শ্যামল রায়:  শেয়ারবাজার কনসালটেন্ট মোঃ শহিদুল্লাহ। দীর্ঘদিন দেশের বাহিরে ছিলেন। দেশের বাহিরে অনেক বড় বড় মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানির কনসালটেন্ট হিসেবে কাজ করেছেন। সম্প্রতি দেশেও কনসাল্টেন্সি করার জন্য নিবিড়ভাবে মার্কেট পর্যবেক্ষন করছেন। এসব কিছু নিয়ে স্টক বাংলাদেশের কার্যালয়ে স্টক বাংলাদেশের সঙ্গে তুলে ধরলেন তার ভাবনার কথা।

আমি মূলত ফিন্যন্স ব্যাকগ্রাউন্ডের লোক। এ বিষয়টা আমাকে দারুন স্যুট করে। দেশের বাহিরে থাকা অবস্থায় অনেক বড় বড় কোম্পানীর ফিন্যন্স বিষয়টা নিয়ে বুঝার চেষ্টা করতাম। এই জন্য আমাকে পড়াশুনাও করতে হয়েছে প্রচুর। এতদিন যা শিখলাম তাই বাস্তবে কাজে লাগানোর জন্য দেশে ফেরা ।

বাংলাদেশের মার্কেট অনেক ছোট তাই স্বাভাবিক ভাবেই রিস্কটা একটু বেশী। কারণ এখানে খুব সহজেই গ্যাম্বলিং করা যায়। স্বল্প দিনের অভিজ্ঞতায় আমি দেখেছি বাংলাদেশের শেয়ার মার্কেটে এই গ্যাম্বলিংটাই বেশী হয়।

এখানে বিনিয়োগকারীরা কোম্পানির মৌলভিত্তি কিম্বা অন্যান্য এ্যানালাইসিস গুলো বুঝে বিনিয়োগ করেনা। একটু খেয়াল করলে দেখবেন একটা ভাল কোম্পানির শেয়ার দীর্ঘদিন ধরে বাড়ে না। অথচ, কোম্পানির ঠিকানাই নেই সেসব কোম্পানির শেয়ার প্রাইজ হল্টেড থাকছে দিনের পর দিন। এটা কিভাবে সম্ভব।

এজন্যই বাংলাদেশের মার্কেটটা বিনিয়োগকারীদের অনূকূলে নয়। সবাই আশা করে কখন কোন শেয়ারে গ্যাম্বলার ঢুকবে। এখনকার বিনিয়োগ হচ্ছে ডেইলী বেসিস ট্রেডিং টাইপ। এটা কোন ক্রমেই ভাল বাজারের লক্ষণ নয়। কিন্তু বিনিয়োগকারীদের করনীয় এখানে তেমন কিছু নাই। সরকারকে এই বিষয়টা বুঝে ভাল মার্কেটের স্বার্থে ইনিসিয়েটিভ নিতে হবে। তা না হলে ৯৬ কিম্বা ২০১০ বার বার ফিরে আসবে। হয়তো ধরনটা পাল্টাবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here