের ওষুধ ও হেলথকেয়ার পণ্যের মান নিয়ন্ত্রক সংস্থা এমএইচআরএর (মেডিসিনস অ্যান্ড হেলথকেয়ার প্রডাক্টস রেগুলেটরি এজেন্সি অব ইউকে) স্বীকৃতি পেয়েছে ওষুধ খাতের কোম্পানি দি একমি ল্যাবরেটরিজ লিমিটেড।

এমএইচআরএর কর্মকর্তারা ধামরাইয়ের ঢুলিভিটায় একমির কারখানা পরিদর্শন শেষে কোম্পানিটিকে জিএমপি সার্টিফিকেট প্রদান করেছেন। এর ফলে যুক্তরাজ্যসহ ইউরোপের বাজারে একমির ওষুধ রফতানির দ্বার উন্মুক্ত হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

কোম্পানিটির কর্মকর্তারা বলছেন, যুক্তরাজ্যসহ ইউরোপের বাজারে ওষুধ রফতানি করতে হলে জিএমপি সার্টিফিকেট থাকা বাধ্যতামূলক। এমএইচআরএর প্রতিনিধিরা একমির কারখানা পরিদর্শন করে সন্তুষ্ট হওয়ার কারণে আমাদের স্বীকৃতি দিয়েছেন। এখন আরো বেশি কিছু আনুষঙ্গিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে যুক্তরাজ্যসহ ইউরোপের বাজারে ওষুধ রফতানির জন্য কাজ করছি।

পাবলিক ইস্যু রুলস অনুযায়ি, উদ্যোক্তা/পরিচালকদের শেয়ার, আইপিও অনুমোদনের সময় ১০ শতাংশের বেশি শেয়ার ধারনকারী এবং উদ্যোক্তা/পরিচালকদের থেকে হস্তান্তরকৃত শেয়ারে ৩ বছর লক-ইন থাকে। আইপিও অনুমোদনকালীন বাকি শেয়ারে ১ বছর লক-ইন থাকে। যা কোম্পানির প্রসপেক্টাস ইস্যুর বা পত্রিকায় সংক্ষিপ্ত সংস্করণ প্রকাশের দিন থেকে হিসাবযোগ্য।

একমি ল্যাবরেটরিজের সোমবার, ১১ মার্চ লেনদেন শেষে শেয়ার দর ছিল ৯০.৯০ টাকায়। এরপরের দিন মঙ্গলবার দুপুরেও একই দর ছিল। তবে দিনের প্রথমভাগে লেনদেন ৯১ টাকায় শুরু হয়।

সর্বশেষ সমাপ্ত ২০১৭-১৮ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনায় দেখা যায়, আলোচ্য সময়ে একমির বিক্রি হয়েছে ১ হাজার ৪৮১ কোটি ৩৯ লাখ টাকা, যা এর আগের হিসাব বছরে ছিল ১ হাজার ৩৫৭ কোটি ৬৩ লাখ টাকা। এর বিপরীতে গেল হিসাব বছরে কোম্পানিটির উৎপাদন ব্যয় দাঁড়িয়েছে ৮৯৪ কোটি ২৪ লাখ টাকা, যা এর আগের বছরে ছিল ৮০৩ কোটি ৯৮ লাখ টাকা।

এক বছরে উৎপাদন ব্যয় বেড়েছে ৯০ কোটি ২৫ লাখ টাকা বা ১১ দশমিক ২৩ শতাংশ। এর আগে ২০১৬-১৭ হিসাব বছরে ৩ দশমিক ৪৬ শতাংশ ও ২০১৫-১৬ হিসাব বছরে ৮ শতাংশ উৎপাদন ব্যয় বেড়েছিল কোম্পানিটির। ফলে ২০১৭-১৮ হিসাব বছরে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ১৪২ কোটি ৬৫ লাখ টাকা, যা এর আগের বছরে ছিল ১৩৯ কোটি ৭৮ লাখ টাকা। এক বছরের ব্যবধানে কর-পরবর্তী মুনাফায় প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ।

ডলারের দর বৃদ্ধির প্রভাবে তুলনামূলক কম মুনাফা প্রবৃদ্ধি হলেও গেল বছরে কোম্পানিটির বিভিন্ন আর্থিক নির্দেশক ইতিবাচক ছিল। এর মধ্যে গেল বছরে রফতানি প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৪ দশমিক ১৩ শতাংশ, গ্রস মুনাফা প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৬ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ ও শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৪ দশমিক শূন্য ৬ শতাংশ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here