জেএমআই সিরিঞ্জ ও সিভিও’র শেয়ারের দর অস্বাভাবিক

0
690

Dse Logoএস বি ডেস্ক : পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি সিভিও পেট্রোক্যামিকেল ও জেএমআই সিরিঞ্জের শেয়ারের দর অস্বাভাবিকভাবে বেড়েই চলেছে। বিশেষ করে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) সিভিও পেট্রোক্যামিকেলের শেয়ারের দর অস্বাভাবিক বাড়ার কারণ খতিয়ে দেখা সত্ত্বেও দর বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে।

অধিক মুনাফার আশায় কারসাজি চক্র এ দুই কোম্পানির শেয়ার দর বাড়িয়ে নিচ্ছে। কাঙ্ক্ষিত দরে চলে আসলে চক্রটি এ শেয়ার থেকে বেরিয়ে যেতে পারে। এখন যেসব বিনিয়োগকারী উচ্চদরে শেয়ারটি কিনছেন, তাদের পুঁজি আটকে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে উদ্বিগ্ন বাজার সংশ্লিষ্টরা। সূত্র : বাংলামেইল।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, ১২ আগস্ট সিভিও পেট্রোক্যামিকেলের শেয়ারের দাম ছিলো ৪৬০ টাকা। সোমবার এ কোম্পানিটির শেয়ারের দাম সর্বোচ্চ ওঠে ৭১৬ টাকায়। অর্থাৎ এক মাসের ব্যবধানে শেযারটির দর বেড়েছে ২৫৬ টাকা। আর ১২ আগস্ট জেএমআই সিরিঞ্জের শেয়ার দাম ছিলো ৮৬ টাকা। সোমবার কোম্পানিটির শেয়ারের দাম সর্বোচ্চ ওঠে ১৯৮ দশমিক ২০ টাকা। অর্থাৎ এক মাসের ব্যবধানে শেযারটির দর বেড়েছে ১১২ টাকা।

এদিকে, গত ২৭ আগস্ট সিভিও পেট্রোক্যামিকেল, মিথুন নিটিং, তাল্লু স্পিনিং এবং বঙ্গজের শেয়ারের দর অস্বাভাবিক বাড়ার কারণ খতিয়ে দেখতে দুই সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। বিএসইসির ৪৯০তম কমিশন সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

বিএসইসির সিদ্ধান্তে বলা হয়, সম্প্রতি কোম্পানিগুলোর শেয়ারের দর হঠাৎ উল্লম্ফন নিয়ন্ত্রক সংস্থার ইন্সস্ট্যান্ট ওয়াচ মার্কেট সার্ভিলেন্স সিস্টেমে ধরা পড়ে। যার পরিপ্রেক্ষিতে এ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। গঠিত কমিটির সদস্যরা হলেন- বিএসইসির উপ-পরিচালক শামসুর রহমান ও সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ রাকিবুর রহমান।

কোম্পানি প্রোফাইল অনুসারে, সিভিও পেট্রোক্যামিকেল ১৯৯০ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। পর ২০০৪ সাল পর্যন্ত বিনিয়োগকারীদের লভ্যাংশ দেয়ানি কোম্পানিটি। পরে ২০০৫ সালে কোম্পানিটি মাত্র ৬ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেয়। এরপর পুনরায় ৪ বছর কোম্পানিটি বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি। সর্বশেষ ২০১২ সালে কোম্পানিটি ২০ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড ঘোষণা করে। বর্তমানে এ শেয়ারের পিই রেশিও ৫৩১.৭৮। যা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।

আর জেএমআই সিরিঞ্জের ২০০০ সালের পর থেকে একটানা ৭ বছর কোম্পানিটি বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি। সর্বশেষ গত ২০১২ সালে কোম্পানিটি বিনিয়োগকারীদের মাত্র ১২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেয়। এছাড়া এ কোম্পানির আর্থিক বছর শেষ হবে ডিসেম্বরে। বর্তমানে এ শেয়ারের পিই রেশিও ৯৫.২। যা ঝুঁকিপূর্ণ। সিভিও পেট্রোক্যামিকেল জুন ক্লোজিং কোম্পানি। তাই খুব শিগগিরই কোম্পানিটি ডিভিডেন্ড ঘোষণা করবে এমন প্রত্যাশা থেকে অনেকে শেয়ার কিনছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here