লাভ করতে কেমন পোর্টফোলিও দরকার?

10
7219

একজন ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীর জন্য সুষম পোর্টফোলিও গঠন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কারণ, সুষম পোর্টফোলিও যেমন উঠতি বাজারে বিনিয়োগকারীকে সর্বোচ্চ মুনাফা দিয়ে থাকে, তেমনি পড়তি বাজারেও অত্যাধিক লোকসান থেকে সুরক্ষা দিয়ে থাকে।

প্রশ্ন হলো- ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী কারা বা এর সংঙ্গা কি? ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী তারাই; যাদের পুঁজির পরিমাণ ১কোটি টাকার নিচে। তবে আমাদের দেশের অধিকাংশ ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীর পুঁজি ১০লক্ষ টাকারও কম।

ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের পুঁজির পরিমাণ যেহেতু অনেক কম, তাই চাইলেও তাদের পক্ষে বাজারে ট্রেড হওয়া সব কোম্পানি থেকে নূন্যতম  ১০ভাগও কেনা সম্ভব নয়। আমাদের বাজারে কোম্পানির সংখ্যা যেখানে বাড়ছে, অন্যদিকে একজন ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী সাধারণত ৩/৪টি কোম্পানি তার পোর্টফোলিওতে রাখেন।

বর্তমানে আমাদের বাজারে ২১টি সেক্টরে ৩৩২টি কোম্পানি রয়েছে (নতুন বাদে)। এগুলোর মধ্যে ৩২২ টির নিয়মিত ট্রেড হয়। বাজারের সব শেয়ার যেমন এক সময়ে উর্ধমুখী হয়না, ঠিক তেমনি সব সেক্টরই একই সময়ে বাজারে নেতৃত্বও দেয়না। আবার ১০/১৫ টি কোম্পানি ছাড়া সব কোম্পানি মূলত দুটি প্রাধান ডিভিডেন্ড মৌসুমকে কেন্দ্র করে মূল্য পরিবর্তন করে। ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীর পোর্টফোলিও তাই এমন হওয়া উচিত যেন তা বাজারের এসব ভিন্ন ভিন্ন বৈশিষ্টকে কম বেশি ধারণ করতে পারে।

পোর্টফোলিও গঠন কৌশল : স্ট্যান্ডার্ড হিসেবে ৫ লক্ষ টাকার একটি পোর্টফলিও গঠন করতে যাচ্ছি। যাদের পুঁজি ১-৫০ লাখ টাকার মধ্যে তদের জন্যে ও এই কৌশল প্রযোজ্য শুধু টাকার পরিমাণটি ভিন্ন ভিন্ন হবে।

ক .  প্রথমেই মোট পুঁজির ১০% আলাদা করুন। এই টাকা সব সময় মেচ্যুউর্ড ক্যাশ হিসেবে আপনার বিও একাউন্টে থাকবে। এটি হল জরুরী নিরাপত্তা তহবিল। যা কাজ- বাজারে সৃষ্টি হওয়া হঠৎ সুযোগ গ্রহণ করা।

রাইট/প্রাইমারি শেয়ারে আবেদন অথবা বিনিয়োগকৃত শেয়ারের দাম অস্বাভাবিক রকম কমে গেলে জরুরী তহবিল ব্যবহৃত হবে। ব্যবহারের ফলে তহবিল কমলে নতুন ক্যাশ ব্যবহার হবে। পোর্টফলিওতে লাভে থাকা শেয়ার বিক্রি করে যথাসম্ভব দ্রুত তহবিলের পরিমাণ ঠিক করুন।

খ . পোর্টফোলিওতে নুন্যতম ২ থেকে ৪ টি সেক্টরের শেয়ার থাকতে হবে। মোট কোম্পানির সংখ্যা হবে ৬ থেকে ১০টি। তবে কোনভাবেই যেন কোম্পানি সংখ্যা ১০টির বেশি না হয়।

গ . পোর্টফোলিওতে থাকা কোম্পানির সংখ্যা যাই হোক না কেন, প্রতিটিতেই বিনিয়গকৃত টাকার পরিমাণ সমান বা খুব কাছাকাছি হতে হবে। কম্পানি ভেদে টাকার পরিমাণে অত্যধিক গড়মিল হলে বিপদ ঘটতে পারে।

বেশি বিনিয়োগ থাকা শেয়ারটির দাম পড়ে গেলে জরুরী তহবিলের টাকায় শেয়ার কিনে যেমনি গড় ক্রয় মূল্য কমানো যাবে না, তেমনি অন্য শেয়ারের লাভ দিয়েও ক্ষতি পূরণ করা যাবেনা। তাই প্রতি শেয়ারে বিনিয়গের পরিমাণ সমান রাখুন।

