‘স্টান্ডার্ড’ হচ্ছে সার্কিট ব্রেকার

1
2282

স্টাফ রিপোর্টার : ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্যবস্থাপনা পরিচারক ড. স্বপন কুমার বালা বলেন, একটি কোম্পানির ডিভিডেন্ড ঘোষণার পরে এক দিন ওই শেয়ারের সার্কিট ব্রেকার থাকে না। আবার তালিকাভুক্ত হয়ে কোন কোম্পানি লেনদেন আসলে প্রথম পাঁচ দিন সার্কিট ব্রেকার থাকে না। তাই এই পদ্ধতিটিকে একটি স্টান্ডার্ড পর্যায়ে আনার বিষয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জকে (বিএসইসি) প্রস্তাব করা হয়েছে।

বিএসইসির সঙ্গে সম্প্রতি ডিএসইর বৈঠকে স্বপন কুমার বালা বলেন, তালিকাভুক্ত কোনো কোম্পানি বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) নিয়মিত না করলে ওই কোম্পানিকে ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে পাঠানো হয়। কিন্তু অনেক কোম্পানি নিয়মিত এজিএম না করা সত্ত্বেও নতুন কোম্পানিগুলোকে ‘এন’ ক্যাটাগরিতে তালিকাভুক্ত করা হয়। এমতাবস্থায় নিয়মিত এজিএম না করা কোম্পানিগুলোকে ‘এন’ ক্যাটাগরিতে না করে ‘জেড’ ক্যাটাগিরতে তালিকাভুক্ত করা যায় কিনা তা বিবেচনার কথা বলা হয়েছে।

এছাড়া সিডিবিএল চার্জ স্টান্ডার্ড পর্যায়ে আনার জন্য বিএসইসি, ডিএসই ও সিডিবিএলের সাথে বৈঠক করার বিষয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে জানানো হয়েছে। সার্কিট ব্রেকারে অ্যাবসুলেট ও শতাংশ হিসাব থাকে। এক্ষেত্রে শুধুমাত্র শতাংশ হিসাব রাখার সুপারিশ করা হয়েছে। আর ডিএসইর পাঁচ বছরের জন্য টেক্স হলিডে রাখার জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) অবহিত করা হয়েছে বলে বিএসইসিকে জানানো হয়েছে।

এদিকে আয়কর অধ্যাদেশের ৫৩(ও) ধারা অনুযায়ি কোনো কোম্পানি বা ফার্মের শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের উপর ১০ শতাংশ হারে ক্যাপিটাল গেইন ট্যাক্স স্টক এক্সচেঞ্জকে আদায় করতে হবে, কোনভাবেই সম্ভব না। তাই এ সমস্যা সমাধানের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানান তিনি। এছাড়া ‘সিডিবিএলর সিকিউরিটিজ পে-ইন সাধারণত সাড়ে ১২টায় করা হয়। বর্তমানে তা সাড়ে ১০টায় করার জন্য আমরা দাবি জানিয়েছি বলে জানান তিনি।

তিনি আরো বলেন, দেখা যাচ্ছে পুঁজিবাজারে সিকিউরিটিজের দাম বেড়ে গেলে, বাংক ও ব্যাংকের সাবাসিডারির এক্সপোজার বেড়ে যায়। কারণ এখানে ‘মার্ক টু মার্কেট’ অ্যাকাউনন্টিং অনুযায়ী বিবেচনা করা হয়। এমনকি কোনো ট্রেড না করলেও এদের এক্সপোজার বেড়ে যায়।

তাই পুঁজিবাজারের এখন প্রধান সমস্যা ব্যাংকের বিনিয়োগ সীমা (এক্সপোজার লিমিট)। বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা করে সমস্যার সমাধানের জন্য বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনকে (বিএসইসি) অবহিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

1 COMMENT

  1. নিয়ম অনুসারে প্রত্যেক বছর এজিএম করবে বোনাচ দিক আর না দিক বোনাচ নাদিলে zক্যাটাগরিতে পাঠানো হয় তাতে কোম্পানির কিছু যায় আসে বলে আমার মনে হয়না ফলে বিনিয়োগকারি ঠিকই জাহান্নামের কুয়ায় পরে এটায় বাস্তব একটা কোম্পানি আছে RNS মামলার কারনে বোনাছ দিতে পারছেনা এতে দিনদিন দাম কমে যাচ্ছে তাতে খতিগ্রস্ত হচ্ছে বিনিয়োগ কারি এই মামলা যদি আজিবন নিস্পত্তি না করে কোম্পানির বিন্দু পরিমান লস হবে বলে মনে হয়না তাহলে কার সারতে এই মামলা

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here