শাহীনুর ইসলাম : বদলে গেছে দৃশ্য। বিষাদময় দিনের গল্প আর নেই। প্রাগৈহাসিক সেই দিনগুলো এখন ইতিহাস। সব ভেঙ্গে সম্ভাবনার পথে এগিয়ে  চলেছে পুঁজিবাজার। কাটছে লেনদেনে খরা।

চলতি বছরের ১৮ মার্চ ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ছিল ভয়াবহ দিন। মাত্র ১৮ কার্যদিবসে ১৮ মার্চ ডিএসই-এক্স ১১২৪ পয়েন্টের পতন হয়।

সবার প্রত্যাশা ভেঙ্গে ডিএসই-এক্স কমে দাঁড়িয়েছিল ৩৬০৮ পয়েন্টে। এরপরে নিয়ন্ত্রক সংস্থার নানামূখী পদক্ষেপে ফের উঠে বর্তমানে দাঁড়িয়েছে ৪৩৪৭ পয়েন্টে। আবার স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছেন বিনিয়োগকারীরা।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ডিএসই-এক্স ১৫ জানুয়ারি ছিল ৪৩৬৪ পয়েন্ট। চলতি বছরের ২০ ফেব্রুয়ারি তা উঠে দাঁড়ায় ৪৭৩২ পয়েন্টে। সম্ভাবনাময় বাজারে উত্থানে হাজারো বিনিয়োগকারী স্বপ্ন দেখতে শুরু করেন। ডিএসইতে বিনিয়োগ ও শেয়ার লেনদেনে পরিমাণও অনেক বাড়ে।

স্টক বাংলাদেশের চিত্রের মাধ্যমে প্রকাশ

পতনকাল : ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৮ মার্চ, ছিল মাত্র ১৮ কার্যদিবস। ৪৭৩২ পয়েন্ট থেকে ১৮ ফেব্রুয়ারি দুর্বিসহ দিনে তা ৩৬০৮ পয়েন্টে অবস্থান নেয়। ভয়াল সেই দিনে বিনিয়োগ হারিয়ে ডিএসইর সামনে বিক্ষোভ করেন অনেক বিনিয়োগকারী।

মাত্র ১৮ কার্যদিবসে ডিএসই-এক্স ১১২৪ পয়েন্টের পতন হয়। নানামূখী পদক্ষেপ নিলেও করোনাকাল হওয়ায় তা আরো তীব্র আকার ধারণ করে। যদিও ২০১৯ সালের শুরুতে লেনেদেনে পতনের আভাস দিলেও ২০২০ সালের প্রথমভাগে তা রক্তক্ষরণে পরিণত হয়। এরপরে পুঁজিবাজার ইতিহাস ভেঙ্গে গড়ে প্রাগৈতিহাস

দিনটিতে প্রত্যাশা-প্রাপ্তি মুহূর্তে রূপ নেয় বিষাদে। সব শঙ্কা দিনভর মাথার ওপর দুলে পরে তা ইতিহাস হয়ে ওঠে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের শেয়ার লেনদেনের চিত্র। দিন শেষে ডিএসইএক্সের সূচক আরো ১৬৮ পয়েন্ট কমে ৩৬০৩ পয়েন্টে এসে দাঁড়ায়।

এরপরে নানামূখী পদক্ষেপ নেয় বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। ক্রমেই দুর্বল হওয়া পুঁজিবাজারকে শক্তিশালী করতে উদ্যোগী হয় বিএসইসি। শেয়ারের সর্বনিম্ন দর বেধে দিয়ে ১৯ মার্চ ফ্লোর প্রাইস নির্ধারণ করে দেয় নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

বিভিন্ন পদেক্ষেপে ৬ আগস্ট, বৃহস্পতিবার তা ৪৩৭০ পয়েন্টে অবস্থান নেয় এবং লেনদেনর খরা কাটিয়ে তা ৮০০ কোটিতে উঠে।

তবে চলতি বছরের ২০ ফেব্রুয়ারির সেই ৪৭৩২ পয়েন্টে পৌছাতে এখনো ৩৬২ পয়েন্ট বাকি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here