ঘ .  আপনার পুঁজির ওপর ভিত্তি করে শেয়ার বাছাই করুন। পুঁজির পরিমাণ ৩ লক্ষ টাকার কম হলে ৫০/৬০ বা তার নিচে শেয়ার, ৫ লক্ষ টাকার কম হলে ২০০/২৫০  বা তার নিচের শেয়ার আর ১০ লক্ষ টাকার কম হলে ৫০০/৫৫০ বা তার নিচের মূল্যে লেনদেন হওয়া ফান্ডামেন্টালি ভাল কম্পানির শেয়ার টার্গেট করুন।

ঙ . পোর্টফোলিওতে থাকা কোম্পানির সংখ্যা যাই হোক না কেন তার অর্ধেক জুন ক্লোজিং ও বাকি অর্ধেক যেন ডিসেম্বর ক্লোজিং হয় তা নিশ্চিত করুন।

৫ লক্ষ টাকার পোর্টফোলিও : প্রথমেই ৫ লক্ষ  টাকার ১০ ভাগ মানে ৫০ হাজার টাকা জরুরী তহবিলে রাখুন। মোট ৮টি ভিন্ন কোম্পানির শেয়ার কিনুন। চারটি সেক্টর থেকে কিনতে চাইলে, প্রতি সেক্টর থেকে ২টি করে মোট ৮ টি আর তিনটি সেক্টর থেকে কিনতে চাইলে, প্রথম দুই সেক্টর থেকে ৩ টি ও বাকি একটি সেক্টর থেকে ২ টি করে মোট ৮ টি কম্পানির শেয়ার কিনুন। অবশ্যই লক্ষ রাখুন ৮ টি কম্পানির ৪ টি যেন জুন ক্লোজিং ও বাকি ৪ টি যেন ডিসেম্বর ক্লোজিং হয়। যদি সম্ভব না তবে যেন ৫/৬ টি ডিসেম্বর ক্লোজিং ও বাকি ২/৩ টি জুন ক্লোজিং হয়।

কম্পানির শেয়ার কীভাবে কিনবেন ?
বিনিয়োগযোগ্য ৪,৫০,০০০ টাকা সমান ৮ ভাগে ভাগ করায় প্রতিটি শেয়ারে জন্য বরাদ্ধ প্রায় ৫৬ হাজার ২৫০ টাকা। এটিকে তিন ভাগে ভাগ করুন – (১) ২৭,৫০০ [৫৬ হাজার এর ৫০%]  (২) ১৬,৮০০ [৩০%] (৩) বাকি ১১,৫৫০ [২০%]

প্রথম ভাগ বিনিয়োগ করে ১/২ সপ্তাহ পর্যবেক্ষণে খাকুন। আমরা সবাই শেয়ার কেনার পরদিন থেকেই আশা করতে থাকি যে দাম বাড়বে কিন্তু ঘটনা ঘটে তার উল্টো দাম ১/২ সপ্তাহেই ৫ থেকে ১০% কমে যায়। দাম কমে গেলে ২য় ভাগের টাকা বিনিয়োগ করুন।

দাম আরো ১০% কমে গেলে ৩য় ভাগের টাকা বিনিয়োগ করুন। প্রতি বার শেয়ার কেনার আগে অবশ্যই খোঁজ খবর নিন কেন দাম এভাবে কমছে। কম্পানির আয় কমেছে, পরিচালকেরা তাদের শেয়ার বিক্রি করে দিচ্ছেন ইত্যাদি যথাযথ কারণ খুঁজে পেলে ২য় ও ৩য় ভাগের বিনিয়োগ থেকে দূরে থাকুন। আর যদি স্বাভাবিক কারেকশন মনে হয় তবে ২য় ও ৩য় ভাগ বিনিয়োগ করুন।

আর যদি আপনি সত্যিই ভাগ্যবান হোন, শেয়ার কেনার পর পরই যদি দাম বাড়তে থাকে তাহলে আগে খোঁজ করুন কেন দাম বাড়ছে ? কোন ভাল মূল্য সংবেদনশীল তথ্য কি কম্পানি দিয়েছে? দিয়ে থাকলে ২য়/৩য় ভাগের টাকায় অল্প অল্প করে এমন সংখ্যক শেয়ার কিনুন যেন আপনার গড় ক্রয়মূল্য বাজার মূল্যের চাইতে ৫/১০ ভাগ কম থাকে।

যদি গ্রহণযোগ্য কোন কারন না পান তবে ২য়/৩য় ভাগ বিনিয়োগ না করে আপেক্ষায় থাকুন ২০/২৫ ভাগ লাভ পেলে বিক্রি করে লাভ তুলে নিন। কিছু দিন পর দাম আবার আপনার ক্রয় সীমায় আসলে পুনরায় বিনিয়োগ শুরু করুন।

