১০ শতাংশ শেয়ার অফ-লোড করবে ডেসকো

0
711
স্টাফ রিপোর্টার : পুঁজিবাজারে দ্রুত ১০ শতাংশ শেয়ার অফ-লোডের (সরবরাহ) অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ বিদ্যুত উন্নয়ন বোর্ড (বিউবো)। মার্কেট বেনিফিট পাওয়ার লক্ষ্যে ঢাকা ইলেক্ট্রিক সাপ্লাই কোম্পানিকে (ডেসকো) এ অনুরোধ করা হয়েছে।
পাশাপাশি দ্রুত শেয়ার অফ-লোডের বিষয়ে সরকারের নির্দেশনা রয়েছে বলে ডেসকোকে অবহিত করেছে বিউবো। এ লক্ষ্যে গুলশান ও টঙ্গী সার্কেলের ভূমি ও অবকাঠামো দুটি পরামর্শক প্রতিষ্ঠান দিয়ে দ্রুত মূল্যায়ন করে তা আর্থিক বিবরণীতে সন্নিবেশিত করার জন্য ডেসকোকে অনুরোধ করা হয়েছে।গত ৩০ জুন বাংলাদেশ বিদ্যুত উন্নয়ন বোর্ডের নিয়ন্ত্রক (হিসাব ও অর্থ) দীন মোহাম্মদ স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত একটি চিঠি ডেসকোকে দেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

এ ছাড়া ওই চিঠির অনুলিপি সচিব, বিদ্যুত বিভাগ, বিদ্যুত জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়; সচিব, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ, অর্থ মন্ত্রণালয়; চেয়ারম্যান, বংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আইসিবি সিকিউরিটিজ ট্রেডিং কোম্পানি লিমিটেডের কাছে পাঠানো হয়েছে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২৬ মে গুলশান ও টঙ্গী সার্কেলের ভূমি ও অবকাঠামোর মূল্যায়নের জন্য নিয়োজিত দুটি পরামর্শক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক দ্রুত মূল্যায়ন কার্য সম্পাদন করে আর্থিক বিবরণীতে সম্পদের সঠিক মূল্য সন্নিবেশিত করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছিল। কিন্তু অদ্যাবধি তা সম্পন্ন করা হয়েছে কি-না তা আমাদের জানা নেই। ফলে সরকারি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ডেসকোর ১০ শতাংশ শেয়ার অফ-লোডের বিষয়টি বিলম্বিত হচ্ছে।

চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এ অবস্থায় শেয়ার অফ-লোডের ক্ষেত্রে মার্কেট বেনিফিট পাওয়ার লক্ষ্যে শেয়ারের ফেয়ার মার্কেট ভ্যালু নিশ্চিত কল্পে ডেসকোর যাবতীয় সম্পদের সঠিক মূল্য আর্থিক বিবরণীতে দ্রুত অন্তর্ভুক্ত করে জানানোর জন্য পুনরায় অনুরোধ জানানো হল। শেয়ার অফ-লোড করার জন্য বিষয়টি খুব জরুরি।

এর আগে গত ১৮ মে শেয়ার অফ-লোড সংক্রান্ত বিষয়ে ডেসকোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আমজাদ হোসেন বিএসইসিকে চিঠি দেয়।

ওই চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, গত ৫ মে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় ডেসকোর ১০ শতাংশ শেয়ার অফ-লোড করার সরকারি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে সরকারের সিদ্ধান্ত মোতাবেক ডেসকোর শেয়ার অফ-লোডের লক্ষ্যে ফেয়ার ভ্যালু নিশ্চিত করে গুলশান ও টঙ্গী এলাকার সম্পদ মূল্য আর্থিক বিবরণীতে অন্তর্ভুক্তির জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এ ক্ষেত্রে লক্ষণীয় যে, ডেসকোর ২০১২-২০১৩ অর্থবছরের আর্থিক বিবরণীতে সাবেক ডেসা’র গুলশান, বারিধারা, বনানী, উত্তরা, মহাখালী ও টঙ্গী এলাকার সম্পদ সমূহের বিপরীতে ৪০৩.৯৬ কোটি টাকা দায় প্রদর্শন করা হয়েছে। অনুরূপভাবে দায়ের বিপরীতে সম্পদ দেখানো হয়েছে। ভেন্ডরস এগ্রিমেন্ট স্বাক্ষরের আগে সম্পদসমূহের মূল্যায়ন সম্পন্ন হতে হবে যা বেশ সময় সাপেক্ষ।

এ দিকে পরমার্শক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক জমির মূল্য নির্ধারণের পদ্ধতি ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির (ডিপিডিসি) কর্তৃপক্ষ একমত না হওয়ায় হস্তান্তরিত সম্পদ মূল্য চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here