স্থিতিশীলতায় বাজেটে চাই ৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল

0
786

সিনিয়র রিপোর্টার : আগামী বাজেটে পুঁজিবাজারের জন্য ৫ হাজার কোটি টাকার বিশেষ তহবিল থাকলে বাজার স্থিতিশীলতার দিতে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন ডিএসই পরিচালনা পর্ষদের সদস্য রকিবুর রহমান। একই সঙ্গে সরকারের সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে পুঁজিবাজারের জন্য ইতিবাচক ভূমিকা রাখার আহ্বানও জানান তিনি।

ডিএসইর সাবেক এ প্রেসিডেন্ট একান্ত আলাপকালে বুধবার এসব কথা বলেন। রকিবুর রহমান মনে করেন সমস্যার গভীরে না গেলে পুঁজিবাজারকে স্থিতিশীল করা যাবে না। তার মতে, বাজারের গভীর সমস্যা হলো, বিনিয়োগকারীদের আস্থার সংকট।

এ সংকট থেকে বেরিয়ে আসতে হলে স্টক এক্সচেঞ্জ, বাংলাদেশ ব্যাংক, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডসহ (এনবিআর) যারা বাজারের সঙ্গে জড়িত, তাদের নিজ নিজ জায়গা থেকে কাজগুলো করতে হবে। একই সঙ্গে বাজেটে বাজারের জন্য ইতিবাচক উদ্যোগ থাকতে হবে। তাহলেই আস্থার সংকট কেটে যাবে।

এ সময় তিনি পুঁজিবাজার ও বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে বাজারের আস্থা ফিরিয়ে আনতে কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কথা তুলে ধরেন। সেগুলো হলো- প্রধানমন্ত্রী পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্টদের নিয়ে যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সেগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন করা, ডিসক্লোজার বেসিসে নতুন কোম্পানির প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) দেয়া বন্ধ করা এবং আইপিও দেয়ার আগে কোম্পানির প্রসপেক্টাসকে পুনরায় অডিট করা।

তিনি মনে করেন, বর্তমান সময়ে পুঁজিবাজারে সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের শেয়ার বিক্রি। ডিএসইর সাবেক এই প্রেসিডেন্ট বলেন, তারা নিয়ম অনুযায়ী শেয়ার বিক্রি করবে; তাতে আমার কোনো দ্বিমত নেই। কিন্তু উদ্যোক্তারা যখন শেয়ার বিক্রি করে, তখন যাচাই-বাছাই করে দেখতে হবে।

দেখতে হবে, উদ্যোক্তাদের ব্যক্তিগতভাবে ২ শতাংশ এবং প্রতিষ্ঠানের সম্মিলিতভাব ৩০ শতাংশ শেয়ার আছে কিনা? যদি থাকে, তাহলে এক্সচেঞ্জ তার ক্লিয়ারেন্স দেবে। তারপর উদ্যোক্তারা স্টক এক্সচেঞ্জে শেয়ার বিক্রির জন্য ঘোষণা দেবে। ঘোষণা দেয়ার ১৫ দিন পর থেকে উদ্যোক্তারা শেয়ার বিক্রি করবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here