লেখক-  মোহাম্মদ হাসান শাহারিয়ার

10 COMMENTS

  1. কেয়াকসমেট এর উদাহরণ –
    ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের জন্য পরামর্শগুলো সুফল বয়ে আনবে। আমার একটি জিজ্ঞাসা- কেয়াকসমেট একটি প্রতিষ্ঠিত কোম্পানী ২০০১ সালে আইপিওতে অন্তর্ভৃক্ত হয়। ইহা কেয়া গ্র“প ভুক্ত। দেশ বিদেশে অফিস রয়েছে। লভ্যাংশ মোটামুটি দেয়। দেশে ইহার সুনাম রয়েছে। ন্যাভ ২০১৪ সালে ২১.৯০ টাকা। জুন ২০১৩ ক্লোজিং এ শেয়ারের মূল্য ২৮.০০, জুন ২০১৪ ক্লোজিং এ শেয়ারের মূল্য ২৩.৮০, জুন ২০১৫ ক্লোজিং এ শেয়ারের মূল্য ১৯.৭০ টাকা, ডিসেম্বর ২০১৩ ক্লোজিং এ শেয়ার মূল্য ২৭.৮৭, ডিসেম্বর ২০১৪ ক্লোজিং এ শেয়ার মূল্য ২৩.৫০,ডিসেম্বর ২০১৫ গতকালের ক্লোজিং এ শেয়ার মূল্য ১৩.৩০। সাধারণ নিয়মে ভাল কোম্পানীর শেয়ার দর ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাওয়া, কিন্তু এটি দেখছি দিন দিন শেয়ার দর অধঃপতনে যাচ্ছে। এ থেকে জেড, জেড থেকে এ ক্যাটাগোরীতে আসার পরে ধস। ধস আর থামছে না এ যেন মহাধস। আপনার থিয়রী এই জাতীয় কোম্পানীতে চলবে না। হয়ত কাকতলীয়ভাবে অন্যান্য দু -চারটে কোম্পানীতে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা কিছুটা লাভ করতে পারে। এই কোম্পানীতে ২০১৩ ও ২০১৪ সালে যারা ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা দীর্ঘ মেয়াদে বিনিয়োগ করেছে তাদের পুঁিজ প্রায় ৫০% চুষে নিয়েছে । চুষে নেয়া টাকার সমান লভ্যাংশ দিলেও পুঁিজ ফিরে আসবে না। বর্তমান শেয়ার বাজারে এখন আর কোন প্রকার সূত্র মিলছে না।

    • আমি আপনার সাথে একমত,
      এই রকম আরো উদারন দেওয়া যাবে।
      Perfect Market বলতে পৃথিবীতে কোন মার্কেট নাই কিন্তু অন্যান্য দেশ গুলো Perfect Market এর নিয়ম কানুন ফলো করার চেষ্টা করে আর আমাদের দেশের তথাকথিত SEC কাজের কাজ কিছুই করতে পারে না শুধু বলে করছি। আশ্বাস দেওয়াই মনে হয় SEC মুল নীতি। ২০০৯ থেকে আজ ২০১৫ শেষ দিকে এই ৭ বছরে না করতে পারলে আর পারবে কবে?
      SEC কাজের গতি দেখে মনে হচ্ছে ইহা কচ্ছপের থেকে আস্তে আস্তে চলে।
      আমাদের অর্থ মন্তির ভাষায় বলতে হচ্ছে “রাবিশ” (ঝারির সুরে)

    • ধন্যবাদ জন আপনার মন্তব্যের জন্য। এই লেখাতে আমি চেষ্টা করেছি Money Management বা পুঁজির বিন্যাস নিয়ে বিস্তারিত বলার। Money Management এর পাশাপাশি Stock Selection বিনিয়োগের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এদের যে কোন একটি খারাপ হলে অন্যটি যত ভালই হোক, সাফল্য আপনার কাছে অধরাই থেকে যাবে। ইনশাল্লাহ ভবিষয়তে ভিন্ন কোন লেখায় Stock Selection নিয়ে বিস্তারিত বলার চেষ্টা করব।

