হায় সিএমসি কামাল! আয় কমলো ৫ শতাংশ

0
1194

সিনিয়র রিপোর্টার : পুঁজিবাজারের সবচেয়ে বিতর্কিত কোম্পানিগুলোর মধ্যে একটি সিএমসি কামাল টেক্সটাইল। ২০১০ সালে বাজারের অস্বাভাবিক উর্ধগতির সময় কোম্পানির খোদ উদ্যোক্তারা কারসাজি করেন। বহুল আলোচিত এ কোম্পানি বিক্রি করা হয়েছে।

ইতোমধ্যে কোম্পানির সকল শেয়ার বিক্রি শেষ। অন্যদিকে দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী গোষ্ঠি আলিফ গ্রুপ অন্য প্রতিষ্ঠান সিমএমসি কামাল টেক্সটাইল কিনছে। ইতোমধ্যে তারা বিপুল পরিমাণ শেয়ার কিনেছে। এর আগে গত মে মাসে শেয়ার বিক্রির ঘোষণা দেয় লোটাস কামাল ও তার পরিবার। ইতোমধ্যে সব শেয়ারও কিনেছে আলিফ গ্রুপ।

সিএমসি কামালের ওয়েবসাইটে দেখা যায়, বিতর্কিত এ কোম্পানির ওয়ালে আলিফ গ্রুপের লোগো ঝুলছে। যে কারণে বস্ত্র খাতের সিএমসি কামালের শেয়ারপ্রতি আয় বা ইপিএস কমেছে ৫ দশমিক ৪৭ শতাংশ। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত অর্ধবার্ষিকী প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনায় কোম্পানির এই তথ্য বেরিয়ে আসে। রোববার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, আলোচিত প্রান্তিকে কোম্পানির কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৫ কোটি  ৯৭ লাখ টাকা। আর শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৬৯ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে মুনাফা ছিল ৬ কোটি ৩০ লাখ টাকা এবং ইপিএস ৭৩ পয়সা।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের গত এপ্রিল থেকে জুন তিন মাসে মুনাফা হয়েছে ৩ কোটি ৪৬ লাখ টাকা। আর শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে  ৪০ পয়সা। যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ৩ কোটি ১২ লাখ টাকা এবং ইপিএস ৩৬ পয়সা।

প্রতিষ্ঠানটির প্রধান উদ্যোক্তা ছিলেন পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামাল (লোটাস কামাল) ও তার পরিবার। বিক্রির সব প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে তার পরিবার শেষ করেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মাধ্যমে শেয়ার বিক্রি হয়।

সূত্র আরো জানায়, লোটাস কামাল ও তার দুই মেয়ের পক্ষ থেকে শেয়ার বিক্রি হয়। এর আগে লোটাস কামাল তার হাতে থাকা ১২ লাখ ১০ হাজার শেয়ারের পুরোটাই বিক্রি করেন। কাশফি কামাল তার হাতে থাকা ১০ লাখ ৪৪ হাজার শেয়ারের মধ্যে ৮ লাখ ৮১ হাজার ৪০০ শেয়ার বিক্রি করেন। আর নাফিসা কামাল বিক্রি করেন ৯ লাখ ৪৭ হাজার ২৩৭ শেয়ার। তার হাতে আছে ১০ লাখ ৫২ হাজার ৯০২ শেয়ার। তিন জনের শেয়ারই কিনেছে আলিফ টেক্সটাইলস লিমিটেড।

পেছনের খবর : বিক্রি হচ্ছে সিএমসি কামাল টেক্সটাইল, কিনছে আলিফ গ্রুপ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here