শতভাগ পণ্য রপ্তানী করছে ইয়াকিন পলিমার

0
1649

সিনিয়র রিপোর্টার : ইয়াকিন পলিমার কারখানাকে উৎপাদন উপযোগী করে তোলা হয়েছে। বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়ে ‘যে অপেক্ষার প্রহর’ গুনতে হয়েছিল- সেও শেষ হয়েছে। কোম্পানির কারখানায় তিন শিপটে উৎপাদন চলছে।

সাতক্ষীরার লাবসায় কোম্পানির কোম্পানির কারখানায় সম্প্রতি নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়া হয়েছে বলে জানা যায়। ইতোমধ্যে কারখানায় প্রতিমাসে উৎপাদন সক্ষমতা দাঁড়িয়েছে ৩৫০ মেট্রিক টন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কোম্পানির ঊর্ধতন এক কর্মকর্তা সম্প্রতি স্টক বাংলাদেশকে এমন তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, আমরা প্রতি মাসে ৫ থেকে ৭টি কনটিনার (পলিব্যাগ) ফ্রান্স, ইতালী ও জার্মানীতে রপ্তানী করা হচ্ছে। দীর্ঘদিন পরে আমাদের উৎপাদন বেড়েছে।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সম্পূর্ণ কাজ সম্পন্ন করে উৎপাদনে ফেরার কথা ছিল কোম্পানিটির। নির্ধারিত সময়ে না পারলেও সম্প্রতি উৎপাদন শুরু করেছে। সব মিলে ‘সম্ভাবনার জোয়ারে ভাসছে ইয়াকিন পলিমার’।

তিনি বলেন, ‘আমাদের চেয়ারম্যান কাজী আনায়ারুল হক ইতোমধ্যে কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, জার্মানী, সুইজারল্যান্ড ও নেদারল্যান্ডের বায়ারদের সঙ্গে যোগাযোগ সম্পন্ন করেছেন। তারা ইতোমধ্যে আমাদের কারখানার পরিবেশ ও পণ্য পরিদর্শন করেছে’।

ফ্যাক্টরি পরিদরর্শন বেশ কিছু অনেক অর্ডারও পেয়েছি আমরা। আশা করছি, অনেক ভালো করতে পারবো। সব পণ্য সরবরাহে তিন শিপটে কাজ চলছে।

উৎপাদন সম্পর্কে সম্প্রতি তিনি বলেন, আমরা তিন শিফটে কাজ করছি। এরমধ্যে ১ টন ও ২ টনের জাম্বু ব্যাগ এবং লন্ড্রি ব্যাগের চাহিদা (ছোট ব্যাগ) অনেক বেশি। বিদেশে এসব ব্যাগের প্রচুর চাহিদা রয়েছে।

দেশে পণ্য সরবরাহ করার ইচ্ছে রয়েছে কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমাদের লক্ষ্য ১০০ ভাগ রপ্তানী করা। যাতে প্রচুর প্ররিমাণে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করিতে পারি আমরা। এরপরে দেশে পণ্য সরবরাহ করা যায় কী-না, তা নিয়ে চিন্তা করা হবে।

বর্তমানে কোম্পানির আয় সম্পর্কে জানতে চাইলে বিষয়টি তিনি এড়িয়ে যান। তবে আভাস হিসেবে ‘সম্ভাবনা ক্ষীণ’ বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি বলেন, কোম্পানির মাত্র উৎপাদন শুরু হয়েছে। আয়ের চিত্র আগামী প্রতিবেদনে দেখা যাবে।  তবে এবারে বৃদ্ধির বিশেষ সম্ভাবনা নেই বলে আভাস দেন তিনি।

ইয়াকিন পলিমারের উৎপাদিত ব্যাগ মূলত ধান, চাল, গম, চিনি, সার, সবজি ও ফলমূল, পেঁয়াজ, আদা, আলুসহ বিভিন্ন ধরনের শস্য, প্রাণীজ  ও মৎস্য খাদ্য, গার্মেন্টস, টেক্সটাইল ও জ্বালানি খাতে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। সরকার দেশে ১৭ ধরনের পণ্যে পাটের বস্তা ব্যবহারের বাধ্যতামূলক করেছে।

সরকারি নির্দেশনার কারণে পিপি ওভেন ব্যাগের বিক্রি ও চাহিদা কমেছে। অন্যদিকে পাটের তৈরি ব্যাগের চাহিদা বেড়েছে।

তবে কোম্পানির অনেক কর্মচারি নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, লুবসার পলি কারখানায় আগের মতোই পলি উৎপাদন চলছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here