      আমাদের বাজারে ২৯০ এর বেশি কোম্পানি থাকলেও ইনভেস্টমেন্ট গ্রেডের ষ্টক আছে হাতে গোনা ৩০-৪০ টি। তাই শুধু ধীর্ঘ মেয়াদে বিনিয়োগ করলেই হবে না, আপনার কেনা স্টকটি ইনভেস্টমেন্ট গ্রেডের ষ্টক কিনা সেটিও বিবেচ্য বিষয়। আপনার উল্লেখিত কোম্পানিটি গত ৪ বছর ধরে একই স্থানে দাড়িয়ে আছে। ২০১১ এ কোম্পানিটি মুনাফা করে ২৬.৮ কোটি আর ২০১৪ তে ২৭ কোটি। অথচ কোম্পানিটি এই সময়ে মোট ৪০% ষ্টক দিয়েছে। ফলে NAV EPS উভয়ই কমেছে উল্লেখযোগ্য হারে। আপনার কথা অনুযায়ী সাধারণ নিয়মে ভাল কোম্পানীর শেয়ার দর ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাওয়ার মূল কারন হল ক্রমাগত কোম্পানিগুলর মুনাফা বৃদ্ধি পাওয়া। কিন্তু আপনার কোম্পানিটির ক্ষেত্রে কি তা হয়েছে?

      একটি ভাল বিনিয়োগযোগ্য কোম্পানির অনেকগুলো বিশিষ্টের একটি হল – তাদের আয়/মুনাফা প্রতি বছর নুন্যতম ১০% হারে বাড়তে হবে। GP, SQPHARMA এদের কথা ছাড়ুন গড় মানের KPCL, SPPCL, SUMMIT এদের ৩-৪ বছরের মোট আয় দেখলেই বুঝতে পারবেন কেন এদের দাম এত ঝড়-ঝাপ্টার পড়েও তলানিতে চলে যায় না।

      • ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের শেয়ার এর বিনিয়োগ করার জন্য আপনার অর্থ ব্যবস্থাপনা ও পুঁিজর বিন্যাস নতুনদের জন্য কার্যকরী হবে। এতে কোন সন্দেহ নাই বা দ্বিমতও নাই। কিন্তু কি করে বুঝা যাবে যেখানে কেয়াকসমেট চার বছর ধরে একই স্থানে দাড়িয়ে আছে এখন ২০১৫ তে এসে ধপাস করে পড়ে যাবে। এখন না হয় KPCL, SPPCL, SUMMITএদের হয়ত এই সুনামিতে তেমন ক্ষতি হয় নাই। কিন্তু আগামী সময় গুলোতে কি হবে তাতো এখন বলা যাবে না। কারণ প্রতিদিনই বিনিয়োগকারীদের পোর্টফলিও হতে বিনিয়োগকৃত মূলধণ ক্রমান্বয়ে হ্রাস পাচ্ছে।

        • কেয়া ক্সমেটিক্সে শুধু আয়ই মূল সমস্যা নয়। ২০১৫ এর শুরু তে এটি লোকসানি কোম্পানি কেয়া নিটিং এন্ড স্পিনিং এর সাথে মার্জ হয়েছে। ফলে শেয়ার সংখ্যা প্রায় ২গুন হলেও আয় ২ গুন বারে নি। আর বড় বড় বিনিয়োগকারীগণ হুট-হাট করে কোন কোম্পানি থেকে তাদের বিনিয়োগ প্রত্যাহার করে নিতে পারে না। এটা ধীরে ধীরে হয়। পর পর ২ বছর আয় না বাড়া থেকেই ছোট বিনিয়োগকারীদের বোঝা উচিত ছিল যে, কোম্পানিটি সমস্যায় পরেছে এবং এখান থেকে বের হয়ে যাওয়া উত্তম। যারা বুদ্ধিমান বিনিয়োগকারী তারা ২ বছর আগেই এখান থেকে আঊট হয়েছে। আর বড়রা ৩-৪ বছরে বের হয়ে যাওয়ায় এখন দাম তলানিতে নেমেছে। আসলে বড় পুঁজি ঠিক কখন বের হয়ে যাচ্ছে তা ঠিক ভাবে অনুমান করা সম্ভব নয়। তাই কোম্পানির আর্থিক সক্ষমতা কমতে শুরু করলেই সেখান থেকে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের বের হয়ে যাওয়া উচিত। কোম্পানির অবস্থা ভাল হয় কি না এর জন্য আপনি খুব বেশী হলে ৬-১২ মাস অপেক্ষা করতে পারেন। অবস্থার লক্ষণীয় উন্নতি না হলে প্রয়োজনে ৫-১০% লস দিয়ে হলেও দুর্বল হতে থাকা কোম্পানি থেকে বের হয়ে যাওয়া উচিত।

          আর কোন কোম্পানির ব্যবসা কখন খারাপ-ভাল হবে তা আগে থেকেই ১০০% সঠিক অনুমান করা কঠিন। তাই প্রতি ৪ মাস পর পর আর্নিং রিপোর্ট বের হলেই কোম্পানিটি এনালাইসিস করে এর অবস্থা বোঝার চেষ্টা করতে হবে।

Mohammad Hasan শীর্ষক প্রকাশনায় মন্তব্য করুন Cancel reply

Please enter your comment!
Please enter your name here