সিনোবাংলার পূর্বাভাস!

9
7834

সিনিয়র রিপোর্টার : সিনোবাংলা ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ক্যাটাগরি পবির্তন করবে। ‘জেড’ ক্যাটাগরির কোম্পানিটি নতুনত্ব আনতে ইতোমধ্যে সামগ্রীক কার্যক্রম শুরু করেছে। একই সঙ্গে ২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয়ে নতুন কারখানায় সেপ্টেম্বর মাস থেকে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন শুরু হয়েছে।

চীন এবং বাংলাদেশ যৌথভাবে পরিচালিত কোম্পানির জুলাই মাসে পণ্য উৎপাদন সক্ষমতা ছিল ৭,৮০০ মেট্রিক টন। তা প্রতি মাসে আরো ১৫০ মেট্রিক টন বেড়ে মোট উৎপাদনের সঙ্গে যোগ হয়েছে। উৎপাদিত এসব পণ্য ইউরোপে রপ্তানী করা হচ্ছে।

চীন-বাংলাদেশ যৌথভাবে পরিচালিত কোম্পানি

বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন বৃদ্ধি এবং রপ্তানীর তথ্য কোম্পানির বিশেষ একটি সূত্র স্টক বাংলাদেশের কাছে নিশ্চিত করেছে। তবে ‘মূল্য সংবেদনশীল তথ্য’ হওয়ায় কোম্পানির কর্তৃপক্ষ তা প্রকাশ করতে চাননি।

আরো তথ্য জানতে চাইলে কোম্পানির সিএফও শরিফুল মওলা ‘মূল্য সংবেদনশীল তথ্য’ বলে এড়িয়ে যান।

তবে নাম প্রকাশ না করার অনুরোধে কোম্পানির ঊর্ধতন এক কর্মকর্তা বলেন, সিনোবাংলা কোম্পানির কারখানা সম্প্রসারণ, নতুন মেশিন ক্রয় এবং সংস্থাপনে মোট ব্যয় করা হয়েছে ২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। কোম্পানিটি কারখানা সংলগ্ন অতিরিক্ত জমিও কেনা হয়েছে। এছাড়াও ৫ শতাংশ সুদে প্রায় সাড়ে চার কোটি টাকা বিদেশি ঋণ নিয়ে ব্যবসা সম্প্রসারণের সব কাজ করা হয়।

কারখানার চিত্র

তিনি বলেন, নতুন উৎপাদনের চিত্র কোম্পানির প্রথম প্রান্তিকের ইপিএসে প্রকাশ পাবে। বর্তমানে অডিট চলছে, চলতি মাসেই কোম্পানির বোর্ডসভা সম্পন্ন হবে।

দ্বিতীয় ইউনিটের নতুন করে উৎপাদন জুলাই মাসে শুরুর কথা থাকলেও তা পরে সেপ্টেম্বর মাসে উৎপাদন শুরু হয়। এতে কোম্পানির মোট উৎপাদনের সঙ্গে প্রতি মাসে আরো ১৫০ মেট্রিক টন উৎপাদন যোগ হবে বলেন তিনি। নতুন বছরের প্রথম প্রন্তিকের প্রতিবেদনে সেই চিত্র প্রকাশ পাবে।

ক্যাটাগরি পবির্তনের আভাস পাওয়া গেলেও ‘মূল্য সংবেদনশীল তথ্য’ বলে সরাসরি কেউ তা স্পস্ট করেননি।

9 COMMENTS

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here