সাইফ পাওয়ারের ‘লভ্যাংশের পরিমাণ বাড়বে’: এমডি

0
1150

সিনিয়র রিপোর্টার : নতুন কোম্পানির বাণিজ্যিক উৎপাদন এবং আগামীতে লভ্যাংশের পরিমাণ বাড়বে জানিয়েছেন সাইফ পাওয়ারটেক লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর (এমডি) তরফদার মো. রুহুল আমিন। কোম্পানির ১৫তম বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) বৃহস্পতিবার সকালে এমন কথা বলেন তিনি।

তরফদার মো. রুহুল আমিন বলেন, সাইফ পাওয়ারটেক কোম্পানির কারখানা আধুনিক হতে যাচ্ছে। ২০২০ সালে বাংলাদেশে প্রথম সারির কোম্পানি হবে। এবারে আমরা ১৩ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছি, আগামী ২ থেকে ৩ বছর পরে লভ্যাংশের পরিমাণ আরো বাড়বে।

সাইফ পাওয়ারটেক লিমিটেডের চেয়ারপারসন তরফদার নিগার সুলতানার সভাপতিত্বে এমডি বলেন, বাংলাদেশের বর্তমানে জিডিপির হার ৭.৬, যা এশিয়ায় দ্বিতীয়। এ সাফল্যের জন্য আমরা সবাই গর্বিত। কোম্পানির পণ্য বিক্রি বিগত বছরগুলোর তুলনায় অনেক বেড়েছে। ২০১৭-১৮ সালে হয়েছে ৪২৪ কোটি টাকা হয়েছে। ২০১৫-১৬ সালে যা ছিল ২১৪ কোটি টাকা।

আর্মি গরফ ক্লাবে সকালে তিনি বলেন, ২০১৫-১৬ সারের চেয়ে ১৭-১৮ সালে আমরা ডাবল মুনাফা করেছি। নেট প্রফিট হয়েছে ৬৭ কোটি টাকা। কোম্পানির ৭০ শতাংশ গ্রোথ বেড়েছে এবং আগামীতে আরো বাড়বে। ২০১৫-১৬ সালে কোম্পানি মোট সম্পদের পরিমাণ ছিল কম, এখন তা বেড়ে হয়েছে ১হাজার ১৮ কোটি টাকা। যে সব সম্পদ জাতীয় অর্থনীতিতে বড় ভূমিকা রাখছে।

সাইফ পাওয়ারটের লিমিটেডের ১৫তম বিশেষ সাধারণ সভায় আমন্ত্রিত অতিথিরা

তরফদার মো. রুহুল আমিন বলেন, সাইফ পোর্ট হোল্ডিংস লিমিটেড নামে নতুন একটি কোম্পানি খোলা হয়েছে। দেশের পোর্টগুলোতে এই কোম্পানি কাজ করছে। ইতোমধ্যে পোর্টগুলোতে পণ্য সরবরাহের কাজে এই কোম্পানিকে আন্তর্জাতিক রুপ দিতে সব কাজ করা হয়েছে।

চট্টগ্রামে বন্দরে যে পণ্য সরবরাহ করা হয়, তার ৬৫ শত্যাংশ করে সাইফ পাওয়ারটেক লিমিটেড।

কোম্পানির ভবিষ্যৎ উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, সাইফ প্লাস্টিক এন্ড পলিমার নামে আরো একটি কোম্পানির জন্য জমি কেনা হয়েছে। এর ৮০ শতাংশ শেয়ার ধারণ করছে সাইফ পাওয়ারটেক। আধুনিক একটি প্লাস্টিক ফ্যাক্টরি আগামী ১৯ সালের শেষে দিকে বা ২০২০ সালের শুরুতে উৎপাদনে যাবে। বাংলাদেশে এটি হবে আধুনিক একটি কারখানা।

সিএফও মো. হাসান রেজা

আমাদের সবার জন্য বা বাংলাদেশের উন্নয়নে আমরা এসব কাজ করে যাচ্ছি বলেন কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক।

সভায় উপস্থিত ছিলেন কোম্পানির পরিচালক তরফদার মো. রুহুল সাইফ, পরিচালক রুবায়া চৌধুরী, ইনডিপেনডেন্ড ডিরেক্টর জালাল উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, সিএফও মো. হাসান রেজা ও কোম্পানি সেক্রেটারিসহ ঊর্ধতন কর্মকর্তারা।

সভায় ৭টি এজেন্ডা অনুমোদন করেন উপস্থিত শেয়ার হোল্ডাররা।

বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য হলো- কোম্পানির মোট ১৩ শতাংশ লভ্যাংশ অনুমোদন, একাউন্টস অব অডিটর থেকে মাহফেল এন্ড কোম্পানির অবসর এবং আতা খান এন্ড একাউন্টসকে নিয়োগ, ২০১৮-১৯ -এ মজুমদার শিকদার এন্ড এসোসিয়েটসকে কমপ্লায়েন্স অডিটর হিসেবে নিয়োগে অনুমোদন দেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা।

সভায় কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের প্রসংশা করেন অনেক বিনিয়োগকারী। তবে সুন্দরভাবে একাউন্টস উপস্থাপনের জন্য কোম্পানির সিএফও হাসান রেজাকে অভিনন্দন জানান তারা। একই সঙ্গে সভায় কোম্পানির কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধির আহ্বান জানান বক্তারা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here