সেন্ট্রাল ফার্মার ৫ পরিচালককে জরিমানা

0
99

স্টাফ রিপোর্টার : বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ২০১৬-১৭ হিসাব বছরের আর্থিক হিসাব বিবরণী প্রস্তুত করতে বাংলাদেশ অ্যাকাউন্টিং স্ট্যান্ডার্ড (বিএএস) ও সিকিউরিটিজ আইন মান্য না করায় সেন্ট্রাল ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের পাঁচ পরিচালককে জরিমানা করেছে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে জানা গেছে, কোম্পানিটি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রান্তিক প্রতিবেদন প্রকাশ না করায় স্বতন্ত্র ও মনোনীত পরিচালক বাদে এর পর্ষদের প্রত্যেক সদস্যকে ৪ লাখ টাকা করে জরিমানা করেছে কমিশন। কোম্পানির পরিচালকরা হলেন মোর্শেদা আহমেদ, মনসুর আহমেদ, মো. রুকুনুজ্জামান, পারভেজ আহমেদ ভূইয়া ও নাসিমা আক্তার।

জানা যায়, ৬৬৭তম কমিশন সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল। সভা শেষে কমিশন জানায়, বিধিবদ্ধ নিরীক্ষক যোহা জামান কবির রশীদ অ্যান্ড কোম্পানি ও চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট সেন্ট্রাল ফার্মার ২০১৭ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণীর বেশ কয়েকটি অংশে আপত্তি প্রকাশ করে।

প্রতিবেদন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ কর্তৃপক্ষ জানায়, এর মধ্য দিয়ে ইস্যুয়ার কোম্পানিটি হিসাব মানদণ্ড ও সিকিউরিটিজ আইন দুটোই ভঙ্গ করেছে। এ কারণে শুধু স্বতন্ত্র ও মনোনীত পরিচালকরা ছাড়া সেন্ট্রাল ফার্মার ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ এর পর্ষদের সব সদস্যকে জরিমানা করার সিদ্ধান্ত নেয়  কমিশন। পাশাপাশি উপরিউক্ত আইন লঙ্ঘনের বিষয়গুলো সংশোধনের আগ পর্যন্ত শেয়ারধারী পরিচালকরা কোম্পানি থেকে কোনো প্রকার লভ্যাংশ, পারিতোষিক ও অন্যান্য সুবিধা পাবেন না, এমন নির্দেশ জারিরও সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কমিশন।

কোয়ালিফায়েড অপিনিয়ন আকারে তারা কোম্পানির স্বল্পমেয়াদি সুদ ও কুঋণের জন্য সঞ্চিতি না রাখা, দীর্ঘমেয়াদি ঋণের চলতি দায় ও দীর্ঘমেয়াদি অংশ আলাদা না করা, অগ্রিম কর ও করদায় সমন্বয় না করা এবং ব্যাংকিং চ্যানেলের বদলে নগদে কোম্পানির খরচ মেটানোর মতো বিষয়গুলোয় আপত্তি জানান। এ মতামত বার্ষিক প্রতিবেদনের পাঠকদের কোম্পানির হালনাগাদ অবস্থা সম্পর্কে অবহিত করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

৩০ জুন সমাপ্ত ২০১৮ হিসাব বছরের ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দেয়ায় কোম্পানিটিকে ‘এ’ থেকে ‘বি’ ক্যাটাগরিতে স্থানান্তর করে ডিএসই কর্তৃপক্ষ। সমাপ্ত হিসাব বছরে এর শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫৩ পয়সা ও শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) ১৫ টাকা ৭৯ পয়সা।

হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর) এ কোম্পানির ইপিএস হয়েছে ৩১ পয়সা, যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ১৩ পয়সা।

২০১৭ হিসাব বছরে ১০ শতাংশ বোনাস শেয়ার দেয় কোম্পানিটি। ওই সময় ইপিএস ছিল ১ টাকা ৫ পয়সা ও এনএভিপিএস ১৬ টাকা ৭৮ পয়সা।

সর্বশেষ নিরীক্ষিত ইপিএস ও বাজারদরের ভিত্তিতে শেয়ারটির মূল্য-আয় অনুপাত বা পিই রেশিও ১৫ দশমিক ৮৩, অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনের ভিত্তিতে যা ১২ দশমিক ২৬।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here