রোববার, একই দিনে দুটি কোম্পানির আইপিও আবেদন

0
3904

রাহেল আহমেদ শানু : প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে বাজার মন্দা হওয়ায় একদিকে যেমন রাষ্ট্রায়ত্ব অনেক কোম্পানি পুঁজিবাজারে আসছে না। অন্যদিকে এ সুযোগে কিছু কোম্পানি বাজার থেকে টাকা তোলার জন্য হুমড়ি খেয়ে পড়েছে। মন্দা বাজার হওয়ায় টেলিটক আইপিওতে না এলেও একই দিনে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দুটি কোম্পানির আইপিও আবেদন।

আগামী ১৮ মে, রোববার থেকে শুরু কোম্পানি দুটির আবেদন। কোম্পানিগুলো হচ্ছে- তুং হাই নিটিং অ্যান্ড ডায়িং লিমিটেড ও ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি।

তুং হাই নিটিং অ্যান্ড ডায়িং লিমিটেড : প্রাথমিক গণ প্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে  টাকা উত্তোলনের সময় নির্ধারণ করেছে। সাধারণ বিনিয়োগকারীরা আগামি ১৮ মে থেকে ২২ মে পর্যন্ত এই আবেদন করতে পারবেন। তবে প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের জন্য এ সুযোগ থাকবে ৩১ মে পর্যন্ত রয়েছে।  (আরো খবর জানতে : তুং হাই নিটিংয়ের আইপিও আবেদন ১৮ মে থেকে)

ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি : শেয়ার পেতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের জন্য দরপ্রস্তাবের দিন ধার্য করা হয়েছে আগামী ১৮ থেকে, রোববার ২০ মে পর্যন্ত। বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে জ্বালানি খাতের কোম্পানি গত ২ ফেব্রুয়ারি কোম্পানিটি প্রতিটি শেয়ারের নির্দেশক মূল্য ৬০ টাকায় নির্ধারণের অনুমোদন পায়।

ডিএসই ২০০টির বেশি যোগ্য প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী রয়েছে, যারা বিডিংয়ে অংশগ্রহণ করতে পারবে। বিডিংয়ে যে কাট অব প্রাইস নির্ধারণ করা হবে, সেটিই আইপিওর ইস্যু মূল্য হবে। এজন্য নিলামে অংশগ্রহণ করতে হলে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীকে দরপ্রস্তাবের সঙ্গে প্রস্তাবিত শেয়ারের ক্রয়মূল্যের ২০ শতাংশ অর্থ নির্ধারিত ব্যাংক হিসাবে জমা দিতে হবে। নিলাম প্রস্তাব ১৮ মে বেলা ২টা থেকে ২০ মে বেলা ২টা একটানা ৪৮ ঘণ্টা চলবে। (জানতে : বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে ১৮ মে ইউনাইটেড পাওয়ারের আইপিও আবেদন)

তবে একই দিনে দুটি কোম্পানির আইপিও অনুমোদন হওয়ায় তা পুঁজিবাজারে প্রভাব পড়তে পারে বলে অনেকে আশঙ্কা করছেন। কেননা, বাজায় মন্দায় আইপিও নির্ভর এখন পুঁজিবাজার। দুটি কোম্পানির আইপিওতে বিপুল পরিমাণ টাকা স্থানান্তর হলে পুঁজিবাজারে লেনদেন কমার আশঙ্কা রয়েছে।

তবে একই দিনে দুটি কোম্পানির আইপিও অনুমোদন দেয়ায় অনেক বিনিয়োগকারী বাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটি এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনকে (বিএসইসি) দোষারোপ করছেন। বাজারে লেনদেন কমলে তা বিএসইসির ‘র্নিবুদ্ধিতার’ কারণ বলেও তারা অভিহিত করেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here