যে দরে বিডিং করবেন বিডার, সে দামেই নিতে হবে শেয়ার

0
1041

স্টাফ রিপোর্টার : বুক বিল্ডিং এর পাবলিক ইস্যুর বিডিংয়ে বিডাররা যে মূল্যে এবং যে পরিমাণ শেয়ার বিড করবেন সেই শেয়ার তাদের সে দরেই কিনতে হবে। পাশাপাশি বিডাররা যে পরিমাণ শেয়ার বিড করবে সেসব শেয়ারও তাদের কিনতে হবে।

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (পাবলিক ইস্যু) রুলস ২০১৫ এর কতিপয় সংশোধনীতে বুধবার এমনটিই বলা হয়েছে। বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (পাবলিক ইস্যু) রুলস ২০১৫ এর কতিপয় সংশোধনীতে অনুমোদন করেছে। যা শিগগিরই জনমত গ্রহণের জন্য প্রকাশ করা হবে।

প্রস্তাবিত সংশোধনীতে মধ্যে বলা হয়েছে- বুক বিল্ডিংয়ের মাধ্যমে পাবলিক ইস্যুর ক্ষেত্রে এর পরিমাণ কমপক্ষে ১০০ কোটি টাকা বা ইস্যুয়ারের পরিশোধিত মূলধনের ১০ শতাংশের বেশি হতে হবে।

বুক বিল্ডিং এর মাধ্যমে পাবলিক ইস্যুর বিডিং যোগ্য বিনিয়োগকারীদের তাদের বিডের শতভাগ মূল্য যে এক্সচেঞ্জ বিডিং পরিচালনা করছে সেখানে জমা দিতে হবে। বিডিং এ শেয়ারের এলোটমেন্টে সর্বোচ্চ মূল্যস্তরে শুরু হবে এবং ক্রমান্বয়ে তা নিচের দিকে আসবে। যে মূল্যে শেয়ার শেষ হবে তা কাট অফ প্রাইস হিসাবে গণ্য হবে এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীরা সেই মূল্য থেকে ১০ শতাংশ কমে শেয়ার ক্রয় করবেন।

বিডারদের নাম বা তাদের প্রাইস ডিসপ্লে করা যাবে না। বিডিং যদি কাট অফ প্রাইসে একাধিক বিডারের বিড থাকে, সেক্ষেত্রে যে বিডার আগে বিড দাখিল করেছেন তাকে প্রথমে শেয়ার প্রদান করা হবে।

বিডিংয়ে চূড়ান্ত ফল, মূল্য ও বরাদ্দকৃত শেয়ারের সংখ্যাসহ যারা শেযার পেয়েছেন তাদের ই-মেইলের মাধ্যমে জানানো হবে। একই সাথে ইস্যুয়ার, ইস্যু ম্যানেজার এবং এক্সচেঞ্জের ওয়েবসাইটেও প্রকাশ করা হবে। অকৃতকার্য বিডাররের অর্থ স্টক এক্সচেঞ্জ সর্বোচ্চ ৫ কার্যদিবসের মধ্যে ফেরত দেবে।

বুক বিল্ডিংয়ের ক্ষেত্রে যোগ্য বিনিয়োগকারীদের কোো ৬০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫০ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কোটা ৩০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৪০ শতাংশ করা হবে। যোগ্য বিনিয়োগকারীর শেয়ারের কোটা বিডিংয়ের মাধ্যমে সম্পূর্ণরূপে বিক্রি না হলে সে ইস্যু বাতিল হয়ে যাবে।

স্টক এক্সচেঞ্জদের পাবলিক ইস্যুর তালিকাভুক্তির আবেদন পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে পাবলিক ইস্যু রুলস বা অন্যান্য সিকিউরিটিজ আইন বা একাউন্টিং স্ট্যান্ডার্ডের ব্যত্যয় থাকলে তা উল্লেখ করে তাদের মতামত কমিশনে প্রেরণ করতে হবে।

বুক বিল্ডিং পদ্ধতির ক্ষেত্রে বিডিংয়ের পর খসড়া প্রসপেক্টাস এবং সব কাগজপত্র প্রাপ্তি স্বাপেক্ষে কমিশন সাধারণ জনগণের কাছে শেয়ার বিক্রির অনুমোদন প্রদান করবে বিএসইসি।

এদিকে, আগের ইস্যুকৃত মূলধন সম্পূর্ণ ব্যবহার না করে পাবলিক ইস্যুর প্রস্তাব করা যাবে না বলে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (পাবলিক ইস্যু) রুলস ২০১৫ সংশোধনীতে বলা হয়েছে।

সংশোধনীতে আরও বলা হয়েছে, অভিহিত  মূল্যের পাবলিক ইস্যুর পরিমাণ কমপক্ষে ৫০ কোটি টাকা বা ইস্যুয়ারের পরিশোধিত মূলধনের ১০ শতাংশ বা তার বেশি হতে হবে।

অভিহিত মূল্যে পাবলিক ইস্যুর ক্ষেত্রে আবেদন সম্মিলিতভঅবে ৬৫ শতাংশ এর কম হলে ইস্যু বাতিল হয়ে যাবে এবং আবেদন সম্মিলিতভঅবে ৬৫ শতাংশ বা তার বেশি হলে ১০০ শতাংশ এর কম হলে বাকী শেয়ার আন্ডার রাইটার গ্রহন করবে।

প্রসপেক্টাসে উল্লেখিত কোম্পানির সকল শেয়ারহোল্ডারদের লক ইন ৩ বছরের জন্য হবে এবং তা এক্সচেঞ্জে প্রথম ট্রেডিং এর দিন থেকে গননা করা হবে।

পাবলিক ইস্যুর আবেদনের সময় ইস্যুয়ারকে পূর্বে নগদে উত্তোলিত মূলধনের ক্ষেত্রে ব্যাংকের অথবা অডিটরের সার্টিফিকেট এবং ব্যাংক স্টেটমেন্ট দাখিল করতে হবে।

পাবলিক ইস্যু আবেদনের সময় ইস্যুয়ারকে পূর্বে নগদে ব্যতিত উত্তোলিত মূলধনের ক্ষেত্রে যৌথ মূলধনী কোম্পানির রেজিস্ট্রারের সার্টিফাইড ভেন্ডর এগ্রিমেন্ট এবং সম্পদের মালিকানা সংক্রান্ত টাইটেল ডকুমেন্ট কমিশনে জমা দিতে হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here