লট প্রথা ১১ ডিসেম্বর থেকে বাতিল

3
2810
সিনিয়র রিপোর্টার : ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ১১ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হচ্ছে নতুন স্বয়ংক্রিয় লেনদেন ব্যবস্থা। এ পদ্ধতি চালুর মাধ্যমে আর থাকছেনা লট ব্যবস্থা। ফলে ভেঙ্গে যাবে দীর্ঘ দিনের লট প্রথা। বিনিয়োগকারীদের দীঘর্দিনের দুঃখ কথার লাঘব হতে চলেছে।
লেনদেন ব্যবস্থায় একদিনে বিপুল পরিমাণ শেয়ার লেনদেন করার ক্ষমতা থাকায় মার্কেট লট বলে কিছু থাকবে না। অর্থাৎ আইপিওতে শেয়ার বিক্রির ক্ষেত্রে লট (নির্দিষ্ট পরিমাণ শেয়ার) থাকলেও সেকেন্ডারি শেয়ারবাজারে লেনদেনের ক্ষেত্রে ক্রেতা বা বিক্রেতা পূর্ণ সংখ্যার যে কোনো পরিমাণ শেয়ার কিনতে বা বিক্রি করতে পারবেন।
এ লক্ষ্যে ২৪ নভেম্বর থেকে ডিএসইর ব্রোকারেজ হাউসগুলোর প্রায় ৪০০টি ট্রেডিং ওয়ার্ক স্টেশন থেকে একযোগে পরীক্ষামূলক লেনদেন (মক ট্রেডিং) চালু করা হবে। এ প্রক্রিয়া সফলভাবে সম্পন্ন হলে নির্ধারিত সময়ে চালু হবে নতুন স্বয়ংক্রিয় লেনদেন ব্যবস্থা। এতে করে যে কোনো পরিমাণ পূর্ণ সংখ্যার শেয়ার লেনদেন করতে পারবেন বিনিয়োগকারীরা।
এর আগে গত ২১ মার্চ অটোমেটেড ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম চালুর জন্য নাসডাক ওএমএক্স ও ফ্লেক্সট্রেড সিস্টেমসের সঙ্গে চুক্তি সই করে ডিএসই। ফলে নয় মাসের মধ্যে আধুনিক প্রযুক্তির অটোমেটেড ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম চালু করবে ডিএসই।

নতুন স্বয়ংক্রিয় লেনদেন ব্যবস্থার মধ্যে নাসডাক ওএমএক্স সরবরাহ করছে ম্যাচিং ইঞ্জিন ও ফ্লেক্সট্রেড সরবরাহ করছে অর্ডার ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (ওএমএস)। নতুন অটোমেটেড ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম সম্পর্কে ডিএসই ট্রেকহোল্ডার প্রতিনিধি, সব ব্রোকিং হাউজের সব অনুমোদিত প্রতিনিধি, আইটি বিভাগের প্রধান এবং ক্রেডিট অ্যাডমিনিসট্রেটরদের ধারণা দিতে গত ৪ সেপ্টেম্বর প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্যোগ নেয় ডিএসই। যা তিন মাসব্যাপী পর্যায়ক্রমে চলে।

এ বিষয়ে ডিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক অধ্যাপক ড. স্বপন কুমার বালা বলেন, সোমবার থেকে ডিএসইর ব্রোকারেজ হাউসগুলোর ট্রেডিং ওয়ার্ক স্টেশন থেকে একযোগে মক ট্রেডিং চালু হবে। আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন স্বয়ংক্রিয় লেনদেন ব্যবস্থাপনা চালু না হওয়া পর্যন্ত এ মক ট্রেডিং চলবে।

ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, নাসডাক ওএমএক্স ও ফ্লেক্সট্রেড ব্যবহারকারীদের (ব্রোকার এবং বিনিয়োগকারী) জন্য সহজ এবং নিরাপদ হবে। তবে নতুন ব্যবস্থায় কোনো বিনিয়োগকারী নিজ ব্রোকারেজ হাউসের যে কোনো অথরাইজড রিপ্রেজেন্টেটিভ বা শাখা থেকে শেয়ার কেনা-বেচা করতে পারবেন না। প্রত্যেক বিনিয়োগকারীর জন্য একটি ব্রোকারেজ হাউসের শাখা ও একজন বা একটি গ্রুপভুক্ত অথরাইজড রিপ্রেজেন্টেটিভ নির্দিষ্ট থাকবে। কোনো বিনিয়োগকারীকে ওই নির্দিষ্ট ব্রোকারেজ হাউস ও নির্দিষ্ট বা গ্রুপভুক্ত অথরাইজড রিপ্রেজেন্টেটিভের মাধ্যমে শেয়ার কেনা বা বেচার অর্ডার দিতে হবে। এতে একসঙ্গে অনেক কোম্পানির শেয়ারের ওঠানামা প্রত্যক্ষ করতে পারবেন তারা।

নতুন লেনদেন ব্যবস্থায় একদিনে বিপুল পরিমাণ শেয়ার লেনদেন করার ক্ষমতা থাকায় মার্কেট লট বলে কিছু থাকবে না। অর্থাৎ আইপিওতে শেয়ার বিক্রির ক্ষেত্রে লট (নির্দিষ্ট পরিমাণ শেয়ার) থাকলেও সেকেন্ডারি শেয়ারবাজারে লেনদেনের ক্ষেত্রে ক্রেতা বা বিক্রেতা পূর্ণ সংখ্যার যে কোনো পরিমাণ শেয়ার কিনতে বা বিক্রি করতে পারবেন।

পেছনের খবর : নতুন যুগের দ্বারপ্রান্তে পুজিবাজার- ‘মার্কেট লট’ প্রথা থাকছে না

3 COMMENTS

  1. We really happy to reject this lot system; anyone can buy 1-1lac…
    This is the best system; by this way brokerages income also increase like sharply…
    1 transaction 10tk minimum charge so if 1 shares value 15tk brokerage will get 10tk which really a remarkable steps in our brokerages.But brokerages employees wages still very very low which is painful for all…
    Pls focus here and otc shares…

  2. এখন আর ক্ষুদে বিনিয়োগকারির আফসোস থাকবে না ! যে কোন শেয়ার চাইলেই কিনতে পারবে ! তবে আমাদের অণুরোধ থাকবে যেন আমাদের আবার লুটে খেতে না পারে !!!

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here